১) বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
ব্যাখ্যা:
• 'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।
প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- বিনোদিনী,
- মহেন্দ্র,
- আশালতা,
- বিহারী,
- রাজলক্ষী প্রমুখ।
অন্যদিকে,
• ‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাস:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে নিত্য রূপান্তরশীল মানুষ, জীবন ও সমাজের চলমান আদলটিকে ধরার চেষ্টা করেছেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের মধ্যবিত্ত শিক্ষিত ভারতীয় বাঙালির মন-মানস এবং পটভূমির পরিপ্রেক্ষিতে।
-----------------
• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
- এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'
এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- ফিরদৌস বেগম।
----------------------
• ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস।
- এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য এটাকে 'রোমান্স' ধর্মী উপন্যাস বলা যায়।
- অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
- কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
• বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
• নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমার কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?" এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোম্যান্টিক সংলাপ।
• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
গঙ্গা
পুতুলনাচের ইতিকথা
হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
গৃহদাহ
গঙ্গা
ব্যাখ্যা:
• 'গঙ্গা' উপন্যাস:
- 'গঙ্গা' উপন্যাসটি সমরেশ বসুর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত।
- গঙ্গার পটভূমি একটাই, জল-জাল-জেলে; বিশেষত অবিভক্ত ২৪ পরগনা জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের (মাছমারা) জীবনসংগ্রামের কাহিনি। গঙ্গা উপন্যাসের চরিত্রগুলো সামনে অতটা উজ্জ্বল হয়ে ধরা দেয়নি।
- সমরেশ বসুর মূল বিষয় চরিত্র চিত্রণ নয়, মূল বিষয় জেলেজীবন।
- জেলেজীবনের সংগ্রাম চিত্রণ করতে যা যা প্রয়োজন, তা করেছেন। চরিত্রের ক্ষেত্রেও তাই।
- এখানে মোটা দাগে যারা রয়েছে: সাইদার নিবারণ, নিবারণের ছোট ভাই পাঁচু ও ছেলে বিলাস, বশীর, সয়ারাম, পাচী (ছায়া), রসিক, দুলাল; অপরদিকে অমর্তের বউ, দামিনী, হিমি, হিমির সখী আতর, মহাজন ব্রজেন ঠাকুর প্রমুখ।
- আপাতদৃষ্টিতে এই উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা হলো বিলাস ও হিমি। কিন্তু সব চরিত্র যার ছায়া অবলম্বনে, তিনি হলো নিবারণ। সেদিক থেকে নিবারণ হলো কেন্দ্রীয় চরিত্র।
----------------------
অন্যদিকে,
• পুতুলনাচের ইতিকথা:
- উপন্যাসটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন: 'সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।' 'পুতুলনাচের ইতিকথা'য় সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োগ আছে।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাঙালি শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অন্তর্গত টানাপোড়েন ও অস্তিত্ব সংকট শশী চরিত্রের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত।
- 'পুতুলনাচের ইতিকথা'য় পুতুল বলতে এই মানুষগুলোকেই বোঝানো হয়েছে, যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে দাঁড়াতে পারে না; পুতুলের মতো অন্যের অল্প ধাক্কাতেই চালিত হয়।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: হারু ঘোষ, শশী, কুসুম ইত্যাদি।
----------------------
• হাঁসুলী বাঁকের উপকথা:
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস।
- বাশবাদি গ্রামে কাহার জাতির লোকেরা বাস করত। কাহারদের পুরানো বিশ্বাস ও কুসংস্কারের পরিবর্তন নিয়ে উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
------------------------
• গৃহদাহ:
- গৃহদাহ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি শ্রেষ্ঠি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- মাসিক ‘ভারতবর্ষে’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- 'গৃহদাহ' উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
- উপন্যাসের নায়িকা অচলা। মহিম ও সুরেশ দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ বিকর্ষণ উপন্যাসের আলোচ্য বিষয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩) “ডিঙি টেনে বের করতে হবে”। - কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
কর্মবাচ্য
ভাববাচ্য
যৌগিক
কর্মকর্তৃবাচ্য
ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা:
• ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
ভাববাচ্যের বৈশিষ্ট্য:
ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন:
- আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
• কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন:
- এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
তেমনিভাবে,
- ডিঙি টেনে বের করতে হবে।
• মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন:
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪) বাংলা সাহিত্যে “কালকূট” নামে পরিচিত কোন লেখক?
সমরেশ মজুমদার
শওকত ওসমান
সমরেশ বসু
আলাউদ্দিন আল আজাদ
সমরেশ বসু
ব্যাখ্যা:
• ‘কালকূট’ সমরেশ বসু ব্যবহৃত সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
বাংলা সাহিত্যের কয়েকজন লেখক ও তাদের ছদ্মনাম:
• প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম - বীরবল।
• প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম - টেকচাঁদ ঠাকুর।
• সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম - চিত্রগুপ্ত।
• মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব।
• বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন।
• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো - যাযাবর।
• সৈয়দ মুজতবা আলী এর ছদ্মনাম - প্রিয়দর্শী।
• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ব্যবহৃত ছদ্মনাম - নীল লোহিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫) “পরানের গহীন ভিতর” কাব্যের কবি কে?
অসীম সাহা
অরুণ বসু
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সৈয়দ শামসুল হক
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা:
• 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যের রচয়িতা- 'সৈয়দ শামসুল হক'।
------------------------
• সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নুরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৬) “এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলাে” - এ বাক্য কোন ধরনের?
অনুজ্ঞাবাচক
নির্দেশাত্মক
বিস্ময়বোধক
প্রশ্নবোধক
নির্দেশাত্মক
ব্যাখ্যা:
• বর্ণনা বা বিবরণমূলক বা বিবৃতিমূলক বা নির্দেশাত্মক বাক্য:
- যে বাক্যের সাহায্যে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় বর্ণনা বা বিবরণমূলক বা বিবৃতিমূলক বা নির্দেশাত্মক বাক্য।
- আবার এভাবেও বলা যায়, যে বাক্যে কোনো ঘটনার ভাব বা তথ্য থাকে এবং সেই বক্তব্যকে সাধারণভাবে বিবৃত বা নির্দেশ করা হয় তাকে বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য বলে।
যেমন:
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
- লোকটি প্রতিদিন পুকুরে সাতার কাটে।
- সে কবিতা লিখছে ইত্যাদি।
প্রদত্ত বাক্য "এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলাে" যেকোনো একটি ঘটনার বর্ণনা সাধারণভাবে দেয়া হচ্ছে। সুতরাং, এটি একটি বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য।
• বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্যকে আবার অস্তিবাচক বা হ্যাঁসূচক বাক্য ও নেতিবাচক বা না-সূচক বাক্য এ দুভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. অস্তিবাচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছুর বর্ণনায় ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় অস্তিবাচক বাক্য।
যেমন:
- আমি প্রত্যদিন সকালে হাটি।
- ছাত্ররা নিয়মিত লেখাপড়া করে।
- ভালো লোক ভালো কাজের পরামর্শ দেন।
২. নেতিবাচক বাক্য:
যে বাক্যের সাহায্যে কোন কিছুর নেতিবাচক বর্ণনা দেয়া হয়, তাকে বলা হয় নেতিবাচক বাক্য।
যেমন:
- সে এখন আর গান গায় না।
- ছেলেটির অসুখ এখনও ভালো হয়নি।
- তিনি এবার গ্রামে যাবেন না ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭) ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা কোনটি?
হুলিয়া
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া
সোনালি কাবিন
স্মৃতিস্তম্ভ
স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা:
• 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা:
- 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ এর 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি।
স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার কয়েকটি লাইন নিম্নরূপ:
স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
---------------------
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ একজন শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি ১৯৩২ সালের ৬ মে , নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
• তাঁর রচিত উপন্যাস :
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন,
- কর্ণফুলী,
- ক্ষুধা ও আশা,
- খসড়া কাগজ,
- স্বপ্নশিলা,
- বিশৃঙ্খলা।
• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
• গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি,
- মৃগনাভি,
- ধানকন্যা,
- যখন সৈকত,
- অন্ধকার সিঁড়ি,
- জীবনজামিন,
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার।
উৎস: স্মৃতিস্তম্ভ, আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮) ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই-
রসতত্ত্ব
রূপতত্ত্ব
বাক্যতত্ত্ব
ক্রিয়ার কাল
বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
• ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই ‘বাক্যতত্ত্ব’।
• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্ব মানুষের বাক্-প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনি সমন্বয়ে গঠিত শব্দসহযোগে সৃষ্ট অর্থবোধক বাক প্রবাহের বিশেষ বিশেষ অংশকে বলা হয় বাক্য (Sentence)।
- বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়।
- বাক্যের মধ্যে কোন পদের পর কোন পদ বসে, কোন পদের স্থান কোথায় বাক্যতত্ত্বে এসবের পূর্ণ বিশ্লেষণ থাকে। বাক্যতত্ত্বকে পদক্রমও বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৯) কোন বানানটি শুদ্ধ?
মনোকষ্ট
মনঃকষ্ট
মণকষ্ট
মনকস্ট
মনঃকষ্ট
ব্যাখ্যা:
• শুদ্ধ বানান: মনঃকষ্ট।
• মনঃকষ্ট (বিশেষ্য পদ)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = মনস্+√কষ্+ত।
অর্থ: মনের দুঃখ, মনোবেদনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০) প্রচুর + য = প্রাচুর্য; কোন প্রত্যয়?
কৃৎ প্রত্যয়
তদ্ধিত প্রত্যয়
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা:
• তদ্ধিত 'য' প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি লোপ পায়।
যেমন -
- সম্ + য = সাম্য;
- কবি + য = কাব্য;
- মধুর + য = মাধুর্য;
- প্রাচী + য = প্রাচ্য;
- প্রচুর + য = প্রাচুর্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১) ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে-
রেফ
হসন্ত
কার
ফলা
ফলা
ব্যাখ্যা:
• ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে।
---------------
• অনুবর্ণ:
ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ। অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।
• ফলা:
ব্যঞ্জনবর্ণের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ অন্য ব্যঞ্জনের নিচে অথবা ডান পাশে ঝুলে থাকে, সেগুলোকে ফলা বলে। বাংলা বর্ণমালায় ফলা বর্ণ ৬টি।
যেমন:
- ন-ফলা,
- ব-ফলা,
- ম-ফলা,
- য-ফলা,
- র- ফলা,
- ল-ফলা।
• রেফ: র-এর একটি অনুবর্ণ রেফ।
• বর্ণসংক্ষেপ: যুক্তবর্ণ লিখতে অনেক সময়ে বর্ণকে সংক্ষেপ করার প্রয়োজন হয়। এগুলো বর্ণসংক্ষেপ। যেমন ভ, দ, ন, ম, ষ, স ইত্যাদি। এছাড়া ৎ বর্ণটি ত-এর একটি বর্ণসংক্ষেপ, যা বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২) পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি কার ছিল?
দাশরথি রায়
রামনিধি গুপ্ত
ফকির গরীবুল্লাহ
রামরাম বসু
দাশরথি রায়
ব্যাখ্যা:
• পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন: দাশরথি রায়।
• দাশরথি রায়:
- দাশরথি রায় ১৮০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার বাঁধমুড়া গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন স্বভাবকবি ও পাঁচালিকার। ‘দাশু রায়’ নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন।
- ১৮৩৬ সালে আখড়া গঠন করে ছড়া ও পাঁচালি রচনায় মনোনিবেশ করেন।
- অল্পদিনের মধ্যেই দাশরথি খ্যাতনামা পাঁচালিকার হিসেবে নবদ্বীপের পন্ডিতসমাজে উচ্চ প্রশংসিত হন।
- তাঁর গানগুলি রাগসুরে রচিত এবং তাতে টপ্পা অঙ্গের ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- পাঁচালিকে বিভিন্ন শ্রেণির শ্রোতাদের উপভোগ্য করে তোলেন, যা ‘দাশুরায়ের পাঁচালি’ নামে খ্যাত।
-------------------
• পাঁচালি:
- পাঁচালি লোকগীতির একটি ধারা।
- এতে গানের মাধ্যমে কোনো আখ্যান বর্ণিত হয়।
- পঞ্চাল বা পঞ্চালিকা শব্দ থেকে পাঁচালি শব্দের উৎপত্তি।
- আবার এতে গান, বাজনা, ছড়া কাটা, গানের লড়াই ও নাচ এই পঞ্চাঙ্গের সমাবেশে ঘটে বলেও কেউ কেউ একে পাঁচালি বলেন।
- পাঁচালি রচয়িতাদের মধ্যে বিশেষ প্রসিদ্ধ দাশরথি রায়। ‘দাশু রায়ের পাঁচালি’ সারা বাংলায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে।
অন্যদিকে,
• বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের প্রবর্তক হিসেবে বিখ্যাত রামনিধি গুপ্ত।
• পুঁথি সাহিত্যর প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন ফকির গরীবুল্লাহ।
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক রামরাম বসু ছিলেন গদ্য সাহিত্য সূচনা পর্বের লেখেক। তিনি বাঙালি রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' রচনা করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৩) চারণকবি হিসেবে বিখ্যাত কে?
আলাওল
চন্দ্রাবতী
মুকুন্দদাস
মুক্তারাম চক্রবর্তী
মুকুন্দদাস
ব্যাখ্যা:
• মুকুন্দদাস- 'চারণকবি' হিসেবে পরিচিত।
• মুকুন্দদাস:
- ঢাকার বিক্রমপুরে মুকুন্দদাসের জন্ম। তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিল যজ্ঞেশ্বর।
- রামানন্দ নামক এক সাধকের নিকট দীক্ষা নেওয়ার পর তাঁর নাম হয় মুকুন্দদাস।
- তিনি ১৯২২ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলনে স্বদেশপ্রেমের গান ও যাত্রাপালা লিখে ও গেয়ে জনসাধারণকে জাগিয়ে তোলেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে চারণকবির মর্যাদা দেন।
- সাধনসঙ্গীত, পল্লীসেবা, ব্রহ্মচারিণী, পথ, সাথী, সমাজ, কর্মক্ষেত্র প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
- মুকুন্দদাস সারাজীবনে সাতশত মেডেল এবং বহু পুরস্কার পেয়েছেন, কিন্তু ‘চারণকবি’ উপাধির মাধ্যমেই তিনি আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নষ্টনীড়' গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-
বিনোদিনী
হৈমন্তী
আশালতা
চারুলতা
চারুলতা
ব্যাখ্যা:
• 'নষ্টনীড়' ছোটগল্প:
- 'নষ্টনীড়' ছোটগল্পে একজন নিসঙ্গ নারীর কথা তুলে ধরা হয়েছে।
- গল্পটি ১৯০১ সালে রচিত ও প্রকাশিত।
- এই ছোটগল্পের উপর ভিত্তি করে প্রখ্যাত পরিচালক সত্যজিৎ রায় ১৯৬৪ সালের চারুলতা নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মান করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নষ্টনীড়' ছোট গল্পের প্রধান চরিত্র 'চারুলতা'।
• এই গল্পের অন্য দুটি চরিত্র:
- অমল ও
- ভূপতি।
অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' উপন্যাসের চরিত্র- আশালতা ও বিনোদিনী।
• 'হৈমন্তী' ছোটগল্পের একটা বিখ্যাত চরিত্র - 'হৈমন্তী'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'নষ্টনীড়' ছোটগল্প।
১৫) উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
শশব্যস্ত
কালচক্র
পরাণপাখি
বহুব্রীহি
শশব্যস্ত
ব্যাখ্যা:
• উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে;
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত;
- কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল।
অন্যদিকে,
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- কাল রূপ চক্র = কালচক্র;
- প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি;
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যথা:
- বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি।
- এখানে 'বহু' কিংবা 'ব্রীহি' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১৬) অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি?
জন্ম > জম্ম
আজি > আইজ
ডেস্ক > ডেক্স
অলাবু > লাবু > লাউ
আজি > আইজ
ব্যাখ্যা:
• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে-ই কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলা হয়।
যেমন:
- সাধু > সাঊধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- আজি > আইজ।
-----------------
অন্যদিকে,
• সমীভবন:
- শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
- জন্ম > জম্ম,
- কাদনা > কান্না ইত্যাদি।
• ধ্বনি বিপর্যয়:
শব্দের মধ্যে দুটো ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন:
- পিশাচ > পিচাশ,
- বাক্স > বাসক,
- লাফ > ফাল,
- রিক্সা > রিসকা,
- পিঁপড়া > পিঁড়পা,
- মগজ > মজগ,
- লোকসান > লোসকান,
- ডেস্ক > ডেক্স।
• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলােপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনাে স্বরধ্বনির লােপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ। যেমন- বসতি বতি, জানালা > জালা ইত্যাদি।
ক. আদিস্বরলােপ (Aphesis): যেমন- অলাবু > লাবু > লাউ, উদ্ধার » উধার » ধার।
খ. মধ্যবর লােপ (Syncope): অগুরু > অণু, সুবর্ণ » স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বর লােপ (Apocope): আশা > আশ, আজি > আজ, চারি > চার (বাংলা) , সন্ধ্যা > সঞঝা >সঁঝ। (সরলােপ বস্তুত স্বরাগমের বিপরীত প্রক্রিয়া।)
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৭) “কুসীদজীবী” বলতে কাদের বুঝায়?
চারণকবি
সাপুড়ে
সুদখোর
কৃষিজীবী
সুদখোর
ব্যাখ্যা:
• কুসীদজীবী:
- শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সুদে টাকা ধার দেওয়া যার পেশা (সুদখোর)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮) ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কোন উপসর্গটি?
অকাজ
আবছায়া
আলুনি
নিখুঁত
আলুনি
ব্যাখ্যা:
• বিভিন্ন অর্থে খাঁটি বাংলা ‘আ’ উপসর্গের ব্যবহার:
- অভাব অর্থে ‘আ’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - আধোয়া, আলুনি, আকাঁড়া।
- নিকৃষ্ট অর্থে ‘আ’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - আগাছা, আকাঠা।
অন্যদিকে,
• 'আবছায়া' শব্দটিতে 'আব' খাঁটি বাংলা উপসর্গটি 'অস্পষ্টতা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• ‘অ’ খাঁটি বাংলা উপসর্গের ব্যবহার: নিন্দিত অর্থে- অকাজ, অকেজো, অবেলা, অপায়া।
• 'নিখুঁত' শব্দের 'নি' খাঁটি বাংলা উপসর্গ। 'নিখুঁত' শব্দের 'নি' নাই / নেতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
----------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯) বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন কে?
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
রাজশেখর বসু
হরিচরণ দে
অশোক মুখোপাধ্যায়
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
ব্যাখ্যা:
• রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ:
- প্রথম বাংলা অভিধানকার রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ খ্যাতনামা স্মার্ত্ত ও ব্রাহ্মসমাজের প্রথম আচার্য হিসেবে সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। - ১৭৮৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন ও ১৮৪৫ সালের ২ মার্চ তাঁর জীবনাবসান ঘটে।
- বাংলা অভিধানের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮১৭ সালে রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের হাত ধরে।
- তিনি 'বঙ্গভাষাভিধান' নামে বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন। 'বঙ্গভাষাভিধান': বাঙালি রচিত বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান।
- প্রায় দুশো বছর আগে প্রকাশিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের সেই অভিধানকে ঘিরে বাঙালির গর্বের শেষ নেই। সেই সময়কার দাপুটে প্রকাশক স্কুল বুক সোসাইটি এই বইয়ের মুদ্রণ ও প্রকাশনার যাবতীয় দায়ভার গ্রহণ করে একটি ঐতিহাসিক কর্তব্য সম্পন্ন করেছিল।
উৎস: সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড এবং ‘বঙ্গভাষাভিধান’ রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ।
২০) সবচেয়ে কম বয়সে কোন লেখক বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান?
শওকত আলী
সেলিনা হােসেন
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সৈয়দ শামসুল হক
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা:
প্রশ্নে উল্লেখিত লেখক-সাহিত্যিকদের মধ্যে -
• শওকত আলী:
- জন্ম - ১৯৩৬ সালে।
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ - ১৯৬৮ সালে (৩২ বছর বয়সে)।
• সেলিনা হােসেন:
- জন্ম - ১৯৪৭ সালে।
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ - ১৯৮০ সালে (৩৩ বছর বয়সে)।
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- জন্ম - ১৯৪৩ সালে।
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ - ১৯৮২ সালে (৩৯ বছর বয়সে)।
• সৈয়দ শামসুল হক:
- জন্ম - ১৯৩৫ সালে।
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ - ১৯৬৬ সালে (৩১ বছর বয়সে)।
সুতরাং, সৈয়দ শামসুল হক সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২১) 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
সৈয়দ আলী আহসান
সুকান্ত ভট্টাচার্য
হুমায়ুন আজাদ
নির্মলেন্দু গুণ
হুমায়ুন আজাদ
ব্যাখ্যা:
• ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশত হয়।
------------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখাল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মূলত লেখক ও অধ্যাপক।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার'।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৬) লাভ করেন।
- তিনি ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল,
- আমি বেঁচেছিলাম অন্যদের সময়ে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২) ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ৰমৃত্যুর প্রতিবাদে কোন উপাচার্য পদত্যাগ করেছিলেন?
স্যার এ. এফ. রহমান
রমেশচন্দ্র মজুমদার
সৈয়দ সাজ্জাদ হােসায়েন
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
• বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন।
• ১৯৭১ সালে জেনেভায় অবস্থানকালে পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে তিনি উপাচার্য পদে ইস্তফা দেন।
• মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে জেনেভা থেকে তিনি লন্ডন যান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হন।
• স্বাধীনতার পর বিচারপতি চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহন করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?
ছেঁড়াতার
চাকা
বাকী ইতিহাস
কী চাহ হে শঙ্খচিল
কী চাহ হে শঙ্খচিল
ব্যাখ্যা:
• 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটক:
- ‘কি চাহ শঙ্খচিল’ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক। নাটকে আলোচিত হয়েছে বীরঙ্গনার গল্প।
- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজ উদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা।
- যেখানে শঙ্খচিল আসলে হয়ে উঠলো সেই একাত্তরের শকুন।যে ছিল স্বাধীনতাকালীন সময়ের অশুভ শক্তি।
- যেখানে আমরা দেখি নাটকের প্রধান চরিত্র রৌশনারা হানাদারদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আগেই সন্তানসম্ভবা হয়। আর লোভী স্বামী বীরাঙ্গনা স্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে হয় অর্থের মালিক।
- নাটকটির মাধ্যমে বোঝা যায় কতখানি আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা, এসেছে বাংলার এই মুক্তি।
-----------------------------
• মমতাজ উদদীন আহমদ:
- মমতাজউদদীন আহমদ মূলত একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:
- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা,
- কি চাহ শঙ্খচিল,
- হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার,
- প্রেম
- বিবাহ সুটকেস,
- রাজা অনুস্বারের পালা,
- সাত ঘাটের কানাকড়ি,
- রাক্ষুসী,
- এই সেই কণ্ঠস্বর,
- পুত্র আমার পুত্র,
- হাস্য লাস্য ভাষ্য,
- ভালোবাসার দশ নাটক ইত্যাদি।
মমতাজ উদ্দীন আহমেদ (১৯৩৫-২০১৯) রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি নাটক:
- বর্ণচোর,
- বকুলপুরের স্বাধীনতা,
- কি চাহ শঙ্খচিল,
- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘কি চাহ শঙ্খচিল’ মমতাজউদ্দীন আহমেদ এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪) তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
অক্টোপাস
কালো বরফ
ক্রীতদাসের হাসি
নাঢ়াই
নাঢ়াই
ব্যাখ্যা:
• ‘নাঢ়াই’ শওকত আলী রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসে তেভাগা আন্দোলনের পেক্ষাপট আলোচিত হয়েছে।
অন্যদিকে,
• 'ক্রীতদাসের হাসি':
'ক্রীতদাসের হাসি' গ্রন্থের রচয়িতা শওকত ওসমান।
- কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক শওকত ওসমান এর প্রকৃত নাম প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসটিতে প্রতীকাশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।
• মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস হচ্ছে - 'কালো বরফ'। কালো বরফ উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনি ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে।
• 'অক্টোপাস' উপন্যাসের রচয়িতা- 'শামসুর রহমান'।
---------------------
• শওকত আলী:
- শওকত আলীর (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - ২৫ জানুয়ারি)। জন্মস্থান দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ।
- একটি ছোট উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ” (১৯৬৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই। এর পর প্রকাশিত হয়েছে। দুটি ছােটগল্প সংকলন ও একটি উপন্যাস।
- শিশুকিশোরদের জন্যেও তিনি লিখে থাকেন। বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য শওকত আলী বাঙলা একাডেমি পুরস্কার পান ১৯৬৮ সালে।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।
শওকত আলী রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- কুলায় কালস্রোত,
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- ওয়ারিশ,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উওরের খেপ,
- বসত,
- হিসাবনিকাশ,
- দলিল,
- উত্তরের ছাপ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২৫) কাজী নজরুল ইসলামের মােট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
বিষের বাঁশি
যুগবাণী
ভাঙার গান
প্রলয় শিখা
যুগবাণী
ব্যাখ্যা:
‘যুগবাণী' প্রবন্ধগ্রন্থ:
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধের গ্রন্থ ‘যুগবাণী' ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবরে প্রকাশিত হয়।
• এটি নজরুলের প্রথম প্রবন্ধের বই।
• প্রকাশের প্রায় সঙ্গে সঙ্গে (২৩শে নবেম্বর, ১৯২২) সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে নিষেধাজ্ঞা ওঠে যায়।
• এই প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত প্রবন্ধগুলো হলো: নবযুগ, ধর্মঘট, সত্য-শিক্ষা, ভাব ও কাজ, জাতীয় শিক্ষা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জাগরণী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম যে বইটি নিষিদ্ধ হয় তার নাম ‘যুগবাণী’।
- ১৯২২ সালে ফৌজদারি বিধির ৯৯এ ধারানুসারে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
- প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক বইটি নিষিদ্ধ হয়।
- ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
- প্রবন্ধ গুলোতে স্বদেশি চিন্তা চিন্তাচেতনা ও ব্রিটিশ বিরোধিতা প্রকাশিত।
----------------------------
• কাজী নজরুল ইসলামের নিষিদ্ধ গ্রন্থ ৫টি:
- যুগবাণী: প্রবন্ধ গ্রন্থ, নিষিদ্ধ হয় ২৩ নভেম্বর, ১৯২২, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ১৯৪৭।
- বিষের বাঁশী: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ ২২ অক্টোবর, ১৯২৪, নিষেধাজ্ঞাপা প্রত্যাহার ২৭ এপ্রিল, ১৯৪৫।
- ভাঙার গান: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ ১১ অক্টোবর, ১৯২৪।
- প্রলয় শিখা: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ, ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩০।
- চন্দ্রবিন্দু: গানের সংকলন, নিষিদ্ধ ১৪ অক্টোবর, ১৯৩১।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির নাম কী?
চৈতালী ঘূর্ণি
রক্তের অক্ষর
বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
১৯৭১
১৯৭১
ব্যাখ্যা:
• ‘১৯৭১’ উপন্যাস:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জীবনের শেষবেলায় কলম ধরেন বাংলা ভাষার অন্যতম কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
- আবেগ ও বাস্তবতার শব্দ মিশেলে তিনি উপস্থাপন করেন ‘১৯৭১’ উপন্যাসটি।
- তারাশঙ্কর তাঁর ‘১৯৭১’ উপন্যাসে তুলে ধরেছেন একাত্তরের গ্রামীণ জীবনের চিত্র। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নাজমা নামের একটি কালো মেয়ে এই উপন্যাসে হয়ে উঠেছে একাত্তরে হাজার নারীর প্রতীক। সেই সঙ্গে সহচরিত্র— রহিম, মি. সেন ও ছায়ার মাধ্যমে সময়ের মুখ খুলে দিয়েছে এ কথাশিল্পী। যার পরতে পরতে রয়েছে হৃদয়ছোঁয়া মা-মাটি-মানুষের ভালোবাসা।
- '১৯৭১' উপন্যাসের দুটি অংশ- ‘সুতপার তপস্যা’ ও ‘একটি কালো মেয়ের কথা’।
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পূর্বে যখন ‘সুতপার তপস্যা’ এবং ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ বই দুটি প্রকাশের আলোচনা হচ্ছিল তখন তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থার মধ্যেই বলেন, ‘দুটো বই এক হয়ে বেরোবে, তার নাম হবে- ১৯৭১’।
অন্যদিকে,
• 'চৈতালী ঘূর্ণি' (১৯৩২) উপন্যাসটির রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
• ‘রক্তের অক্ষর’ রিজিয়া রহমান রচিত উপন্যাস।
• রাবেয়া খাতুনের উপস্থাপনায় এক বিশ্বস্ত দলিল উপন্যাস ‘বায়ান্ন গলির এক গলি’।
- ‘বায়ান্ন গলির এক গলি’ নামের ন্যায় এমন প্রেক্ষাপটেই এ উপন্যাসের পটভূমি বিস্তারিত হয়েছে। ’৪৭-পূর্ব ঢাকার সমাজ জীবন, রাজনীতি, দাঙ্গা এসেছে এ উপন্যাসে।
উৎস: ‘১৯৭১’ উপন্যাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭) ‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
সোপান
সমর্থ
সোল্লাস
সওয়ার
সমর্থ
ব্যাখ্যা:
• সোমত্ত, সমত্ত (বিশেষণ):
- এটি একটি তৎসম শব্দ।
অর্থ:
- বিয়ের উপযুক্ত (ঘরে আমার সোমত্ত মেয়ে);
- যৌবনপ্রাপ্ত;
- সমর্থ;
- বয়ঃপ্রাপ্ত; (সোমত্ত মেয়ে মাথার উপরে-কাজী আবদুল ওদুদ)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
২৮) নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে কী বলে?
যৌগিক ধ্বনি
অক্ষর
বর্ণ
মৌলিক স্বরধ্বনি
অক্ষর
ব্যাখ্যা:
• অক্ষর (Syllable):
- বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)।
- অক্ষর দু প্রকার। যথা: মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর।
---------------
• মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে।
অযুগ্ন বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন: ‘ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?’
এখানে (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর।
- মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
- মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে।
যেমন: অপরিচিত।
• বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে।
যেমন: 'সোম বার দিনরাত হরতাল।
এখানে (সোম্) (বার্) (দিন্) (রাত) (হর্) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর।
বদ্ধাক্ষর ( - ) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
উৎস: বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯) ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর গ্রন্থ লিখেছেন কে?
ডব্লিউ বি ইয়েটস
ক্লিনটন বি সিলি
অরুন্ধতী রায়
অমিতাভ ঘোষ
ক্লিনটন বি সিলি
ব্যাখ্যা:
• ক্লিনটন বি সিলি:
- ক্লিনটন বি সিলি যুক্তরাষ্ট্রের একজন স্বনামধন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাহিত্যের অধ্যাপক, বাংলা ভাষা ও ও সাহিত্যের অনুবাদক।
- তার জন্ম ১৯৪১ সালের ২১ জুন। বর্তমানে তিনি শিকাগো ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক।
- তিনি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে গবেষণা করেছেন।
- জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যিক জীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন ক্লিনটন বি সিলি।
- গ্রন্থটির নাম - A Poet Apart যা ১৯৯০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বইটি বাংলায় অনুবাদ করেন ফারুক মঈনউদ্দীন। বাংলা অনুবাদ গ্রন্থটি 'অনন্য জীবনানন্দ’ নামে ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট (প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৪)।
৩০) ‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’ - এই পরোক্ষ উক্তির প্রত্যক্ষরূপ হবে-
বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও
বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘায়ু হোক
বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি
বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
ব্যাখ্যা:
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার বক্তব্যটুকু উদ্ধরণ চিহ্নের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত থাকে।
• পরোক্ষ উক্তিতে উদ্ধরণ চিহ্ন লোপ পেয়ে সেখানে 'যে' সংযোজক অব্যয়টি ব্যবহার করতে হয়।
এখানে,
- পরোক্ষ উক্তি: ‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’।
- প্রত্যক্ষ উক্ততি: বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩১) ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কোন স্থান থেকে প্রকাশিত?
ঢাকার পল্টন
নওগাঁর পরিসর
কুষ্টিয়ার কুমারখালী
ময়মনসিংহের ত্রিশাল
কুষ্টিয়ার কুমারখালী
ব্যাখ্যা:
• গ্রামবার্তা প্রকাশিকা:
- বাংলার মফস্বল থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র মাসিক ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’।
- ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন নদীয়া বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থেকে কুমারখালী বাংলা পাঠশালা'র প্রধান শিক্ষক হরিনাথ মজুমদারের (কাঙাল হরিনাথ) সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২) জীবনী সাহিত্যের ধারা গড়ে ওঠে কাকে কেন্দ্র করে?
শ্রীচৈতন্যদেব
কাহ্নপা
বিদ্যাপতি
রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা:
• শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলায় জীবনীসাহিত্য রচনা আরম্ভ হয়৷
• চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী।
- 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম, শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম।
- এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিলো।
চৈতন্যদেবের বাংলা জীবনী:
• বাংলায় চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ হলো বৃদ্ধাবন দাস রচিত ‘চৈতন্য-ভাগবত’।
• বাংলায় চৈত্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ- লোচন দাস রচিত ‘চৈতন্য-চরিতামৃত’।
• বাংলা ভাষায় অদ্বিতীয় ও সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী- কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত ‘চৈতন্য-চরিতামৃত’।
উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৩) চর্যাপদের টীকাকারের নাম কি?
মীননাথ
প্রবোধচন্দ্র বাগচী
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
মুনিদত্ত
মুনিদত্ত
ব্যাখ্যা:
• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের টীকাকার - মুনিদত্ত।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন - কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৪) কোন বানানটি শুদ্ধ?
পুরষ্কার
আবিস্কার
সময়পোযোগী
স্বত্ব
স্বত্ব
ব্যাখ্যা:
• স্বত্ব (বিশেষ্য পদ):
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ধনাদিতে অধিকার;
- মালিকানা।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ:
- পুরষ্কার - পুরস্কার।
- আবিস্কার- আবিষ্কার।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩৫) ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?
ভূমিপুত্র
মাটির জাহাজ
কাঁটাতারে প্রজাপতি
চিলেকোঠার সেপাই
চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা:
• 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস:
- ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা। এটি তার একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র- ওসমান।
- কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
- এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি ওঠে এসেছে।
------------------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- ১৯৪৩ সালে গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চিলেকোঠার সেপাই, খােয়াবনামা নামে দুটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস রচনা করেছেন।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।
• তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধেভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৬) “To win a prize is my ambition”. The underlined part of the sentence is a/an-
adjective phrase
noun phrase
adverb phrase
conjunctional phrase
noun phrase
ব্যাখ্যা:
• “To win a prize is my ambition”. The underlined part of the sentence is a - Noun phrase.
• A noun phrase consists of a pronoun or noun and any associated modifiers, including adjectives, adjective phrases, adjective clauses and other nouns in the possessive case.
• Sentence এর subject, verb এর object বা complement হিসেবে কোনো phrase বসলে তা noun phrase হবে।
- তাই gerund বা infinitive phrase যদি Sentence এর subject/object হয় তবে তা Noun phrase হবে।
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে To win a prize অংশটুকু Sentence এর subject এবং 'to + Verb (base form) + Extension দিয়ে গঠিত Phrase.
- তাই, এটি Noun phrase হিসেবে বিবেচিত হবে।
আবার, -
• “To win a prize is my ambition”. The underlined part of the sentence is a The underlined phrase is also an Infinitive phrase.
• Infinitive Phrase মূলত 'to + Verb (base form) + Extension দিয়ে গঠিত Phrase এবং তা সাধারণত Noun/Adverb Phrase এর কাজ করে।
৩৭) Choose the word opposite in meaning to “terse”-
concise
detailed
expressive
descriptive
detailed
ব্যাখ্যা:
• Terse (adjective)
- (বাগভঙ্গি ও বক্তৃতাসম্পর্কিত) বাহুল্যবর্জিত, সংক্ষিপ্ত এবং লাগসই।
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) concise (adjective)
- সংক্ষিপ্ত; অল্পকথায় অধিক তথ্য প্রদানে সক্ষম।
খ) detailed noun) [countable noun]
- ক্ষুদ্র; বিশেষ তথ্য বা উপাত্ত; অনুপুঙ্খ; খুঁটিনাটি; আনুপুঙ্খিক তথ্য।
গ) expressive (adjective)
- প্রকাশক; অভিব্যক্তিপূর্ণ; ভাবপূর্ণ।
ঘ) descriptive (adjective)
- বর্ণনাত্মক; বর্ণনামূলক।
• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, Terse এর বিপরীত অর্থ প্রকাশক শব্দটি হচ্ছে detailed.
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৮) “Who's that?” In this sentence “that” is a/an-
pronoun
conjunction
adjective
adverb
pronoun
ব্যাখ্যা:
• That শব্দটি determiner, pronoun, conjunction এবং adverb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দটি demonstrative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- কারণ demonstrative pronoun কোন বাক্যের Subject, direct object, indirect object এবং object of the preposition হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- এখানে that শব্দটি object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
• Demonstrative Pronoun:
- ব্যক্তি বা বস্তুকে এটি, ওটি, এগুলি, ওইগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয়, তাই এই শব্দগুলোকে demonstrative pronoun বলে।
- Pronouns that point to specific things (বস্তুর ক্ষেত্রে) : ‘‘This is an apple’’, “That is my computer’’
- We can use this/that to introduce people. (ব্যক্তির ক্ষেত্রে) For example, “Who is that?’’ “That is Mita.’’
- তাই, সঠিক উত্তর pronoun.
• অন্যদিকে,
• That শব্দটি adjective হত যদি এটি কোন noun-কে modify করত।
- যেমন: That house is mine.
• That শব্দটি adverb হতে পারে। যেমন: Do not go that far.
- এখানে far একটি adverb এবং that শব্দটি এই adverb -কে মডিফাই করছে।
- তাই, এখানে that adverb
• That শব্দটি conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The weather was so bad that I kept indoors.
- এখানে, that relative clause কারণ এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে।
Source:
1. Oxford Learner's Dictionaries.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain
৩৯) What is the noun form of the word “know”?
knowing
knowledge
knowledgeable
Known
knowledge
ব্যাখ্যা:
• Know -(verb transitive), (verb intransitive) (past tense knew, past participle known)
- জানা; অবগত হওয়া; কোনো কিছু সম্পর্কে সচেতন/জ্ঞাত থাকা।
• knowing (adjective)
- চতুর; জানে-শোনে এমন।
• knowledgeable (adjective)
- জানাশোনা; অভিজ্ঞ; জ্ঞানসম্পন্ন।
• Known
- past participle know.
• knowledge(noun)
- জ্ঞান; অবগতি: অভিজ্ঞতা: জ্ঞানের পরিধি।
• Knowing এবং known- এই শব্দ দুটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- এগুলোকে -ing যোগ করে এবং past participle form-এ এনে noun বানানো হচ্ছে।
- কিন্তু knowledge হল know-এর সবচেয়ে প্রচলিত noun রূপ।
- Oxford, Cambridge বা Merriam-Webster - dictionary এর Entry গুলোতে knowledge শব্দটি সরাসরি Noun হিসেবে অন্তর্ভূক্ত।
- তাই, সঠিক উত্তর - Knowledge.
Source:
1. Accessible Dictionary by Banggla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
4. Cambridge Dictionary.
৪০) “Why, then, 'tis none to you, for there is nothing either good or bad, but thinking makes it so”.
This extract is taken from the drama-
King Lear
Macbeth
As You Like It
Hamlet
Hamlet
ব্যাখ্যা:
• “Why, then, 'tis none to you, for there is nothing either good or bad, but thinking makes it so”.
- উল্লেখিত লাইনটি শেক্সপিয়ারের Hamlet নাটক থেকে নেওয়া।
- লাইনটি Act 2, Scene 2-এর অন্তর্ভুক্ত। Hamlet এই কথাটি Rosencrantz-কে উদ্দেশ্য করে বলে।
• Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of - Denmark.
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসেন তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.
• Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.
Source: Britannica.
৪১) “Made weak by time and fate, but strong in will To strive to seek, to find, and not to yield” is taken from the poem written by-
Robert Browning
Matthew Arnold
Alfred Tennyson
Lord Byron
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা:
• “Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield” _____
is taken from the poem written by - Alfred Tennyson.
- লাইনটি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম কবি Alfred Tennyson এর Ulysses কবিতা হতে চয়ন কৃত।
• Ulysses:
• Ulysses, blank-verse poem by Alfred, Lord Tennyson, written in 1833 and published in the two-volume collection Poems (1842).
- “Ulysses” হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রানিত।
- এটি মূলত একটি Dramatic Monologue.
• এই কবিতার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
"I will never rest from travels
I will drink life to the lees."
• উল্লেখ্য যে, Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.
• Lord Alfred Tennyson (1809-1892):
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।
• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- Crossing the Bar,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Tithonus,
- Ulysses,
- Break, Break, Break,
- Mariana,
- The Kraken,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- Oenone,
- Poems, Chiefly Lyrical,
- Locksley Hall,
- Idylls of the King,
- The Two Voices,
- Enoch Arden,
- Sir Galahad,
- The Higher Pantheism,
- A Dream of Fair Women,
- Mariana in the South,
- St. Simeon Stylites,
- Godiva,
- The Princess,
- Lady Clara Vere de Vere, etc.
Famous Comdies:
- Queen Marry,
- The Falcon, etc.
Source: Britannica and bbc. com
৪২) “Give somebody a piece of your mind” means to-
tell someone that you are very angry with them.
say exactly what you feel or think.
return or to help somebody return to a normal situation.
give somebody mental peace
tell someone that you are very angry with them.
ব্যাখ্যা:
• “Give somebody a piece of your mind” means to - tell someone that you are very angry with them.
• Give somebody a piece of your mind (phrase)
English Meaning: to speak angrily to someone about something they have done wrong
Bangla Meaning: কারোর সাথে কোন বিষয়ে রেগে কথা বলা।
Example sentence:
- I’d like to give her a piece of my mind.
Source: Cambridge Dictionary
৪৩) “I shall help you provided you obey me”. Here the underlined word is a/an-
adverb
adjective
conjunction
verb
conjunction
ব্যাখ্যা:
• 'I shall help you provided you obey me'.
• এখানে provided হলো Conjunction.
- এর অর্থ if, or only if:
- শর্ত বুঝাতে Provided/Provided that (যদি) ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও Provided এখানে 'I shall help you' এবং 'you obey me' এই দুইটি clause কে সংযুক্ত করতে সাহায্য করেছে।
• Sentence: 'I shall help you provided you obey me'
- Bangla Meaning: 'আমি তোমাকে সাহায্য করব যদি তুমি আমার কথা মেনে চলো।'
• More examples:
- Anyone can come on the trip provided that provided.
- Provided that the boat leaves on time, we should reach France by morning.
- The flight will take off provided that the weather is good.
৪৪) Identify the correct spelling
questionaire
questionoir
questionnaire
questionair
questionnaire
ব্যাখ্যা:
• Questionnaire (noun):
English Meaning: A set of questions for obtaining statistically useful or personal information from individuals.
Bengali Meaning: প্রশ্নাবলি; মতামত জরিপ কাজে ব্যবহৃত প্রশ্নমালা।
• Example of sentences:
- This is a large professional group in primary care and was not adequately represented in the questionnaire survey.
- Those who completed and returned the informed consent document received the questionnaire.
Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy,
3. Cambridge Dictionary.
৪৫) Which “but” is a preposition?
It is but right to admit our faults.
What can we do but sit and wait?
We tried hard, but did not succeed.
There is no one but likes him.
What can we do but sit and wait?
ব্যাখ্যা:
• What can we do but sit and wait? এই বাক্যে but হচ্ছে preposition.
- কারণ এটি except অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আর except হিসেবে ব্যবহৃত হলে but একটি preposition হতে পারে।
But (Preposition):
Used as Except; apart from; other than.
- In Dhaka, we were never anything but poor.
- I trusted no one but him.
• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
- ১ম অপশনে - It is but right to admit our faults - বাক্যে, but, right-কে মডিফাই করছে।
- ৩য় অপশনে We tried hard, but did not succeed - বাক্যে, but একটি conjunction কারণ এটি দুটি Clause-কে যুক্ত করেছে।
- ৪র্থ অপশনে There is no one but likes him- বাক্যে, but pronoun-এর কাজ করছে কারণ এটি no one-কে মডিফাই করছে।
Source: Macmillan Dictionary, Cambridge Dictionary and Brainly.in
৪৬) Who is not a romantic poet?
P. B. Shelley
S. T. Coleridge
John Keats
T. S. Eliot
T. S. Eliot
ব্যাখ্যা:
• Of the following - T. S. Eliot is not a Romantic poet.
- তিনি English Modern Period এর একজন সাহিত্যিক।
• অন্যদিকে,
- P. B. Shelley, S. T. Coleridge এবং John Keats - এই তিনজনই Romantic Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক।
• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
- He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি একাধারে American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।
• Best works:
• Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem), etc.
• His well known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge etc.
Source: Britannica.
৪৭) In Shakespeare's play Hamlet, Hamlet was prince of
Norway
Britain
Denmark
France
Denmark
ব্যাখ্যা:
• Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of - Denmark.
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.
• Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.
Source: Britannica.
৪৮) Adela Quested and Mrs. Moore are characters from the novel-
David Copperfield
The Return of the Native
A Passage to India
Adam Bede
A Passage to India
ব্যাখ্যা:
• Adela Quested এবং Mrs. Moore হলেন E. M. Forster রচিত 'A Passage to India' - উপন্যাসের দুটি নারী চরিত্র।
• 'A Passage to India'
- ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল যেটিকে লেখকের অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book also portrays the relationship between the British and the Indians in India.
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Dr. Aziz এবং Adela Quested.
• এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz: He is the central character of the novel.
- Adela Quested: A young and idealistic Englishwoman who travels to India with Mrs. Moore.
- Mrs. Moore: Adela's elderly traveling companion and the mother of Ronny Heaslop.
- Ronny Heaslop: Mrs. Moore's son and a British magistrate in Chandrapore.
- Cyril Fielding: The principal of the government college near Chandrapore and Dr. Aziz's friend.
- Stella Moore: Stella was Mrs. Moore's daughter, who lived in England.
• E.M. Forster's other works -
- Aspects of novel,
- The Longest Journey,
- A Room with a View,
- Howards End, etc.
Source: Britannica.
৪৯) “Shylock” is a character in the play-
Twelfth Night
The Merchant of Venice
Romeo and Juliet
Measure for Measure
The Merchant of Venice
ব্যাখ্যা:
• “Shylock” is a character in the play - The Merchant of Venice.
• 'The Merchant of Venice' is a tragi-comedy by William Shakespeare.
- It is a play about a Jew অর্থাৎ এক ইহুদি সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত।
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender.
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট tragy-comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এটি লেখা হয়েছিল।
• এই Tragicomedy এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.
• Some important quotes of The Merchant of Venice:
- All that glisters is not gold
- The devil can cite Scripture for his purpose.
- It is a wise father that knows his own child.
- Love is blind, and lovers cannot see the pretty follies that themselves commit.
Source: Britannica.
৫০) ‘Vanity Fair’ is a novel written by-
D. H. Lawrence
William Makepeace Thackeray
Joseph Conrad
Virgina Woolf
William Makepeace Thackeray
ব্যাখ্যা:
• Vanity Fair is an English novel by William Makepeace Thackeray.
- It was first published as a 19-volume monthly serial from 1847 to 1848.
- The novel takes its title from the place designated as the center of human corruption in John Bunyan’s 17th-century allegory Pilgrim’s Progress.
- The book is a densely populated multilayered panorama of manners and human frailties; subtitled A Novel Without a Hero, Vanity Fair metaphorically represents the human condition.
- Vanity Fair হচ্ছে William Makepeace Thackeray এর নিজ নামে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস।
• এই উপন্যাসকে বলা হয় A Novel Without a Hero.
- দুঃসাহসিক Becky Sharp, হচ্ছে উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং যে জাগতিক সাফল্য অর্জনকেই তার জীবনের প্রধান লক্ষ্য উদ্দেশ্য মনে করে।
- তাকে ঘিরেই উপন্যাসের পুরো কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।
- She has been considered one of the most vivid characters in English literature.
- This novel follows the lives of Becky Sharp and Amelia Sedley amid their friends and families during and after the Napoleonic Wars.
• William Makepeace Thackery was an Indian-born British novelist.
- He belongs to the victorian period of English Literature.
• Best Works:
- Vanity Fair,
- The Virginians: A Tale of the Last Century,
- Catherine: A Story,
- The Newcomes.
Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Live MCQ Lecture and Britannica.
৫১) 'Pip' is the protagonist in Charles Dickens' novel-
A Christmas Carol
A Tale of Two Cities
Oliver Twist
Great Expectations
Great Expectations
ব্যাখ্যা:
• 'Pip' is the protagonist in Charles Dickens' novel - Great Expectations.
• Great Expectations:
- 'Great Expectation' is a novel written by Charles Dickens.
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস টি Dickens এর অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে।
- ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে - এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে, যারা নানা কারণে অসুখী।
সমাজে বিদ্যমান শ্রেণী বৈষম্যর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
- Pip এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
- তার ছোট থেকে বড় হওয়ার কাহিনী , এতিম অবস্থায় বেড়ে ওঠা এবং তার জীবনের নানা উত্থান পতন এই উপনস্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
• প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Pip,
- Joe Gargery,
- Abel Magwitch,
- Estella,
- Miss Havisham ইত্যাদি।
• Famous quotations of great expectation:
- The success is not mine, the failure is not mine, but the two together make me.
• Charles Dickens (1812-1870) a British novelist, journalist, editor, illustrator and social commentator.
- তিনি Victorian period এর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন।
- তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.
• তার রচিত বিখ্যাত কিছু উপন্যাস হলো -
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend.
Source: Britannica and Enotes.com.
৫২) "Lady Chatterley's Lover" was written by the author of -
Lord Jim
The Rainbow
Ulysses
A Passage to India
The Rainbow
ব্যাখ্যা:
• প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে - নিচে উল্লিখিত কোন সাহিত্যকর্মের লেখক Lady Chatterley's Lover এরও লেখক। অর্থাৎ, নিচের অপশনগুলোর মধ্যে এমন কোন একটা সাহিত্যকর্ম আছে যেটির লেখক এবং Lady Chatterley’s Lover-এর লেখক একই ব্যক্তি।
- Lady Chatterley's Lover -এর লেখক হলেন D. H. Lawrence
• অন্যদিকে,
- Lord Jim-এর লেখক Joseph Conrad
- The Rainbow-এর লেখক D. H. Lawrence
- Ulysses-এর লেখক James Joyce
- A Passage to India-এর লেখক E. M. Forster
• সুতরাং, দেখা যাচ্ছে - Lady Chatterley's Lover এবং The Rainbow হল দুটো উপন্যাসের নাম এবং দুটোরই লেখক D. H. Lawrence।
- তাই, সঠিক উত্তর - The Rainbow।
--------------------------
• Lady Chatterley's Lover:
- Modern Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক D. H Lawrence রচিত ই উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রথম England এ প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু ১৯৫৯ সালে নিউইয়র্কে এবং ১৯৬০ সালে লন্ডনে এর সম্পূর্ণ বই টি প্রকাশ পায়।
- এই উপন্যাসটি লেখকের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে পুরুষ এবং মহিলাদের অবশ্যই শিল্পোন্নত সমাজের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে এবং আবেগপ্রবণ প্রেমের জন্য তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুসরণ করতে হবে।
• Summary:
- Sir Clifford Chatterley একজন সম্পদশালী জমিদার; জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যার কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে।
- তিনি বিছানায় পড়ে থাকেন সারাদিন আর বইয়ের পাতায় ডুবিয়ে রাখেন নিজেকে।
- তার স্ত্রীর নাম Constanc (The Lady from the title) -যিনি স্বামীর অক্ষমতার কারণে শারীরিক এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগে সারাদিন।
- একজন বই প্রকাশকের সাথে অসম্পুর্ণ এবং অবৈধ প্রণয়ের পর, তিনি একজন নিম্নবিত্ত এবং তার স্বামীর অধীনে চাকরি করা Oliver Mellors এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।।
- Oliver Mellors একজন নিম্নবিত্ত শ্রেণীর লোক, কিন্তু সুপুরুষ; Chatterley এর আহবান সে উপেক্ষা করতে পারে না - অবৈধ প্রণয়ে মত্ত হয় দুজন।
• Characters of the novel -
- Lady Chatterley (Constanc),
- Oliver Mellors, (the lover of the lady)
- Sir Clifford Chatterley,
- Mrs. Bolton,
- Michaelis, etc.
---------------------------
• The Rainbow
- D. H. Lawrence এর লেখা এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে।
- প্রকাশিত হবার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই উপন্যাসে যৌন উপাদানের বিস্তৃতি থাকার কারণে উপন্যাসটিকে Obscene বা অশ্লীল এবং আপত্তিকর উপন্যাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে এটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।
- আধুনিক সভ্যতা এবং ঐতিহ্যের মধ্যকার পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, মানব মননের উপর যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তার উপর ভিত্তি করে উপন্যাসটি রচিত।
- এছাড়াও, বিবাহের মতো প্রথাকে লেখক তার লেখার মাধ্যমে, তিনি ব্যর্থ ও অপ্রয়োজনীয় প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে মনে করা হয়।
- Brangwen পরিবারের তিন প্রজন্মের কাহিনী এই উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু।
• Characters of the novel -
- Tom Brangwen,
- Lydia Lensky,
- Anna Lensky
- Tilly,
- William (Will) Brangwen,
- Ursula Brangwen, etc.
• D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence, English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.
• His most famous novels are -
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.
Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৫৩) Identify the word that can be used as both singular and plural:
wood
issue
fish
light
fish
ব্যাখ্যা:
• Wood শব্দটি Singular এবং plural উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হতে পারে।
- কিন্তু Singular হলে wood অর্থ কাঠ অথবা বন হতে পারে।
- plural হলে এটি শুধুই বন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• Issue-এর plural form issues
• Light এর plural হিসেবে lights ব্যবহৃত হয়।
• কিন্তু fish শব্দটির plural হিসেবে আমরা fish এবং fishes দুটোকেই ব্যবহার করতে পারি।
- এবং plural হিসেবে ব্যবহার করলেও এটির অর্থ মাছের বহুবচন হিসেবেই ব্যবহৃত হবে।
- অর্থাৎ, wood-এর মত এর অর্থ সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে না।
- তাই, সঠিক উত্তর fish.
Source: Cambridge Dictionary
৫৪) Find out the correct passive form of the sentence 'Who taught you French?'
By whom you were taught French?
By whom French was taught you?
French was taught you by whom?
By whom were you taught French?
By whom were you taught French?
ব্যাখ্যা:
• Active Voice-টি Past Indefinite Tense-এ আছে এবং এটি Interrogative Sentence.
• Who-যুক্ত Sentence-কে Interrogative করার নিয়ম:
- who-এর পরিবর্তে প্রথমে by whom বসে +
- Tense ও Person অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে। +
- Objectটি Subject হয়। +
- অনেক সময় Tense অনুযায়ী, কর্তার পরে be/ being/ been বসাতে হয়। +
- মূল Verb-এর Past Participle হয়। +
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
• তাই, সঠিক উত্তর হবে- By whom were you taught French?
৫৫) “The old man was tired of walking”. Here 'walking' is a/an-
present participle
adjective
common noun
gerund
gerund
ব্যাখ্যা:
• The old man was tired of walking”. Here 'walking' is a gerund.
• একটি বাক্যে Gerund বিভিন্ন অবস্থানে বসতে পারে।
- বাক্যে verb+ ing যুক্ত word যদি বাক্যের preposition এর পরে object হিসেবে বসে, তবে তা সাধারনত Gerund হবে।
- “The old man was tired of walking” বাক্যটিতে preposition এর object হিসেবে walking একটি Gerund হবে।
• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
• Functions of Gerund:
1. Subject of the verb:
- Swimming is a good exercise.
- Giving is better than receiving.
- Seeing is believing.
- Rising early is a good habit.
The bold subjects in the above sentences are gerund.
2. Object of a transitive verb:
- Stop writing.
- Working is praying.
- My hobby is reading.
- Don’t give up trying.
The bold objects (predicates) in the above sentences are gerunds.
3. Object of a preposition:
- I am fond of catching fish.
- I am tired of writing.
- They are punished for telling a lie.
In the above sentences, after the preposition ‘of’ and ‘for’, gerund is used.
4. By + Gerund:
By eating a balanced diet, you can live well.
By drinking milk, you can get vitamins.
5. Without + Gerund:
- Without working hard, you cannot succeed.
৫৬) Which one is the correct sentence?
The doctor found my pulse.
The doctor took my pulse.
The doctor examined my pulse.
The doctor saw my pulse.
The doctor took my pulse.
ব্যাখ্যা:
• কারো কব্জি ধরে হার্টবিট পরীক্ষা করা অর্থে Take someone’s pulse বা check someone’s pulse বলা হয়।
• Take sb’s pulse
English Meaning: to hold someone’s wrist and count how many times the heart beats in one minute.
Bangla Meaning: হাতের কবজির ধমনিতে হাত রেখে নাড়িস্পন্দনের হার গণনা করা।
Source: Cambridge Dictionary
৫৭) ‘I will not let you go’. In this sentence 'go' is a/an-
infinitive
gerund
participle
verbal noun
infinitive
ব্যাখ্যা:
• I will not let you go. Here 'go' is - Infinitive.
• Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
• Infintive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitve এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.
• সাধারণত এর অর্থ হয়ে থাকে “করতে/ খেতে/ যেতে/ বলতে” এ রকম। অর্থাৎ- বাংলা ক্রিয়ার শেষে 'তে' যোগ হয়।
• আবার to + verb, noun হিসেবে ব্যবহার হলে ক্রিয়ার শেষে আ-কার যোগ করা হয়। যেমন- to swim = সাতার কাটা ইত্যাদি।
• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই, go verb-টি to-বিহীন infinitive form.
- সুতরাং, সঠিক উত্তর infinitive.
৫৮) When Ushashi entered _____ the room everybody stopped talking.
into
in
to
no preposition required
no preposition required
ব্যাখ্যা:
• উক্ত শূন্যস্থানে কোনো preposition এর প্রয়োজন নেই।
- তাই, তাই, Complete Sentence - When Ushashi entered the room, everybody stopped talking.
• Enter, reach, lack, approach, discuss ইত্যাদি শব্দগুলোর পরে preposition বসে না।
- তাই এখানে কোন preposition বসবে না।
- তবে, কোনো কিছু শুরু করা বা কোনো কিছুতে জড়িত হওয়া বুঝাতে enter এর পর into ব্যবহার করতে হয়।
• Enter into something (phrasal verb)
- Meaning: to start to become involved in something, especially a discussion or agreement:
- Example: They refuse to enter into any discussion on this matter.
এছাড়াও,
Enter on/upon - অধিকার লাভ করা; উপভোগ করতে শুরু করা।
Enter in/up - নথিভুক্ত করা।
Enter for; enter somebody for - প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কারো নাম দেওয়া: enter for the swimming.
Source: Cambridge Dictionary.
৫৯) The play 'The Birthday Party' is written by-
Samel Beckett
Henry Livings
Harold Pinter
Arthur Miller
Harold Pinter
ব্যাখ্যা:
• The play 'The Birthday Party' is written by - Harold Pinter.
- এই play টি comedy of menace নামে পরিচিত।
- The Birthday Party হচ্ছে Harold Pinter এর প্রথম full-length play যা তাঁর trademark 'comedy of menace,' সাহিত্য জগতে প্রতিষ্ঠা করে।
• এই নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র Stanley যে একটি সস্তা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে।
- সে সারাখন দু:চিন্তা করে এবং ভাবে যে Goldberg and McCann নামের দুইজন মানুষ অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তাকে অনুসরণ করছে এবং তার ক্ষতি করতে চায়।
- তার বাড়ীওয়ালা মহিলা একটি জন্মদিনের পার্টি আয়োজন করে।
- পুরো সময় জুড়ে Stanley এর আতঙ্ক, এবং তার মানসিক অবস্থার বিবরণ দিয়ে নাটকের কাহিনী এগিয়ে চলে।
• Harold Pinter is an English playwright, who achieved international renown as one of the most complex and challenging post-World War II dramatists.
• Some of his notable works -
- Moonlight,
- The Birthday Party,
- The Caretaker,
- The Dumb Waiter,
- The Homecoming,
- The Room, etc.
• উল্লেখ্য যে,
T.S. Eliot --------- The Cocktail Party.
K. Mansfield ---- The Garden Party.
Harold Pinter ---The Birthday Party.
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৬০) “Time held me green and dying
Though I sang in my chains like the sea”. These lines have been quoted from Dylan Thomas' poem-
The Flower
Fern Hill
By Fire
After the Funeral
Fern Hill
ব্যাখ্যা:
• Time held me green and dying
Though I sang in my chains like the sea.''
- These lines have been quoted from Dylan Thomas' poem - Fern Hill
• 'Fern Hill'
- The poem is written by Dylan Thomas.
- কবিতাটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- Fern Hil evokes the joy and the inevitable loss of the world of childhood. It was first published in 1946 in his collection Deaths and Entrances.
- “Fern Hill” is narrated by the mature poet, who reflects systematically on the delights of childhood and its symbiotic relationship with the natural world, on the adolescent’s nascent sexuality, and, ultimately, on the loss of childhood innocence and the realization of mortality.
• Dylan Thomas: (1914-1953)
- In full Dylan Marlais Thomas is an British author.
- Dylan Thomas- He was a Welsh poet and prose writer.
-১৬ বছর বয়সে তিনি স্কুল ত্যাগ করে রিপোর্টার পেশায় যোগ দেন।
-তিনি বিখ্যাত তার রচিত কাব্যে comic exuberance এর জন্য।
• Best Works: (poems)
- Do not go gentle into that good night,
- 18 Poems,
- 25 Poems,
- A Child’s Christmas in Wales,
- Deaths and Entrances,
- Fern Hill,
- Under Milk Wood, etc.
Source: Britannica.
৬১) One whose attitude is 'eat, drink and be merry' is-
materialistic
epicurean
cynic
stoic
epicurean
ব্যাখ্যা:
• Epicurean (adjective) (noun)
English Meaning: A person devoted to sensual enjoyment, especially that derived from fine food and drink.
Bangla Meaning: (ব্যক্তি) ইন্দ্রিয়বিলাসী; ভোগবাদী তত্ত্ব বা মত (গ্রিক দার্শনিক এপিকিউরাস প্রবর্তিত)।
• 'Epicurean' refers to - One whose attitude is eat, drink and be merry.
- Epicureanism মতবাদের প্রবর্তক হলেন Epicurus.
- তাদের মতে, আনন্দলাভের মধ্যে দিয়ে দুঃখ যন্ত্রণার উপশম করতে হবে, জীবনকে উপভোগ করতে হবে।
- তাই, তাদের একটি বিখ্যাত motto ছিল- Eat, drink and be merry.
অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
ক) Materialistic (noun) [uncountable noun] (adjective)
English meaning: excessively concerned with material possessions; money-oriented.
Bangla Meaning: বস্তুবাদী সম্পর্কিত; বস্তুবাদী।
গ) Cynic (noun)
English Meaning: a person who believes that people are motivated purely by self-interest.
Bangla Meaning:হতাশাবাদী; চিরবিষণ্ণ; দোষদর্শী ব্যক্তি।
ঘ) Stoic (noun)
English Meaning: one apparently or professedly indifferent to pleasure or pain -
Bangla Meaning: সুখেদুঃখে নির্বিকার ব্যক্তি।
Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬২) 'Was this the face that launch'd a thousand ships, And burnt the topless towers of Ilium? Who speaks the famous lines?
Caesar
Antony
Faustus
Romeo
Faustus
ব্যাখ্যা:
• 'Was this the face that launch'd a thousand ships, And burnt the topless towers of Ilium?
- Faustus speaks the famous lines in the play 'Doctor Faustus' written by - Christopher Marlowe.
• 'Doctor Faustus'
- নাটকটির পুরো নাম The Tragical History of the life & Death of Doctor.
- ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট একটি নাটক।
- In Doctor Faustus Marlowe tells the story of Faust, the doctor-turned-necromancer, who makes a pact with the devil in order to obtain knowledge and power.
-In this play Doctor Faustus and Mephistopheles, who is the devil’s intermediary in the play, are subtly and powerfully portrayed.
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Doctor Faustus যে অপরিসীম ক্ষমতা লাভের আশায় শয়তান অর্থাৎ Mephistopheles এর কাছের নিজের আত্না বিক্রি করে দিয়েছিল।
- এই নাটকে Mephistopheles হচ্ছে The embodiment of evil.
- তিনি শয়তানের সাথে এমন একটি চুক্তি করেন যাতে করে তিনি জ্ঞান ও শক্তি প্রাপ্ত হতে পারেন।
- পরবর্তীতে ভালো এবং খারাপ দুইজন ফেরেশতা Doctor Faustus কে প্রভাবিত করতে চায়।
- একপর্যায়ে ফিরে আসতে চাইলেও শেষ অবধি Doctor Faustus বুঝতে পারেন আর ফেরার সুযোগ নেই।
• Some other quotes of Doctor Faustus:
- Pluck up your hearts, since fate still rests our friend.
- Hell is just a frame of mind.
- Fools that will laugh on earth, most weep in hell.
- Money can't buy love, but it improves your bargaining position.
- He that loves pleasure must for pleasure fall.
- The stars move still, time runs, the clock will strike.
- It is a comfort to the wretched to have companions in misery.
- Sweet Helen, make me immortal with a kiss.
• The important character of this Tragedy:
- Mephistophilis,
- Lucifer,
- Faustus,
- Cornelius,
- Good Angel,
- Bad Angel etc.
• Christopher Marlowe:
- তিনি একজন Elizabethan poet এবং একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.
• Notable work:
- Doctor Faustus,
- Edward II,
- Hero and Leander,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta, etc.
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৬৩) The Character 'Alfred Doolittle' is taken from Shaw's play titled-
Pygmalion
Man and Superman
The Doctor's Dilemma
Mrs. Warren's Profession
Pygmalion
ব্যাখ্যা:
• "Alfred Doolittle" is a famous character from G. B. Shaw's - Pygmalion.
• Pygmalion
- It is a romance comedy written by - G. B Shaw.
- It is a romance play in five acts.
- এই নাটকটি ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The play is a humane comedy about love and the English class system.
- অর্থাৎ, ইংল্যান্ডের তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং প্রেম ভালোবাসা এই নাটকের বিষয়বস্তু।
• Characters in this play are:
• Character of the play:
- Alfred Doolittle,
- Mrs. Higgins,
- Ezra D. Wannafeller,
- Eliza Doolittle,
- Henry Higgins,
- Colonel Pickering,
- Clara Eynsford Hill,
- Freddy Eynsford Hill, etc.
• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.
৬৪) The poem 'The Love Song of J. Alfred Prufrock' is written by-
W. B. Yeats
T. S. Eliot
Walter Scott
Robert Browning
T. S. Eliot
ব্যাখ্যা:
• The Love Song of J. Alfred Prufrock is written by T.S Eliot.
- আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা কবিতা এটি।
- এটা মূলত একটি Dramatic Monologue. এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল Poetry ম্যাগাজিনে, ১৯১৫ সালে।
- এখানে দেখায়, J. Alfred Prufrock যে কিনা একজন মধ্যবয়সী মানুষ, তার ফেলে আসা অতীতের স্মরণ করছে। চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে তার ভগ্ন শরীর ও হৃদয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।
- সে বুঝতে পারে, সে তার যৌবন এবং সুখ দুটোই হারিয়েছে।
• এই কবিতার বিখ্যাত লাইন,
- “I have measured out my life with coffee spoons."
• T.S. Eliot:
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।
• Best works:
• Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem).
• His well known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge etc.
Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৬৫) Who is the author of the first scientific romance 'The Time Machine'?
H. G. Wells
Samuel Butler
Henry James
George Moore
H. G. Wells
ব্যাখ্যা:
• H. G. Wells in full, Herbert George Wells, is the author of the scientific novel 'The Time Machine'.
- এটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই novel টিকে earliest works of science fiction এবং the progenitor of the “time travel” subgenre হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- The Time Machine, H. G. Wells’s first novel, is a “scientific romance” that inverts the nineteenth-century belief in evolution as progress.
- The story follows a Victorian scientist, যিনি দাবি করেন যে তিনি এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যা তাকে সময়ের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে সক্ষম করে এবং ভবিষ্যৎ পরিদর্শন করে এবং তিনি এটিও দাবি করেন যে এই Time machine টির মাধ্যমে তিনি 802,701 সালের লন্ডনে পৌঁছেছেন।
• Characters:
- Weena,
- The Time Traveller,
- The Narrator,
- Morlock,
- Eloi, etc.
• H. G. Wells is a great English novelist, journalist, sociologist, and historian.
- He is best known for such science fiction novels as The Time Machine and The War of the Worlds.
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য আরো কয়েকটি science fiction -
- The Invisible Man,
- The War of the Worlds,
- The Island of Doctor Moreau,
- The First Men in the Moon ইত্যাদি।
Source: Britannica.
৬৬) 'Call me if you have any problems regarding your work'. Here 'regarding' is a/an-
gerund
apposition
preposition
conjunction
preposition
ব্যাখ্যা:
• Call me if you have any problems regarding your work'
- বাক্যের অর্থ: তোমার কাজ সম্বন্ধে কোন সমস্যা থাকলে আমাকে কল কোরো।
- এখানে 'regarding' হচ্ছে Preposition/ Participle preposition.
• Regarding (preposition):
English Meaning - In relation to; about.
Bangla Meaning - সম্পর্কে; বিষয়ে।
• Participle preposition:
- কতগুলো Present participle এবং past participle- preposition এর মত ব্যবহৃত হয়ে থাকে, এদের Participle preposition বলে।
- যেমন: Regarding this matter I know nothing.
Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
৬৭) Select the correct comparative form of the sentence.
'A string of pearls was not so bright as her teeth.'
Her teeth was more brighter than a string of pearls.
Her teeth were brighter than a string of pearls.
A string of pearls was brighter than her teeth.
A string of pearls were very bright than her teeth.
Her teeth were brighter than a string of pearls.
ব্যাখ্যা:
• A string of pearls was not so bright as her teeth.
- বাক্যের অর্থ: মুক্তা মালাও তার দাঁতগুলোর মত এত উজ্জ্বল ছিল না।
• যখন not-যুক্ত কোন Positive degree-এর বাক্যে দুটি ব্যক্তি/বস্তুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যর তারতম্য বোঝায়, তখন নিচের নিয়মে সেটিকে Comparative করতে হয়।
- ২য় noun/noun phrase+ be+ adjective (comparative) +than + ১ম noun/noun phrase
- তাই, সঠিক উত্তর হবে Her teeth were brighter than a string of pearls (তাঁর দাঁতগুলো.মুক্তা মালার চাইতেও উজ্জ্বলতর ছিল।)
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain
৬৮) ‘Come on, it's time to go home’. Here 'home' is a/an-
noun
verb
adjective
adverb
adverb
ব্যাখ্যা:
• Come on, it's time to go home', Here, 'home' is - Adverb.
• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb এমন একটি part of speech যা একটি verb, adjective, অন্য আর একটি adverb অথবা পুরো একটি বাক্যকে মডিফাই করতে পারে।
• এখানে home একটি adverb যা verb ‘go’ কে modify করেছে।
- Home শব্দটি এখানে adverb of place.
- where, why, how, when ইত্যাদি শব্দগুলো দিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে পাওয়া উত্তরই হল adverb.
- Home শব্দটির মাধ্যমে আমরা Where-এর উত্তর পাচ্ছি এবং জানতে পারছি কোথায় যাওয়ার (go) কথা বলা হচ্ছে।
- Home, abroad, here, there, nowhere বাক্যকে adverb of place কে নির্দেশ করে এবং where প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে।
৬৯) ‘Huffing and puffing, we arrived at the classroom door with only seven seconds to spare’. In this sentence the verb 'arrived' is-
Intransitive
Transitive
Causative
Defective
Intransitive
ব্যাখ্যা:
• ‘Huffing and puffing, we arrived at the classroom door with only seven seconds to spare’. In this sentence the verb 'arrived' is - intransitive.
• Arrive (Intransitive Verb)
- যে Verb-গুলোর সাথে কোন direct object থাকে না তাকে Intransitive Verb বলে। এরকম কিছু Verb হল arrive, die ইত্যাদি । কারণ এই Verb দুটোকে আমরা কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করতে পারি না। তাই, এদের সাথে কোন object বসে না।
• উপরে উল্লিখিত বাক্যে বলা হয়েছে যে আমরা ক্লাসরুমে পৌঁছেছিলাম। এটি আমরা কোথায় পৌঁছেছিলাম সেটা প্রকাশ করছে অর্থাৎ at the classroom আমাদেরকে where-এর উত্তর দিচ্ছে। - কিন্তু ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে এই Verb-কে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না।
- তাই, সঠিক উত্তর হল Intransitive Verb.
• Intransitive verb:
- An intransitive verb is a verb that does not require a direct object to complete its meaning.
- অর্থাৎ, কাজ সম্পাদনের জন্য যদি Subject ছাড়া অন্য কিছুর প্রয়োজন না হয়, তাহলে তাকে Intransitive verb বলে।
- সাধারণত Intransitive verb এর পর adverb অথবা preposition ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত verb - এর কাছে কি (what? বা কাকে( whom) দ্বারা প্রশ্ন করলে যদি কোন উত্তর না পাওয়া যায়, তাই সাধারণত Intransitive Verb ৷
- উল্লেখ্য Intransitive Verb এর ক্ষেত্রে কখন( when) বা কোথায়( where) দ্বারা প্রশ্ন করতে হয়।
- Intransitive verb এর সাধারণ Structure হচ্ছে: subject + verb
- যেমন - The window opened automatically.
Source: Oxford learner's Dictionary.
৭০) Which one of the following is a common gender?
king
sovereign
emperor
Queen
sovereign
ব্যাখ্যা:
• Sovereign:
English meaning: a king or queen.
Bangla meaning: সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী শাসক, যেমন রাজা, রানি বা সম্রাট।
• Sovereign শব্দটি রাজা বা রাণী যে কারো জন্যই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- তাই, Sovereign শব্দটি হলো common gender.
• অন্যদিকে,
• Emperor (রাজা): Masculine gender, যার Feminine gender হলো Empress (রানী).
• king (রাজা) Masculine gender, যার Feminine gender হলো Queen (রানী)।
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৭১) ১ থেকে ৪৪০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা-
১/২২
১/৬৪
১/৬০
২/৬৫
১/২২
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ১ থেকে ৪৪০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা-
সমাধান:
১ থেকে ৪৪০ পর্যন্ত মোট নমুনাবিন্দু = ৪৪০
পূর্ণ বর্গসংখ্যার অনুকূলে নমুনাবিন্দু - {১, ৪, ৯, ১৬, ২৫, ৩৬, ৪৯, ৬৪, ৮১, ১০০, ১২১, ১৪৪, ১৬৯, ১৯৬, ২২৫, ২৫৬, ২৮৯, ৩২৪, ৩৬১, ৪০০} = মোট ২০টি
∴ এক্ষেত্রে সম্ভাবনা = ২০/৪৪০
= ১/২২
৭২) ০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল-
৪/৩৩
৪/৯৯
১১২/৯৯
১৪/৯৯
৪/৩৩
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল-
সমাধান:
০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ......
= ০.১২ + ০.১২×০.০১ + ০.১২×(০.০১)২ + ......
এখানে,
a = ০.১২, r = ০.০১ < ১
অসীম পদের সমষ্টি S∞ = a/(১ - r)
= ০.১২/(১ - ০.০১)
= ০.১২/০.৯৯
= ১২/৯৯
= ৪/৩৩
বিকল্প সমাধান:
n পদের সমষ্টি, s = {a × (১ - rn)}/(১ - r)
= ০.১২ × {১ - (০.০১)n}/(১ - ০.০১)
= ০.১২ × {১ - (১/১০০)n}/০.৯৯)
= (০.১২/০.৯৯) × {১ - (১/১০২)n}
= (১২/৯৯) × {১ - (১/১০২n)}
n অসীম হলে, s = (১২/৯৯) × {১ - (১/১০∞)}
= (৪/৩৩)(১ - ০)
= ৪/৩৩
৭৩) √(- 8) × √(- 2) = কত?
4
4i
- 4
- 4i
- 4
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: √(- 8) × √(- 2) = কত?
সমাধান:
√- 8 × √- 2
= √{8(i2)} × √{2(i2)} [i2 = - 1]
= 2√(2)i × √(2)i
= 4 × i2
= - 4
৭৪) |x - 2| < 3 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 3x + 5 < n হবে?
m = 1, n = 10
m = 2, n = 20
m = 3, n = 30
m = 4, n = 40
m = 2, n = 20
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: |x - 2| < 3 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 3x + 5 < n হবে?
সমাধান:
|x - 2| < 3
বা, - 3 < x - 2 < 3
বা, - 3 + 2 < x - 2 + 2 < 3 + 2
বা, - 1 < x < 5
বা, - 3 < 3x < 15
বা, - 3 + 5 < 3x + 5 < 15 + 5
∴ 2 < 3x + 5 < 20
m < 3x + 5 < n এর সাথে তুলনা করে পাই,
∴ m = 2 এবং n = 20
৭৫) একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫% বৃদ্ধি করলে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
৫%
১০%
২০%
২৫%
৫%
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫% বৃদ্ধি করলে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
সমাধান:
মনেকরি,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য x এবং প্রস্থ y
∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = xy
৫% বৃদ্ধিতে,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১০৫x/১০০
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০৫x/১০০) × y
= ১০৫xy/১০০
∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (১০৫xy/১০০) - xy
= (১০৫xy - ১০০xy)/১০০
= ৫xy/১০০
∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধির হার = {৫xy/(১০০ × xy) × ১০০}%
= ৫%
৭৬) চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির ব্যবহার শতকরা কত ভাগ বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে?
৮%
(২৫/৩)%
১০%
(১০০/৯)%
(১০০/৯)%
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির ব্যবহার শতকরা কত ভাগ বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে?
সমাধান:
মনেকরি,
চিনির মূল্য ১০০ টাকা
১০% কমে চিনির মূল্য = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা
বর্তমান মূল্য ৯০ টাকায় পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১ টাকায় পূর্বমূল্য = ১০০/৯০ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১০০ টাকায় পূর্বমূল্য = (১০০ × ১০০)/৯০
= ১১১(১/৯) টাকা
∴ চিনির ব্যবহার বাড়াতে হবে = (১০০০/৯) - ১০০
= (১০০/৯)
৭৭) ৬ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তঃস্থ একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল-
২১√৩ বর্গ সে.মি.
২৩√২ বর্গ সে.মি.
২৫√৩ বর্গ সে.মি.
২৭√৩ বর্গ সে.মি.
২৭√৩ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৬ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তঃস্থ একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল-
সমাধান:
ধরি,
ΔABC এর বাহুর দৈর্ঘ্য AB = BC = AC = a
এবং দেওয়া আছে, ত্রিভুজের পরিলিখিত বৃত্তের ব্যাসার্ধ, R = ৬ সে.মি।।
∴ ত্রিভুজের সাইন সূত্রানুসারে, a/SinA = 2R
বা, a = 2RSinA
∴ a = ২ × ৬(Sin৬০°)
= ১২ × (√(৩)/২)
= ৬√৩
∴ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = {√(৩)/৪}a
২= {√(৩)/৪}(৬√৩)
২= {√(৩)/৪} × ১০৮
= ২৭√৩
৭৮) ΔABC এর ∠A = 40° এবং ∠B = 80°। ∠C এর সমদ্বিখণ্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = ?
110°
100°
90°
80°
110°
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ΔABC এর ∠A = 40° এবং ∠B = 80°। ∠C এর সমদ্বিখণ্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = ?
সমাধান:
ΔABC এর ∠A = 40° এবং ∠B = 80°।
∠C = 180° - 40° - 80°
= 60°
∠C এর সমদ্বিখণ্ডক CD, AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করে।
∴ ∠ACD = ∠BCD = 30°
∴ ∠CDA = 180° - 30° - 40°
= 110°
৭৯) ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলার একটি দল থেকে একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা নিয়ে কত প্রকারে একটি কমিটি গঠন করা যাবে?
১০
১৫
২৫
৩০
৩০
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলার একটি দল থেকে একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা নিয়ে কত প্রকারে একটি কমিটি গঠন করা যাবে?
সমাধান:
৫ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা থেকে ১ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা নিয়ে কমিটি গঠনের উপায়,
= ৫C১ × ৪C২
= ৫ × ৬
= ৩০
৮০) x + 21/3 + 22/3 = 0 হলে, x3 + 6 এর মান কত?
4x
6x
4
8
6x
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: x + 21/3 + 22/3 = 0 হলে, x3 + 6 এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + 21/3 + 22/3 = 0
বা, x = - (21/3 + 22/3) .......... (1)
বা, x3 = - (21/3 + 22/3)3
বা, x3 = - {(21/3)3 + (22/3)3 + 3.21/3.22/3(21/3 + 22/3)}
বা, x3 = - {2 + 4 + 3.23/3.(- x)} [(1) নং হতে]
বা, x3 = - (6 - 6x)
বা, x3 = - 6 + 6x
∴ x3 + 6 = 6x
৮১) 5x + 8.5x + 16.5x = 1 হলে, x এর মান কত?
- 3
- 2
- 1
- (1/2)
- 2
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 5x + 8.5x + 16.5x = 1 হলে, x এর মান কত?
সমাধান:
5x + 8.5x + 16.5x = 1
বা, 25.5x = 1
বা, 52.5x = 1
বা, 5x + 2 = 50
বা, x + 2 = 0
∴ x = - 2
৮২) 5/12, 6/13, 11/24 এবং 3/8 এর মধ্যে বড় ভগ্নাংশটি-
5/12
6/13
11/24
3/8
6/13
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 5/12, 6/13, 11/24 এবং 3/8 এর মধ্যে বড় ভগ্নাংশটি-
সমাধান:
এখানে,
5/12 = 0.417
6/13 = 0.462
11/24 = 0.458
3/8 = 0.375
৮৩) a + b = 7 এবং ab = 12 হলে, (1/a2) + (1/b2) এর মান কত?
3/25
25/144
31/144
11/49
25/144
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: a + b = 7 এবং ab = 12 হলে, (1/a2) + (1/b2) এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = 7
এবং ab = 12
= 6 × 2
= 3 × 4
= 1 × 12
∵ 3 + 4 = 7
∴ a = 3, b = 4 (ধরে নেই)
∴ 1/a2 + 1/b2
= 1/32 + 1/42
= 1/9 + 1/16
= (16 + 9)/144
= 25/144
৮৪) বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
৯৪০ টাকা
৯৬০ টাকা
৯৬৮ টাকা
৯৮০ টাকা
৯৬৮ টাকা
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
সমাধান:
এখানে,
মূলধন, p = ৮০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ১০% = ১০/১০০
সময়, n = ২ বছর
∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, c = p(১ + r)n
= ৮০০(১ + ১০/১০০)২
= ৮০০ × (১১০/১০০)২
= ৯৬৮ টাকা
৮৫) log2 log√ee2 = ?
- 2
- 1
1
2
2
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: log2 log√ee2 = ?
সমাধান:
log2 log√ee2
= log2 log√e(√e)4
= log2 (4 log√e√e)
= log2 (4 × 1)
= log2 4
= log2 22
= 2 log2 2
= 2 × 1
= 2
৮৬) গ্রাফিন (graphene) কার বহুরূপী?
ক) কার্বন
খ) কার্বন ও অক্সিজেন
গ) কার্বন ও হাইড্রোজেন
ঘ) কার্বন ও নাইট্রোজেন
ক) কার্বন
ব্যাখ্যা:
- গ্রাফিন কার্বনের একটি বিশেষ রূপ।
- এটা কার্বনের একটি ষড়ভুজাকৃতির স্ফটিক স্তর বা স্তর বিন্যাস যেখানে প্রতিটি স্তরের পুরুত্ব এক পরমাণুর সমান।
- এটি আবিষ্কারের জন্য আন্দ্রেঁ গেইম এবং কনস্টানটিন নভোসেলভ ২০১০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- প্রকৃতিতে একই মৌলের বিভিন্ন ভৌত রূপে অবস্থান করার প্রবণতাকে বহুরূপতা বলে।
- কার্বন, ফসফরাস, সিলিকন, সালফার, জার্মেনিয়াম, বোরন, টিন ইত্যাদি মৌল বহুরূপতা প্রদর্শন করে।
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক।
- অদানাদার রূপভেদ হলো- কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক।
উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭) আইনস্টাইন নােবেল পুরস্কার পান-
আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা:
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ভর শক্তি সম্পর্ক E = mc2 স্থাপন করেন তিনি।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৮) কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
পুকুরের পানিতে
লেকের পানিতে
নদীর পানিতে
সাগরের পানিতে
নদীর পানিতে
ব্যাখ্যা:
- নদীর পানিতে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
- কারণ নদীর পানি প্রবাহিত হয় এবং এতে ঢেউ ও স্রোতের কারণে বাতাসের সংস্পর্শে বেশি আসে। ফলে পানি বাতাস থেকে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন শোষণ করতে পারে।
- স্থির জলাশয়ের (যেমন পুকুর বা লেক) তুলনায় প্রবাহমান পানিতে গ্যাসের আদান-প্রদান বেশি কার্যকরভাবে ঘটে।
- পুকুরের পানি ও লেকের পানি স্থির থাকে, ফলে সেখানে অক্সিজেন কম মিশতে পারে।
- সাগরের পানি গভীরতা এবং লবণাক্ততার কারণে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হয়।
উৎস:
[usgs.gov]
৮৯) হার্ট থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায় যে রক্তনালী-
ভেইন
আর্টারি
ক্যাপিলারি
নার্ভ
আর্টারি
ব্যাখ্যা:
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি বলে।
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিন্ডে বহন করে নিয়ে
আসে, তাদের শিরা (Vein) বলে।
- ক্যাপিলারি হলো ক্ষুদ্র রক্তনালী যা আর্টারি ও ভেইনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- নার্ভ হলো স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, যা রক্তনালী নয় এবং রক্ত বহন করে না।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৯০) প্রােটিন তৈরি হয়-
ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
উপরের কোনটিই নয়
অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
ব্যাখ্যা:
• প্রােটিন তৈরি হয় অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
- প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- এই ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে:
১. লাইসিন,
২. লিউসিন,
৩. আইসােলিউসিন,
৪. মিথিওনিন,
৫. ট্রিপটোফ্যান,
৬. ভ্যালিন,
৭. ফিনাইল অ্যালানিন,
৮. থ্রিওনিন।
উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৯১) কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
গ্লিসারিন
ফিটকিরি
সােডিয়াম ক্লোরাইড
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
ব্যাখ্যা:
• লবণ:
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NHNO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২) মানবদেহে লােহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন?
৭ দিন
৩০ দিন
১৮০ দিন
উপরের কোনটিই নয়
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা:
• লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন।
• লোহিত রক্ত কণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াসবিহীন।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জন পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি ভাসমান ব্যাগ এবং চ্যাপ্টা আকৃতির।
- এ কারণে লোহিত কণিকা তার আকারের পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না।
- এ কণিকাগুলো সার্বক্ষণিক অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হয় এবং রক্তরসে চলে আসে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩) নদীর পানির ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
COD > BOD
COD < BOD
COD = BOD
উপরের কোনটিই নয়
COD > BOD
ব্যাখ্যা:
• প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological/Biochemical Oxygen Demand - BOD):
- পানিতে উপস্থিত অনুজীব কর্তৃক জৈব ও অজৈব পদার্থকে বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড BOD বলে।
- পানির উৎকর্ষতা নির্ধারণে BOD নির্দেশক রূপে কাজ করে।
• রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Chemical Oxygen Demand - COD):
- পানির মধ্যে কিছু অপচনশীল বা জৈব বিয়োজনের অযোগ্য (nonbiodegradable) বস্তু থাকে যাদের বিয়োজন ব্যাকটেরিয়া বা জীবণু দ্বারা সম্পন্ন হয় না।
- এগুলিকে বিয়োজনের জন্য শক্তিশালী জারক পদার্থ যেমন K2Cr2O7 (যা অক্সিজেন সরবরাহ করে) প্রয়োজন হয়।
- এরা দূষক পদার্থকে জারিত করে।
- পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (COD) বলে।
• কোন নমুনার COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা COD নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জৈব ভাঙ্গনযোগ্য বা বিয়োজন যোগ্য এবং বিয়োজন অযোগ্য এই উভয় প্রকার জৈব বস্তুই জারিত হয়। পানিতে COD এর মান বৃদ্ধির অর্থ হলো দূষণের হার বৃদ্ধি।
উৎস: পরিবেশ রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪) পাথফাইন্ডার-এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-
১৯৯০
১৯৯৫
১৯৯৭
২০০০
১৯৯৭
ব্যাখ্যা:
- মার্স পাথফাইন্ডার ১৯৯৬ সালের ৪ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গল গ্রহের এরেস ভ্যালিস-এ অবতরণ করে। - এটি সফলভাবে একটি যন্ত্রযুক্ত ল্যান্ডার এবং সোজার্নার রোভার সরবরাহ করে, যা ছিল মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করা এবং পরিচালিত প্রথম রোবোটিক রোভার।
- পাথফাইন্ডার তখন পর্যন্ত অভূতপূর্ব পরিমাণ তথ্য পৃথিবীতে প্রেরণ করে এবং তার প্রাথমিক নকশা জীবনের চেয়েও বেশি সময় ধরে সক্রিয় ছিল।
• Key facts:
উৎস: নাসা।
[Link]
৯৫) ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?
স্ট্রাটোমণ্ডল
ট্রপােমণ্ডল
মেসোমণ্ডল
তাপমণ্ডল
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা:
• বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমন্ডল স্তরে ওজোন স্তর অবস্থিত।
• স্ট্রাটোমন্ডল:
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর।
- তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।
উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬) কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম কী?
ক্লোরোপিক্রিন
মিথেন
নাইট্রোজেন
ইথেন
ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা:
- কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিকরিন।
- অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়।
- এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফরম।
- কাঁদুনে গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত CCl3NO2.
উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৭) আলোকবর্ষ ব্যবহার করে কী পরিমাপ করা হয়?
দূরত্ব
সময়
ভর
ওজন
দূরত্ব
ব্যাখ্যা:
• আলোক বর্ষ:
- Light year বা আলোক বর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
- এক বছরে আলো যতদূর যায়, তা ই আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ = ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।
• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ভরের একক গ্রাম।
- ওজনের একক নিউটন।
- সময় এর একক সেকেন্ড।
উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. NASA ওয়েবসাইট।
৯৮) সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম-
ভেলা
প্রক্সিমা সেন্টাউরি
আলফা সেন্টাউরি A
আলফা সেন্টাউরি B
প্রক্সিমা সেন্টাউরি
ব্যাখ্যা:
• সূর্য:
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- এটি হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯) ১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
১০০ জুল
৬০ জুল
৬০০০ জুল
৩৬০০০০ জুল
৩৬০০০০ জুল
ব্যাখ্যা:
এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x ১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
অর্থাৎ,
১০০o ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০০ জুল
তাহলে, ১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০ জুল
আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, এনসিটিবি।
১০০) ইলেক্ট্রনিক বাল্ব-এর ফিলামেন্ট যার দ্বারা তৈরি-
আয়রন
কার্বন
টাংস্টেন
লেড
টাংস্টেন
ব্যাখ্যা:
• বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন ধাতু দিয়ে তৈরি।
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে দুই প্রান্তর সাথে সরু টাংস্টেনের তারের তৈরি কুণ্ডলী সংযুক্ত থাকে, একে ফিলামেন্ট বলে।
- এ বাল্বকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে প্রচুর তাপ উৎপাদন করে এবং বাল্বের এই ফিলামেন্ট প্রজ্বলিত হয়ে আলো বিকিরণ করে।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০১) Apache এক ধরনের-
Database Management System (DBMS)
Web Server
Web Browser
Protocol
Web Server
ব্যাখ্যা:
• ওয়েব সার্ভার:
- ওয়েব সার্ভার বলতে বিশেষ ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।
- ওয়েব সার্ভারের প্রাথমিক কাজ হলো ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত কোন ক্লায়েন্টের অনুরোধে ওয়েব পেজ ক্লায়েন্টের কম্পিউটারে প্রদর্শন করা।
- প্রচলিত কিছু ওয়েব সার্ভার:
• Apache: Apache.
• Microsoft: IIS.
• Igor Sysoev: nginx.
• Google: GWS.
• Caucho Technology: Resin.
- Apache এক ধরনের Web Server.
- Apache HTTP সার্ভার প্রজেক্ট হল UNIX এবং Windows সহ আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির জন্য একটি ওপেন-সোর্স HTTP সার্ভার, যা ডেভলোপ ও মেইনটেইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল একটি নিরাপদ ও দক্ষ সার্ভার প্রদান করা।
- Apache HTTP সার্ভার ১৯৯৫ সালে চালু হয়েছিল এবং এটি এপ্রিল ১৯৯৬ সাল থেকে ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্ভার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. : Apache Website.
১০২) ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেল কোনটি?
অবকাঠামোগত
প্লাটফর্মভিত্তিক
সফটওয়্যার
উপরের সবগুলাে
উপরের সবগুলাে
ব্যাখ্যা:
• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩) কোন নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব (hub) ব্যবহার করা হয়?
বাস টপােলজি
রিং টপােলজি
স্টার টপােলজি
ট্রি টপােলজি
স্টার টপােলজি
ব্যাখ্যা:
• স্টার নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব ব্যবহার করা হয়।
• স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।
• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।
• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪) একটি কম্পিউটার boot করতে পারে না যদি তাতে না থাকে-
compiler
loader
operating system
bootstrap
operating system
ব্যাখ্যা:
• একটি কম্পিউটার Boot করতে পারেনা যদি তাতে না থাকে Operating System.
• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগ্রাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫) মাইক্রোসফট IIS হচ্ছে একটি-
ইমেইল সার্ভার
ওয়েব সার্ভার
ডাটাবেইস সার্ভার
ফাইল সার্ভার
ওয়েব সার্ভার
ব্যাখ্যা:
• IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার।
• ওয়েব সার্ভার (Web Server):
- ওয়েব সার্ভার হলো এমন একটি কম্পিউটার যেখানে ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- এ সার্ভারগুলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকতে পারে।
- সার্ভার কম্পিউটারে রয়েছে এমন কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং সক্ষমতা যার সাহায্যে ইন্টারনেট এবং ইন্ট্রানেট ব্যবহারকারীকে তাদের চাহিদানুসারে ওয়েব সার্ভিস প্রদান করতে পারে।
- ওয়েব সার্ভারে কোনো ওয়েবপেজের জন্য request (যাকে http request বলে) আসলে ওয়েব সার্ভার অ্যাপাচি (Apache) বা আই.আই.এস (IIS) নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় web page-টিকে ব্যবহারকারীর computer এ পাঠিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: Apache HTTP Server, Microsoft's Internet Information Services (IIS), Nginx, lighttpd ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬) ব্লুটুথ কত দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে?
১০-৩০ মিটার
১০-৫০ মিটার।
১০-১০০ মিটার
১০-৩০০ মিটার
১০-১০০ মিটার
ব্যাখ্যা:
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৭) একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয় তার নাম-
Array
Linked list
Stack
Queue
Queue
ব্যাখ্যা:
• একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয় তার নাম Queue.
- Queue এর বাংলা অর্থ লাইনে দাঁড়ানো।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।
- Queue এর একপ্রান্ত দিয়ে Insert /Enqueue হলে অন্যপ্রান্ত দিয়ে Delete/Dequeue হয়।
- একটি Array হলো ডেটার একটি সংগঠিত সংগ্রহ, যেখানে একাধিক ডেটা উপাদান (elements) একত্রে সংরক্ষণ করা হয়। এই ডেটা উপাদানগুলো সবসময় একই ধরনের হতে হয়, অর্থাৎ একই ডেটা টাইপের (যেমন, সবগুলো integer বা সবগুলো string) হতে হবে।
- Linked List হলো ডেটা স্ট্রাকচার যা ডেটা উপাদানগুলোকে একটি ক্রমানুসারে সংরক্ষণ করে, যেখানে প্রতিটি উপাদান একটি নোড (node) হিসেবে সংরক্ষিত হয়। প্রতিটি নোডে দুটি অংশ থাকে। যথা ডেটা অংশ (যেখানে মূল ডেটা সংরক্ষণ করা হয়) এবং লিঙ্ক অংশ (যেখানে পরবর্তী নোডের address বা রেফারেন্স থাকে)
- Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার। যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা Push এবং Pop.
১০৮) নিচের কোনটি anti-virus সফটওয়্যার নয়?
Oracle
McAfee
Norton
Kaspersky
Oracle
ব্যাখ্যা:
• Oracle এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।
• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।
• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।
উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
১০৯) যে কম্পিউটার ভাষায় সবকিছু শুধুমাত্র বাইনারি কোডে লেখা হয় তাকে বলে-
ক) Machine language
খ) C
গ) Java
ঘ) Python
ক) Machine language
ব্যাখ্যা:
• যে কম্পিউটার ভাষায় সবকিছু শুধুমাত্র বাইনারি কোডে লেখা হয় তাকে Machine Language বলে।
• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা। কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্মস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্মস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০) API মানে-
Advanced Processing Information
Application Processing Information
Application Programming Interface
Application Processing Interface
Application Programming Interface
ব্যাখ্যা:
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১১১) যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম-
AND গেইট
OR গেইট
NAND গেইট
উপরের কোনটিই নয়
NAND গেইট
ব্যাখ্যা:
• যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম - NAND গেইট। • NAND গেইট:- AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
- NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
- NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
- অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একটি লজিক গেট-এর আউটপুট 1 হয় যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে। এই গেটটি - NAND গেইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১২) নিচের কোনটির যােগাযােগের দূরত্ব সবচেয়ে কম?
Wi-Fi
Bluetooth
Wi-Max
Cellular network
Bluetooth
ব্যাখ্যা:
• যােগাযােগের দূরত্ব সবচেয়ে কম - ব্লুটুথের।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
- Wi-Fi এর কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- Wi-MAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১৩) নিচের কোনটি ১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?
১১১
১০১
০১১
০০১
০১১
ব্যাখ্যা:
• বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
• অতএব, ১০০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হলো ০১১।
১১৪) RFID বলতে বুঝায়-
ক) Random Frequency Identification
খ) Random Frequency Information
গ) Radio Frequency Information
ঘ) Radio Frequency Identification
ঘ) Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা:
• RFID:
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
- বারকোড যদি এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
- RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার
উৎস: ব্রিটানিকা।
১১৫) নিচের কোনটি সঠিক নয়?





ব্যাখ্যা:
• ডি মরগ্যানের উপপাদ্য:
- দুই চলকের জন্য:

- তিন চলকের জন্য:

- অর্থাৎ, অপশন খ এর উপপাদ্যটি সঠিক নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬) নিচের কোন অক্ষরগুলাে পুনর্বিন্যাস করে একটি অর্থবােধক শব্দ তৈরি করা যায়?
রা ত্র হো অ
র বা ধী প নি
দ্র তা রি দা
সা ব ব অ ধ্যা
রা ত্র হো অ
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের কোন অক্ষরগুলাে পুনর্বিন্যাস করে একটি অর্থবােধক শব্দ তৈরি করা যায়?
সমাধান:
অহোরাত্র (অব্যয়)
দিবারাত্র; সর্বক্ষণ
- এটা বুঝি আমাদের অহোরাত্র দুঃখ দেয় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(ক্রিয়া বিশেষণ) এক সূর্যোদয় পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) অহন্=অহঃ + রাত্রি= অহোরাত্র; দ্বন্দ্বসমাস}
সুত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
১১৭) 'RELATION' - এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
ИOITA⅃ƎЯ
ИOIꓕⱯLƎᴚ
ᴚE⅃ⱯꓕIOИ
NOITALƎЯ
ИOITA⅃ƎЯ
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 'RELATION' - এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
সমাধান:
১১৮) পাঁচজন ব্যক্তি ট্রেনে ভ্রমণ করছেন। তারা হলেন ক, খ, গ, ঘ, ঙ। ক হলেন গ এর মা, গ আবার ঙ এর স্ত্রী। ঘ হলেন ক এর ভাই এবং খ হলেন ক এর স্বামী। ঙ এর সঙ্গে খ এর সম্পর্ক কী?
শ্বশুর
পিতা
চাচা
ভাই
শ্বশুর
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: পাঁচজন ব্যক্তি ট্রেনে ভ্রমণ করছেন। তারা হলেন ক, খ, গ, ঘ, ঙ। ক হলেন গ এর মা, গ আবার ঙ এর স্ত্রী। ঘ হলেন ক এর ভাই এবং খ হলেন ক এর স্বামী। ঙ এর সঙ্গে খ এর সম্পর্ক কী?
সমাধান:
ক হলেন গ এর মা;
এবং, খ হচ্ছেন বাবা।
গ হচ্ছে ঙ এর স্ত্রী। অর্থাৎ, গ - ক ও খ এর মেয়ে। আর ঙ তাদের মেয়ে-জামাই।
তাহলে, খ (বাবা) হচ্ছেন ঙ এর শ্বশুর।
১১৯) যদি মাসের ২য় দিন সােমবার হয়, তবে মাসের ১৮তম দিন কী বার হবে?
রবিবার
সােমবার
মঙ্গলবার
বুধবার
বুধবার
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: যদি মাসের ২য় দিন সােমবার হয়, তবে মাসের ১৮তম দিন কী বার হবে?
সমাধান:
২য় দিন = সোমবার
(২ + ৭) বা ৯ তম দিন= সোমবার
(৯ + ৭) বা ১৬ তম দিন= সোমবার
১৭ তম দিন = মঙ্গলবার
১৮ তম দিন = বুধবার
১২০) প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

১৮
৬৮
৮১
৪৪
৬৮
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
সমাধান:১ম চিত্রে,
৮ × ৪ + ৭ = ৩৯
২য় চিত্র,
৩ × ৬ + ৯ = ২৭
৩য় চিত্রে,
৭ × ৯ + ৫ = ৬৮
১২১) ৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট, ৬টা বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?
১৫ মিনিট
২০ মিনিট
২৫ মিনিট
৩০ মিনিট
২৫ মিনিট
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট, ৬টা বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?
সমাধান:
৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ৪৫ মিনিটি।
তাহলে, বর্তমান সময় ৫টা ৩৫মিনিট।
অতএব, ৬ টা বাজতে বাকি আছে ২৫ মিনিট।
১২২) স্ক্রু ও ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণন গতির দিক-
একই দিকে
উল্টো দিকে
উলম্ব রেখায়
সমান্তরালে
একই দিকে
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: স্ক্রু ও ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণন গতির দিক-
সমাধান:
স্ক্রু লাগাতে হলে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরাতে হয় আর খুলতে হলে বিপরীতে।
আমরা এখানে স্ক্রু লাগানোর দিকটিকেই বিবেচনায় নিব।
১২৩) নিচের কোনটি সবচেয়ে ছােট সংখ্যা?
১৮/৩৬
৫/৩
১৬/৩১
৪/১২
৪/১২
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সবচেয়ে ছােট সংখ্যা?
সমাধান:
এখানে,
১৮/৩৬ = ০.৫
৫/৩ = ১.৬৬৭
১৬/৩১ = ০.৫১৬
৪/১২ = ০.৩৩৩
১২৪) .১ × ৩.৩৩ × ৭.১ = ?
৭.১৫
৫.১৮
২.৩৬
১.৯৮
২.৩৬
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: .১ × ৩.৩৩ × ৭.১ = ?
সমাধান:
.১ × ৩.৩৩ × ৭.১
= ২.৩৬৪৩
= ২.৩৬ (প্রায়)
১২৫) একজন ব্যক্তির বেতন ৫% কমেছে। কিন্তু এক বছর পর তা আবার ৫% বেড়েছে। মোটের উপর তার বেতন শতকরা কত বৃদ্ধি বা হ্রাস পেয়েছে?
০.৫% বেড়েছে
০.২৫% বেড়েছে
০.২৫% কমেছে
০.৫% কমেছে
০.২৫% কমেছে
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তির বেতন ৫% কমেছে। কিন্তু এক বছর পর তা আবার ৫% বেড়েছে। মোটের উপর তার বেতন শতকরা কত বৃদ্ধি বা হ্রাস পেয়েছে?
সমাধান:
ধরি,
ঐ ব্যক্তির বেতন ১০০ টাকা
৫% কমে বেতন হয় = ৯৫ টাকা
আবার,
১ বছর পর ৫% বৃদ্ধিতে বেতন হয় = ৯৫ × (১০৫/১০০)
= ৯৯.৭৫ টাকা
∴ বেতন কমেছে = (১০০ - ৯৯.৭৫)
= ০.২৫%
১২৬) কোন বানানটি শুদ্ধ?
Incyclopedia
Encyclopedia
Enciclopadia
Encyclopedea
Encyclopedia
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?
সমাধান:
Encyclopedia:(noun)
বিশ্বকোষ; জ্ঞানকোষ; বিদ্যাকোষ; তথ্যকোষ।
সুত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
১২৭) ঘড়ি : কাটা : থার্মোমিটার : ?
ফারেনহাইট
তাপমাত্রা
চিকিৎসা
পারদ
পারদ
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ঘড়ি : কাটা : থার্মোমিটার : ?
সমাধান:
ঘড়িতে যেমন সময় পরিমাপ করতে কাঁটা ব্যবহার হয়।
তেমনি, থার্মোমিটারে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারদ ব্যবহার হয়।
১২৮) ১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?
৩১
৩২
৩৩
৩৪
৩৩
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?
সমাধান:
৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্য (২০০ - ১০০) = ১০০ ÷ ৩ = ৩৩টি
{১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১, ১১৪, ১১৭, ১২০, ১২৩, ১২৬, ১২৯, ১৩২, ১৩৫, ১৩৮, ১৪১, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৫৬, ১৫৯, ১৬২, ১৬৫, ১৬৮, ১৭১, ১৭৪, ১৭৭, ১৮০, ১৮৩, ১৮৬, ১৮৯, ১৯২, ১৯৫, ১৯৮}
মোট = ৩৩টি
১২৯) “তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন _____ সাহেবের কথা।”
আইয়ুব খান
ইয়াহিয়া খান
ভুট্টো
কিসিঞ্জার
ভুট্টো
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: “তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন _____ সাহেবের কথা।”
সমাধান:
তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেল, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলার নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন।
তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলীতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলীর মধ্যে আলোচনা করবো; এমনকি আমি এ পর্যন্ত বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজনও যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।
- ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।
১৩০) রহিম উত্তর দিকে ১০ মাইল হেঁটে ডানদিকে ঘুরে ৫ মাইল হাঁটেন। তারপর ডানদিকে ঘুরে ২ মাইল হাঁটেন। তিনি কোন দিকে হাঁটছেন?
পূর্ব
পশ্চিম
উত্তর
দক্ষিণ
দক্ষিণ
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: রহিম উত্তর দিকে ১০ মাইল হেঁটে ডানদিকে ঘুরে ৫ মাইল হাঁটেন। তারপর ডানদিকে ঘুরে ২ মাইল হাঁটেন। তিনি কোন দিকে হাঁটছেন?
সমাধান:
১৩১) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
অনুচ্ছেদ ২২
অনুচ্ছেদ ২৩
অনুচ্ছেদ ২৪
অনুচ্ছেদ ২৫
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন,
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩২) বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কোনটি অবস্থিত?
দক্ষিণ তালপট্টি
সেন্টমার্টিন
নিঝুম দ্বীপ
ভোলা
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা:
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অঞ্চল:
→ বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থান - আখাইনঠং।
→ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
→ সর্ব দক্ষিণের স্থান - ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
→ সর্ব পশ্চিমের স্থান - মনাকষা।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৩৩) বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য কয়টি?
৩টি
৪টি
৫টি
৬টি
৫টি
ব্যাখ্যা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য - ৫টি।
যথা-
আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
সীমান্তবর্তী স্থান:
•বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়- বিহার।
• উত্তরে- ভারতের পশ্চিবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
• পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
• দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
• পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
• ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
• মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
• ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৪) কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
সিপাহী মোস্তফা কামাল
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
সিপাহী হামিদুর রহমান
সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা:
মিরপুরে অবস্থিত বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠকে বর্তমানে সমাহিত করা হয়েছে।
তারা হলেন -
১. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান
২. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।
• বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম ২রা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সনে আনসার বাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য চাকুরী করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ খ্রি: তৎকালীন সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ১ ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। সাহসী এ সৈনিক মাতৃভূমির স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন।
- ১৯৭১ সনের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে মৌলভীবাজার জেলাস্থ কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগান বিস্তৃত ধলই সীমান্ত চৌকিতে হানাদার পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাহিনীকে পরাস্থ করার উদ্দেশ্যে সহযোদ্ধাসহ তিনি সশস্ত্র আক্রমন চালান। ধলই সীমান্তে শত্রু সেনা চৌকির সন্মুখ যুদ্ধে অমিত সাহসে চৌকির ৫০ গজের মধ্যে পৌছেঁ যান এবং বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে উক্ত সীমান্ত চৌকি ও সংলগ্ন এলাকা মুক্ত করেন এবং সেখানেই শত্রু সেনার বুলেট বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সালে শহীদ হন। তাকে প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমান বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩৫) কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
হামিদুর রহমান
মোস্তফা কামাল
মুন্সী আব্দুর রহিম
নুর মােহাম্মদ শেখ
মুন্সী আব্দুর রহিম
ব্যাখ্যা:
• বীরশ্রেষ্ঠ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নোবাহিনীর একজন করে।
বীরশ্রেষ্ঠরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী,
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী,
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী,
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী,
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী,
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর,.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর।
অন্যদিকে,
মুন্সী আব্দুর রহিম - নামে কোনো বীরশ্রেষ্ঠ ছিলো না।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩৬) বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়?
৭ মার্চ ১৯৭৩
১৭ মার্চ ১৯৭৩
২৭ মার্চ ১৯৭৩
৭ মার্চ ১৯৭৪
৭ মার্চ ১৯৭৩
ব্যাখ্যা:
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন:
তারিখ: ৭ মার্চ ১৯৭৩।
উদ্দেশ্য: স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
গণপরিষদের অবসান: বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর গণপরিষদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল: আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য ১৪টি দল।
প্রার্থীর সংখ্যা:মোট প্রার্থী: ১,২০৯ জন।
দলীয় প্রার্থী: ১,০৮৯ জন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী: ১২০ জন।
নারী প্রার্থী: ১৫ জন।
নির্বাচনী ফলাফল:
আওয়ামী লীগ: ৩০৮টি আসন (সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ)।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ): ১টি আসন।
বাংলাদেশ জাতীয় লীগ: ১টি আসন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী: ৫টি আসন।
জাতীয় সংসদ আসন সংখ্যা (মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ): ৩১৫টি।
উল্লেখ্য,
১৯৭৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুটি আসন হারায়। তবে সেই সময় জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১৫টি আসনের সবগুলোই লাভ করে আওয়ামী লীগ। এর ফলে সংসদে মোট ৩১৫টি আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আসনসংখ্যা ছিল ৩০৬।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম আলো।
১৩৭) প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
রাঙ্গামাটি
খাগড়াছড়ি
বান্দরবান
সিলেট
বান্দরবান
ব্যাখ্যা:
• প্রান্তিক হ্রদ — বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।
• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক,
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।
উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
১৩৮) লাহােরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যােগদান করেন?
২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা:
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC
- OIC এর পূর্ণরুপ - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
---------------
১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২-তম) লাভ করে।
• ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৭৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ওআইসি মহাসচিবের কাছ থেকে একটি বার্তা এলো বঙ্গবন্ধুর জন্য। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন তাঁর বিশেষ বিমান পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে লাহোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
- বিমানে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফলিকার নেতৃত্বে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল রয়েছে। দলে কুয়েতের আমিরের বিশেষ দূত হিসেবে আছেন কুয়েতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান।
- ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতিনিধিদল ঢাকা এলো ২২ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু আলোচনায় জানালেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে লাহোর সম্মেলনে যোগদান সম্ভব নয়। আলাপ-আলোচনার পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সঙ্গে ঐকমত্যে উপনীত হলো যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই সময়ে একযোগে পারস্পরিক স্বীকৃতি দেবে এবং লাহোর ও ঢাকা থেকে এ ঘোষণা একসঙ্গে প্রচার করা হবে—এটাও সিদ্ধান্ত হলো। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল লাহোর যাবে।
- পরবর্তীতে, ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে যোগ দিতে লাহোর যান।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ওআইসি সম্মেলনে ভাষণ প্রদান করেন।
উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং ওআইসি ওয়েবসাইট।
১৩৯) বঙ্গবন্ধুকে কখন “জুলিও কুরী” শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়?
২০ মে, ১৯৭৩
২১ মে, ১৯৭২
২২ মে, ১৯৭২
২৩ মে, ১৯৭৩
২৩ মে, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা:
• বঙ্গবন্ধুকে "জুলিও কুরী" পুরস্কার প্রদান:
পুরস্কার প্রদান তারিখ: ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে।
পুরস্কার:
বিশ্ব শান্তি পরিষদ শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জুলিও কুরী' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
মনোনয়ন:
১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। এই পদকটি ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত হয়।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান:
১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
তথ্যসূত্র:
- কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট।
১৪০) ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
বিচার ব্যবস্থা
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা:
• 'বিচার ব্যবস্থা'- ছয় দফা দাবিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য,
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
• দফাগুলো হলো:
প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ও মূলধারা ’৭১'।
১৪১) “মাৎস্যন্যায়” বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?
৫ম-৬ষ্ঠ শতক
৬ষ্ঠ-৭ম শতক
৭ম-৮ম শতক
৮ম-৯ম শতক
৭ম-৮ম শতক
ব্যাখ্যা:
• মাৎস্যন্যায়:
যখন দণ্ডদানের আইন স্থগিত বা অকার্যকর থাকে তখন এমন অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয় যা মাছের রাজ্য সম্পর্কে প্রচলিত প্রবচনের মধ্যে পরিস্ফুট। অর্থাৎ অপেক্ষাকৃত বড় মাছ ছোটটিকে গ্রাস করে, কারণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অবর্তমানে সবল দুর্বলকে গ্রাস করবেই।
সময়কাল:
বাংলার ৭ম-৮ম শতকের নৈরাজ্যপূর্ণ সময়কে 'মাৎস্যন্যায়' নামে অভিহিত করা হয়।
মাৎস্যন্যায় এবং অরাজকতা:
শশাঙ্কের পর বাংলায় অরাজকতা ও হানাহানির যুগ (৭ম-৮ম শতক) শুরু হয়, যা ইতিহাসে ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত।
গোপালের রাজত্ব:
বাংলার দীর্ঘ সময়ের অরাজকতা ও হানাহানির অবসান ঘটে গোপালের রাজত্বের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যার ফলে পাল বংশের শাসন শুরু হয় এবং বাংলায় স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
পাল রাজবংশের শাসন:
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে, যা অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর ধরে বাংলা ও বিহার অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
গোপালের উত্থান:
বাংলায় চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্যের অবসান ঘটিয়ে গোপাল নামে এক উচ্চবর্ণের ব্যক্তি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রখ্যাত পাল রাজারা:
ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপালসহ আরও অনেক পাল রাজা বাংলার শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তথ্যসূত্র:
- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২) বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ
আলাউদ্দিন হােসেন শাহ
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
আলাউদ্দিন হােসেন শাহ
ব্যাখ্যা:
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
• সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
• তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
• তিনি আরব দেশীয় সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
• তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
• তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
• তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
• তাঁর সমাধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
---------------------
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ: কৃতিত্ব-
অত্যুজ্জ্বল রাজত্বকাল: মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে হোসেন শাহের রাজত্বকাল অত্যুজ্জ্বল ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। তার শাসনামলে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
সামরিক বিজয়: হুসেন শাহ কামরূপ ও কামতা জয় করেন। ঊড়িষ্যা এবং ত্রিপুরার কিছু অংশ তার শাসনাধীন আসে। এছাড়া তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
প্রশাসন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ:
তিনি বাংলার রাজনীতি হাবসি দাসদের প্রভাবমুক্ত করেন এবং প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করেন।
শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা:
ক্ষমতাগ্রহণের পর তিনি রাজ্যের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দূর করে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
দিল্লীর আক্রমণ প্রতিহত:
দিল্লীর লোদী সাম্রাজ্যের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য তিনি রাজ্যের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।
হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি:
তিনি হিন্দু-মুসলমান সম্প্রতি স্থাপনের জন্য প্রচেষ্টা চালান, যা তৎকালীন সমাজজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
সাহিত্যানুরাগী:
হুসেন শাহ সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার শাসনামলে বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে। তার সময়ের বিখ্যাত কবিদের মধ্যে ছিলেন রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, এবং পরাগল খান।
তথ্যসূত্র:
- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাপিডিয়া।
১৪৩) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
নওয়াব আবদুল লতিফ
স্যার সৈয়দ আহমেদ
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
খাজা নাজিমুদ্দিন
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর ভূমিকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজের জমি দান করেন।
বঙ্গভঙ্গের পর:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও জোরদার করে।
সরকারের ওপর চাপ:
নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
লর্ড হার্ডিঞ্জের আগমন:
১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় এসে তিন দিন অবস্থান করেন। ৩১ জানুয়ারি, নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে এবং পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি মানপত্র প্রদান করে।
সরকারি সুপারিশ:
১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি ইশতেহার জারি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করে।
শিক্ষার সূচনা:
১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।
তথ্যসূত্র:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট,
- বাংলাপিডিয়া।
১৪৪) ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খাজা নাজিম উদ্দীন
নুরুল আমিন
লিয়াকত আলী খান
মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ
খাজা নাজিম উদ্দীন
ব্যাখ্যা:
• ভাষা আন্দোলন:
বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ছিল ভাষা আন্দোলন, যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
সূচনা ও চূড়ান্ত রূপ:
এই আন্দোলনের সূচনা হয় ১৯৪৭ সালে এবং তা চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
• পূর্ব বাংলার গভর্নর: ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন ফিরোজ খান নুন।
• পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল: সেই সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন গোলাম মোহাম্মদ।
• পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: খাজা নাজিমউদ্দীন তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
• পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
অন্যদিকে,
• পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
• লিয়াকত আলী খান পাকিস্তানের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া,
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৫) আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
খাগড়াছড়ি জেলায়
রাঙ্গামাটি জেলায়
বান্দরবান জেলায়
কক্সবাজার জেলায়
খাগড়াছড়ি জেলায়
ব্যাখ্যা:
আলুটিলা গুহা:
অবস্থান:
আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের — খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।
কিভাবে যাওয়া যায়:
মাটিরাঙ্গা থেকে ১১ কিলোমিটার জেলা শহর পথে। অথবা জেলা শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার পশ্চিমে আলুটিলার অবস্থান।
স্থানীয় নাম:
স্থানীয়রা এই গুহাকে "মাতাই হাকড়" বা দেবতার গুহা বলে থাকেন।
গুরুত্ব:
- আলুটিলা খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।
তথ্যসূত্র:
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
- যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
- মাটিরাঙ্গা উপজেলার ওয়েবসাইট।
১৪৬) বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন?
হেমন্ত সেন
বল্লাল সেন
লক্ষণ সেন
কেশব সেন
কেশব সেন
ব্যাখ্যা:
বাংলায় সেন বংশের শাসন -
শুরু: পাল বংশের পতনের বারো শতকের দ্বিতীয় ভাগে বাংলায় সেন বংশের শাসনের সূচনা হয়।
প্রতিষ্ঠাতা: সেন রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন হেমন্ত সেন (সামন্ত সেনের পুত্র)।
শ্রেষ্ঠ রাজা: বিজয় সেন। তার শাসনামলে সেন বংশ শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
শেষ উল্লেখযোগ্য রাজা: লক্ষ্মণ সেন। ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন। এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।
লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসা:
১২০৫/০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশব সেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন। তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না, তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল।
কেশব সেন:
কেশব সেনের রাজত্বকাল ছিল ১২২৫ - ১২৩০ সাল। তার পর সেনগণ বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন এমন কোন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
উপর্যুক্ত আলোচনা, প্রশ্নের ধরণ ও অপশন বিবেচনা করে বলা যায়,
- সাধারণত বাংলার সর্বশেষ রাজা হিসাবে লক্ষ্মণ সেনের নাম পাওয়া গেলেও সেন বংশের শাসন লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পরও কয়েক বছর টিকে ছিল।
- এই বংশের শেষ শাসনকর্তা হিসাবে কেশব সেনের (রাজত্বকাল: ১২২৫ - ১২৩০ সাল) নাম পাওয়া যায়।
প্রশ্নকর্তাও সাল উল্লেখ করেই প্রশ্নটি ক্লিয়ার করেছেন।
তাই সঠিক উত্তর হিসাবে কেশব সেন ধরা হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪৭) বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?
পুন্ড্র
তাম্রলিপ্ত
গৌড়
হরিকেল
পুন্ড্র
ব্যাখ্যা:
• বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম- 'পুন্ড্র'।
-------------
• 'পুন্ড্র' জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ,
- বরেন্দ্র,
- সমতট,
- হরিকেল,
- রাঢ়,
- চন্দ্রদ্বীপ,
- তাম্রলিপ্ত,
- গঙ্গারিডাই,
- গৌড় প্রভৃতি।
উৎস:
- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি,
- বাংলাপিডিয়া।
১৪৮) কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
রোজ গার্ডেন
সিরাজগঞ্জে
সন্তোষে
সুনামগঞ্জ
সন্তোষে
ব্যাখ্যা:
• কাগমারী সম্মেলন:
১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
স্থান: টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষ।
সম্মেলনের বিশিষ্টতা:
সভাপতি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
প্রধান অতিথি: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের প্রতি 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
১৪৯) মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রােডে “বাংলাদেশ বাহিনী” কখন গঠন করা হয়?
এপ্রিল ১০, ১৯৭১
এপ্রিল ১১, ১৯৭১
এপ্রিল ১২, ১৯৭১
এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
এপ্রিল ১১, ১৯৭১
ব্যাখ্যা:
তেলিয়াপাড়া বৈঠক ও মুক্তিফৌজ গঠনের প্রেক্ষাপট:
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার পর বাঙালি সেনা অফিসাররা বিদ্রোহ করেন। বিদ্রোহী অফিসারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:
- খালেদ মোশাররফ,
- শাফায়াত জামিল,
- জিয়াউর রহমান,
- এস এম রেজা,
- কে এম সফিউল্লাহ।
এদের উপস্থিতিতে এম.এ.জি. ওসমানী তেলিয়াপাড়া, যা ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার ছিল, সেখানে একটি বৈঠক করেন।
বৈঠক ও আলোচনার মূল বিষয়সমূহ:
স্থান: তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলো
তারিখ: ৪ এপ্রিল
অংশগ্রহণকারীরা: ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত:
- বিদ্রোহী অফিসাররা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
- মুক্তিফৌজ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা সকল বিদ্রোহী ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বৈঠকের স্থান অনুসারে এই যুদ্ধকৌশলকে "তেলিয়াপাড়া রণকৌশল" নামকরণ করা হয়, যা মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রথম রণকৌশল হিসেবে পরিচিত।
পরবর্তী ঘটনা:
- বৈঠকের পর কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ করা হয়নি, তবে মৌখিকভাবে সংগঠন, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়।
- ১১ এপ্রিল নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বেতার ভাষণে এই সভার সিদ্ধান্তের কিছু অংশ উচ্চারিত হয়।
- সভা শেষে কর্নেল ওসমানী তাঁর রিভলভার থেকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
তাহলে বলা যায় যে,
তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী বাঙালি ইউনিটগুলোকে সমন্বয় করে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রথম বাহিনী গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায় ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
তথ্যসূত্র:
- মূলধারা ৭১,
- বাংলাপিডিয়া,
- তেলিয়াপাড়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
১৫০) কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
অনুচ্ছেদ ৭
অনুচ্ছেল ৭(ক)
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
অনুচ্ছেদ ৮
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
ব্যাখ্যা:
অনুচ্ছেদ - ৭খ:
- সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
• ৭খ অনুচ্ছেদের বিস্তারিত:
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।
উল্লেখ্য,
৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫১) বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কী ছিল?
বহুদলীয় ব্যবস্থা
বাকশাল প্রতিষ্ঠা
তত্ত্বাবধায়ক সরকার
সংসদে মহিলা আসন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার
ব্যাখ্যা:
ত্রয়োদশ সংশোধনী-
শিরোনাম: সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯৬
• বিলটি পাশ: ২৭ মার্চ, ১৯৯৬
• বিষয়বস্তু: অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে একটি নতুন ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়, যা নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব অর্পণ করেছিল। এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করা।
বাতিল ঘোষণা:
• ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহিত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- চতুর্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
উৎস:
- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- বিবিসি নিউজ, ১০ মে ২০১১।
১৫২) সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?
৪র্থ তফসিল
৫ম তফসিল
৬ষ্ঠ তফসিল
৭ম তফসিল
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা:
• সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ৪র্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়।
• বাংলাদেশে সংবিধান:
- মোট ৭টি তফসিল আছে।
এগুলো হলো-
- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫৩) কোন উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়?
সাঁওতাল
গারো
খাসিয়া
মুরং
গারো
ব্যাখ্যা:
• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া, শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
- তবে,
ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
উল্লেখ্য,
বিরিশিরি - নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন। 'বিরিশিরি' এলাকায় গারোদের বিশেষভাবে দেখা যায়, যেখানে তারা নিজেদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ধরে রেখেছে।
তাই বলা যায়,
গারো - উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়।
-------------------
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১৫৪) বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
IDA credit-এর মাধ্যমে
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।
উল্লেখ্য,
- প্রবাসীদের পাঠানাে remittance বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে, কিন্তু পুরোপুরি ভারসাম্য আনতে পারে না।
উৎস: ব্রিটানিকা, OSMBA প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৫) অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?
অশােক
শশাঙ্ক
মেগদা
ধর্মপাল
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা:
শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
উল্লেখ্য, অশোক একজন সম্রাট ছিলেন, রাজা নন। একটি সাম্রাজ্যে অনেকগুলো রাজ্য থাকে। তেমনি, একজন সম্রাটের অধীনে কয়েকজন রাজা থাকতে পারেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬) বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন?
লর্ড কার্জন
রাজা পঞ্চম জর্জ
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
লর্ড ওয়াভেল
রাজা পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা:
• বঙ্গভঙ্গ:
— ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এ বঙ্গভঙ্গকে পূর্ববাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়।
- কিন্তু হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা এটিকে কোনভাবেই মেনে নেয় নি।
- তারা নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাদের এ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে।
- ফলে তাদের এ চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- এবং পুনরায় পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে একত্রিত করা হয়। এটিই মূলত বঙ্গভঙ্গ রদ।
• বঙ্গভঙ্গ রদ:
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট — পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
• বঙ্গভঙ্গ রদের ফলাফল:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে।
- ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
- মুসলমানদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- তারা বুঝতে পারে যে আপস নয় বরং সংগ্রামের পথেই উন্নতি ও স্বাধীনতার পথে তাদেরকে আগাতে হবে।
- অর্থাৎ মুসলমানগণ তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও তৎপর হয়ে উঠতে থাকে।
উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
১৫৭) ঢাকা শহরের গােড়াপত্তন হয়-
ব্রিটিশ আমলে
সুলতানি আমলে
মুঘল আমলে
স্বাধীন নবাবী আমলে
মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মুঘল-পূর্ব যুগে কিছুটা গুরুত্ব পেলেও ইতিহাসে এর প্রসিদ্ধি অর্জিত হয় মূলত — মুঘল যুগে।
• আকবর নামা গ্রন্থে ঢাকা একটি সামরিক ফাঁড়ি (থানা) হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে এবং আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে ঢাকা বাজু সরকার বাজুহার নামে একটি পরগনা হিসেবে উল্লিখিত হয়েছে।
• ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
• যদিও প্রশাসনিকভাবে এর নাম জাহাঙ্গীরনগর করা হয়, সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই প্রচলিত থেকে যায়। এমনকি বিদেশি পর্যটক ও কোম্পানির কর্মকর্তারা তাদের বিবরণ ও চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
• ঢাকার সমৃদ্ধি ও স্থাপত্যের বিকাশ মূলত মুঘল যুগেই শুরু হয়, যা আজও শহরটির ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তথ্যসূত্র:
- ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
১৫৮) স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন?
জাবেদ করিম
ফজলুল করিম
জাওয়াদুল করিম
মঞ্জুরুল করিম
জাবেদ করিম
ব্যাখ্যা:
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan
উল্লেখ্য,
আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫৯) পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা:
• মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত অনেক দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিলেও পাকিস্তান ও তার কয়েকটি ঘনিষ্ট মিত্র দেশ তখনও স্বীকৃতি দিচ্ছিলো না।
অবশেষে,
- ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওআইসির ইসলামিক সম্মেলনের প্রাক্কালে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের স্বীকৃতি দেওয়া না দেওয়ার প্রশ্ন নতুন রূপ ধারণ করেছিল।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে ইসলামিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাতে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর ওপর মুসলিম দেশগুলো চাপ সৃষ্টি করেছিল।
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- পাকিস্তানের স্বীকৃতির পর ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান সফর করেন।
- এরপর ৫ থেকে ৯ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শেষে উপমহাদেশে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়।
- ওই চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানে ফিরে যায়।
উল্লেখ্য,
১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের পাশাপাশি তুরস্ক ও ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
উৎস: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।
১৬০) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
মােহাম্মদউল্লাহ
তাজউদ্দিন আহমদ
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা:
সংসদ নেতা:
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
- সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
অপরদিকে,
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ও ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী যথাক্রমে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী, mujib100.gov.bd।
১৬১) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?
সুইডেন
যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাজ্য
জার্মানি
জার্মানি
ব্যাখ্যা:
Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।
উল্লেখ্য,
- এটি প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।
উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।
১৬২) সামরিক ভাষায় 'WMD' অর্থ কী?
Weapons of Mass Destruction
Worldwide Mass Destruction
Weapons of Missile Defence
Weapons for Massive Destruction
Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা:
WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ: Weapons of Mass Destruction.
- WMD বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।
⇒ Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon,
- Chemical Weapon,
০ Biological weapon.
উৎস: Britannica.
১৬৩) ২০২০ সালে প্রকাশিত “আইনের শাসন” সূচকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী দেশের নাম কী?
ডেনমার্ক
নরওয়ে
জার্মানি
সিঙ্গাপুর
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা:
২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা বৈশ্বিক আইনের শাসন' বা The World Justice Project' (WJP) সূচকের প্রতিবেদন অনুযায়ী শীর্ষ দেশ 'ডেনমার্ক'।
World Justice Project (WJP):
- World Justice Project একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি বিশ্বব্যাপী আইন ব্যবস্থা এবং সুশাসন নিয়ে কাজ করে থাকে।
- সংস্থাটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের আইন ব্যবস্থা এবং সুশাসনের অবস্থা পরিমাপ ও মূল্যায়ন করে বাষির্ক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
- ‘WJP Rule of Law Index' শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
⇒ ৮টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইনের শাসনের এই সূচক তৈরি করা হয়:
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা,
- নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতার প্রয়োগ,
- জননিরাপত্তা,
- মৌলিক অধিকার,
- দুর্নীতি,
- সরকারি তথ্য প্রকাশ,
- দেওয়ানি বিচার ও
- ফৌজদারি বিচার।
উল্লেখ্য,
⇒ World Justice Project Rule of Law Index-2023 অনুসারে:
- প্রকাশ: অক্টোবর, ২০২৩।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৪২টি।
• প্রতিবেদন অনুসারে:
- শীর্ষ দেশ:
1. ডেনমার্ক।
2. নরওয়ে।
3. ফিনল্যান্ড।
অন্যদিকে,
- সর্বনিম্ন দেশ: ভেনেজুয়েলা।
⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১২৭তম।
উৎস: World Justice Project ওয়েবসাইট।
১৬৪) জাতিসংঘের কোন সংস্থা বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়ােগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
WTO
MIGA
World Bank
UNCTAD
UNCTAD
ব্যাখ্যা:
UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫।
- সংস্থাটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য,
- UNCTAD এর বিশ্ব বিনিয়োগ রিপোর্ট ২০২৩ একটি বিস্তৃত বার্ষিক বিনিয়োগ ঘাটতি প্রকাশ করে যা উন্নয়নশীল দেশগুলি ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) অর্জনের জন্য কাজ করার সময় মোকাবেলা করে৷ এই ব্যবধানটি এখন প্রতি বছর প্রায় $৪ ট্রিলিয়ন - ২০১৫ সালে যখন SDGগুলি ছিল তখন $২.৫ট্রিলিয়ন থেকে গৃহীত।
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) বাৎসরিক যে রিপোর্টগুলো প্রকাশ করে সেগুলো হল:
- The Trade and Development Report,
- The Trade and Environment Review,
- The World Investment Report,
- The Least Developed Countries Report,
- The Technology and Innovation Report,
- Digital Economy Report ইত্যাদি।
উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।
১৬৫) আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে কোন দেশ?
নাইজেরিয়া
গাম্বিয়া
বাংলাদেশ
আলজেরিয়া
গাম্বিয়া
ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে মামলা করেন গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবু বকর মারি তামবাদু।
International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।
- বিচারক সংখ্যা: ১৫ জন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা এই বিচারকদের নির্বাচন করা হয়।
- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।
- এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আগ্রাসনমূলক অপরাধের জন্য ব্যক্তিদের বিচার করে।
উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
১৬৬) কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
রুয়ান্ডা
সিয়েরা লিয়ন
সুদান
লাইবেরিয়া
সিয়েরা লিয়ন
ব্যাখ্যা:
সিয়েরা লিওন:
- সিয়েরা লিওন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এর সাংবিধানিক নাম সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- সিয়েরা লিওনের উত্তর সীমান্তে গিনি, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে লাইবেরিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের দিকে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- এই দেশে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু বিদ্যমান।
- রাজধানী: ফ্রিটাউন।
- মুদ্রার নাম লিওন।
- এটি দেশের সর্ববৃহৎ শহর এবং অর্থনীতি ও রাজনীতির কেন্দ্রস্থল।
- সিয়েরা লিওন ১৯৬১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- সিয়েরা লিওন খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল।
- বিশেষ করে হীরা এ দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি।
- এ ছাড়া রয়েছে অন্যতম পণ্য টাইটানিয়াম ও বক্সাইট।
উল্লেখ্য,
- সিয়েরা লিওনের একটি রাস্তার নাম 'বাংলাদেশ' করা হয়েছে।
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
উৎস: Britannica.
১৬৭) জাতিসংঘ নামকরণ করেন -
রুজভেল্ট
স্টালিন
চার্চিল
দ্যা গল
রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ বা United Nations হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এ সংস্থার সদর দফতর অবস্থিত।
- শাখা অফিস রয়েছে জেনেভা, ভিয়েনা ও নাইরোবি।
- পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি স্বাধীন দেশ এ সংস্থার সদস্য।
- জাতিসংঘ নামটির ধারণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- আর্ন্তজাতিক উত্তেজনা হ্রাস ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের মাঝে বিরোধ মিমাংসায় জাতিসংঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
⇒ ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- রুজভেল্ট দীর্ঘ ১২ বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- রুজভেল্ট বিংশ শতাব্দীর দুটি সর্বশ্রেষ্ঠ সংকট: গ্রেট ডিপ্রেশন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ- এই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি'র প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনেই ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট প্রথমবারের মতো 'জাতিসংঘ (United Nations)' নামটি ব্যবহার করেন।
উৎস: Britannica.
১৬৮) কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
সৌদি আরব
মালয়েশিয়া
পাকিস্তান
তুরস্ক
তুরস্ক
ব্যাখ্যা:
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।
⇒ অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১৬৯) নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
১৯৪৫ সালে
১৯৪৯ সালে
১৯৪৮ সালে
১৯৫১ সালে
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা:
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১৭০) জার্মানীর প্রথম নারী চ্যান্সেলর কে?
অ্যানেগরেট ক্রাম্প
লিনা হেডরিচ
অ্যাঞ্জেলা মারকেল
পেট্রা কেলি
অ্যাঞ্জেলা মারকেল
ব্যাখ্যা:
জার্মানি:
- জার্মানি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত দেশ।
- প্রশাসনিক নাম: Federal Republic of Germany.
- রাজধানী: বার্লিন।
- মুদ্রার নাম: ইউরো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: জার্মান।
⇒ সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড।
⇒ জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর: অ্যাঞ্জেলা মারকেল।
- তিনি ২০০৫ সালে প্রথমবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
⇒ ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর জার্মানি দুইটি ভাগে বিভক্ত হয়।
- দুই জার্মানিকে পৃথককারী বার্লিন প্রাচীরের নির্মাণ শুরু হয় ১৩ আগস্ট ১৯৬১ সালে এবং এর পতন ঘটে ৯ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে।
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পশ্চিম ও পূর্ব জার্মানি আনুষ্টানিকভাবে পুনরায় একত্রিত হয়।
উৎস: Britannica.
১৭১) আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রােহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে কয়টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে?
৩টি
২টি
৫টি
৪টি
৪টি
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
⇒ রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (ICJ) গাম্বিয়ার করা মামলার প্রেক্ষিতে ২৩ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মিয়ানমারের প্রতি ৪টি অন্তর্বর্তী নির্দেশনা জারি করে। এই মামলায় মিয়ানমার ২০২১ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তার বক্তব্য পেশ করে।
International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।
- বিচারক সংখ্যা: ১৫ জন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা এই বিচারকদের নির্বাচন করা হয়।
- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।
- এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আগ্রাসনমূলক অপরাধের জন্য ব্যক্তিদের বিচার করে।
উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
১৭২) কোন দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালে নােবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়?
ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া
পেরু এবং ভেনেজুয়েলা
ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
মালি এবং সেনেগাল
ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয় ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী 'আবি আহমেদ আলী' কে। উল্লেখ্য, আবি আহমেদ আলী প্রতিবেশি দেশ ইরিত্রিয়ার সঙ্গে নিজ দেশের দ্বন্দ্বের অবসানে ভূমিকা রাখার জন্য তাঁকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
নোবেল পুরস্কার:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত নোবেল পুরস্কার।
- এটি নরওয়ে ও সুইডেন থেকে দেওয়া হয়।
⇒ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে নরওয়ে।
- নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এই পুরস্কার প্রদান করে।
- এটি নরওয়ে পার্লামেন্ট কর্তৃক গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি।
- সাহিত্য, চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে সুইডেন।
- সুইডেনের সুইডিশ একাডেমি প্রদান করে সাহিত্যে নোবেল।
- চিকিৎসায় নোবেল প্রদান করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
- পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস এ পক্ষ থেকে।
⇒ ২০২৩ সালের নোবেল বিজয়ী:
- সাহিত্য: জন ফসে।
- শান্তি: নার্গিস মোহাম্মদী।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান।
- পদার্থবিজ্ঞান: পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ এবং অ্যান লরিয়েল।
- রসায়ন: মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ।
- অর্থনীতি: ক্লদিয়া গোল্ডিন।
উৎস: Nobel Prizes ওয়েবসাইট।
১৭৩) ইনকা সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিরাজমান ছিল?
দক্ষিণ আমেরিকা
আফ্রিকা
মধ্যপ্রাচ্য
ইউরােপ
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা:
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।
উৎস: Britannica.
১৭৪) নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান?
কিউবা
ভিয়েতনাম
উজবেকিস্তান
সােমালিয়া
ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি:
- ১৪ নভেম্বর ২০০৫ সালে উজবেকিস্তান ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর ফলে উজবেকিস্তান রাশিয়ার কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক ঘাঁটির সুবিধাদি (সৈন্য + ঘাঁটি) পেয়ে আসছে।
- ভিয়েতনামের কাম রান এ রাশিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটি ছিল কিন্তু ২০০২ সালের পর তা আর তেমন সক্রিয় নেই।
- কিউবাতে রাশিয়ার একটি রেডিও ইলেকট্রনিক গোয়েন্দা কেন্দ্র ছিল যেটাকে সামরিক ঘাঁটি বলা যায় না।
- আর ভিয়েতনামে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে সৈন্য না থাকলেও ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান।
⇒ ভিয়েতনামের Cam Ranh Air Force Base ও Cam Ranh Naval Base ১৯৭৯ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) নিয়মিতভাবে ব্যবহার করে আসছিলো।
- পরবর্তীতে ২০১৩ সালের শেষের দিকে নৌবাহিনী ও ২০১৪ সাল থেকে বিমানবাহিনী পুনরায় বেস দুটি ব্যবহার শুরু করে।
উল্লেখ্য,
- উজবেকিস্তানে সোভিয়েত সময়কাল বাদে ২০০৬ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত Karshi-Khanabad Air Base কে রাশিয়া বিমান বাহিনীর ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে। - ২০১২ সালে উজবেকিস্তান সরকার দেশটিতে অবস্থিত সকল ধরণের বৈদেশিক সামরিক উপস্থিতি নিষিদ্ধ (ban) করে।
অন্যদিকে,
- সোমালিয়াতে রাশিয়ার কোন সামরিক ঘাঁটি নেই।
উৎস: Britannica.
১৭৫) ফিনল্যান্ড কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
রাশিয়া
ডেনমার্ক
সুইডেন
ইংল্যান্ড
সুইডেন
ব্যাখ্যা:
ফিনল্যান্ড:
- হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
- ফিনল্যান্ড নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হেলসিঙ্কি।
- দেশটি ঘন বনাঞ্চলে পূর্ণ এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের সীমান্ত তৈরি করে আছে।
- ফিনল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্তবর্তী দেশ সুইডেন ও পূর্ব সীমান্তবর্তী দেশ রাশিয়া।
- ১৮০৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন ফিনল্যান্ড সুইডেনের উপনিবেশ ছিল।
- এই সময়টাতে সুইডেন ফিনল্যান্ডকে তাদের উপনিবেশ হিসাবে ব্যবহার করতো।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা এডুসকুন্টা।
উল্লেখ্য,
- কয়েক হাজার বছর আগেও এটি বরফে ঢাকা ছিল।
- বরফের চাপে এখানকার ভূমি স্থানে স্থানে দেবে গিয়ে হাজার হাজার হ্রদের সৃষ্টি করেছে।
উৎস: Britannica.
১৭৬) এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
জিব্রাল্টার প্রণালী
বসফরাস প্রণালী
বাব এল মান্দেব প্রণালী
বেরিং প্রণালী
বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।
⇒ প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।
- পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।
অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
উৎস: World Atlas.
১৭৭) ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় কত সালে?
১৯১২ সালে
১৯১৩ সালে
১৯১৪ সালে
১৯১৫ সালে
১৯১২ সালে
ব্যাখ্যা:
ভারত:
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
উল্লেখ্য,
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জের অভিষেক অনুষ্ঠানে রাজা জর্জ ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।
- এলক্ষ্যে ১৯১২ সালে দিল্লিতে সরকারের অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হয়।
- দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।
এছাড়াও,
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদী।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম সাওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি)।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১৭৮) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কোন সালে গঠিত হয়?
১৯৪৪ সালে
১৯৪৫ সালে
১৯৪৮ সালে
১৯৪৯ সালে
১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা:
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯০টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
উল্লেখ্য,
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ২৯টি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক লেন-দেন ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য রাখার লক্ষ্য নিয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।
⇒ IMF-এর কাজ:
- IMF-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি অবশেষে সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আইএমএফ বহু উন্নয়নশীল দেশকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ও স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১৭৯) জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি করােনা ভাইরাসকে 'pandemic' ঘােষণা করেছে?
ECOSOC
FAO
WHO
HRC
WHO
ব্যাখ্যা:
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।
- বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহের জনস্বাস্থের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।
⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।
⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি অন্যান্য সংস্থা ও বিভাগ, এনজিও এবং জনসাধারনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- যে কোন রোগ-বালাই, নতুন রোগের সংক্রমণ বা জরুরি স্বাস্থ্যগত যেকোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবিত যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংস্থা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে
উল্লেখ্য,
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি (Pandemic) হিসেবে চিহ্নিত করে।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং প্রথম রোগী মারা যায় ১৮ মার্চ।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
১৮০) যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য ন্যূনতম কতজন ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়ােজন?
২৫০০
১৯৯১
১৯৫০
১৮৯০
১৯৯১
ব্যাখ্যা:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জিতেছেন ডেমোক্র্যাট জো বাইডেন। এই নির্বাচনে সুপার টুইসডে'র ফলাফলে এগিয়ে গিয়েছেন বাইডেন। ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জয় পেতে হলে বার্ণি বা বাইডেনের পেতে হতো ১৯৯১ ভেলিগেটের সমর্থন।
ডেমোক্রেটিক পার্টি:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি ডেমোক্রেটিক পার্টি, অন্যটি রিপাবলিকান পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির লোগো: গাধা।
- রিপাবলিকান পার্টির লোগো: হাতি।
উল্লেখ্য,
- জোসেফ রবিনেট বাইডেন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি।
- ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি ৪৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য বাইডেন।
উৎস: Britannica.
১৮১) মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
রূপান্তরিত শিলা
আগ্নেয় শিলা
পাললিক শিলা
মিশ্র শিলা
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা:
রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।
⇒ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।
⇒ রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ:
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।
অন্যদিকে,
• পাললিক শিলা: কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
• আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮২) মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
সিরাস
নিম্বাস
অল্টোকিউম্যুলাস
স্ট্রেটাস
অল্টোকিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা:
• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।
• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস
• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।
সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
১৮৩) ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলাে:
আপদ ঝুঁকি হ্রাস
জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
ব্যাখ্যা:
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস।
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৮৪) “বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
মেঘনা মােহনায়
সুন্দরবনের দক্ষিণে
পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
টেকনাফের দক্ষিণে
সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা:
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
⇒ ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান।
উৎস:১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৮৫) ‘বেঙ্গল ফ্যান’-ভূমিরূপটি কোথায় অবস্থিত?
মধুপুর গড়ে
বঙ্গোপসাগরে
হাওর অঞ্চলে
টারশিয়ারি পাহাড়ে
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
⇒ বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৮৬) UDMC-এর পূর্ণরূপ হলাে:
United Disaster Management Centre
Union Disaster Management Committee
Union Disaster Management Centre
None of the above
Union Disaster Management Committee
ব্যাখ্যা:
UDMC:
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
⇒ বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.
উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৮৭) একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম-
আইসােপ্লিথ
আইসোহাইট
আইসােহ্যালাইন
আইসোথার্ম
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা:
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।
উল্লেখ্য,
⇒ সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।
⇒ সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।
⇒ সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।
উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৮) বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?
ময়নামতি
পুণ্ড্রবর্ধন
পাহাড়পুর
সােনারগাঁ
পুণ্ড্রবর্ধন
ব্যাখ্যা:
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
অন্যদিকে -
পাহাড়পুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮৯) নিচের কোনটি সত্য নয়?
ইরাবদী মায়ানমারের একটি নদী
গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
ব্যাখ্যা:
গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- গোবি মরুভূমি দৈর্ঘ্য - ১০০০ মাইল (১৬০০ কিমি) এবং প্রস্থ - ৩০০ থেকে ৬০০ মাইল (৫০০ থেকে ১০০০ কিমি)।
- এই মরুভূমির আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
অন্যদিকে,
• সাজেক ভ্যালি:
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- এটি রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙ্গামাটির ছাদ।
এছাড়াও,
⇒ মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
⇒ ইরাবদী মিয়ানমারের দীর্ঘতম নদী।
উৎস: Britannica.
১৯০) দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
জানুয়ারি
ফেব্রুয়ারি
ডিসেম্বর
মে
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা:
গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
⇒ আফ্রিকার কিছু অংশ, দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
১৯১) “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক।” কে এই উক্তি করেন?
এইচ. ডি, স্টেইন
জন স্মিথ
মিশেল ক্যামডেসাস
এম, ডব্লিউ, পামফ্রে
মিশেল ক্যামডেসাস
ব্যাখ্যা:
সুশাসনের ধারণা:
- বিশ্বব্যাংক ও UNDP-এর মতে, সুশাসনের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষাসমূহকে প্রকাশ করতে পারে এবং তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- সব ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিকাশের জন্যও প্রয়োজন সুশাসন।
• 'সুশাসন' বিষয় সম্পর্কিত তাত্ত্বিক মিশেল ক্যামডেসাস (Michel Camdessus) বলেছেন যে, ‘রাষ্ট্রের সব ধরনের উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক' (Good Governance is important for countries at all stages of development)।
• জাতিসংঘের আফ্রিকা অঞ্চলের বিশেষ উপদেষ্টা ইব্রাহিম গানবারি সুশাসনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে বলেছেন যে, ‘যে সমস্ত রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শুধুমাত্র সে সমস্ত দেশেই ঋণ মওকুফ করা হবে'।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯২) 'Political Ideals' গ্রন্থের লেখক কে?
মেকিয়াভেলি
রাসেল
প্লেটো
এরিস্টটল
রাসেল
ব্যাখ্যা:
বার্ট্রান্ড রাসেল:
- রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল তার 'মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তি'কে ওপরে তুলে ধরা তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ।
⇒ বার্ট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো -
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.
উৎস: i) শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৯৩) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
অনুচ্ছেদ ১৩
অনুচ্ছেদ ১৮
অনুচ্ছেদ ২০
অনুচ্ছেদ ২৫
অনুচ্ছেদ ১৮
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে,
- জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
⇒ ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
- গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অন্যদিকে,
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি।
- ২০ নং অনুচ্ছেদে অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম সম্পর্কে উল্লেখ আছে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির কথা সম্পর্কে উল্লেখ। উক্ত অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৯৪) মূল্যবােধের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলাে-
বিভিন্নতা
পরিবর্তনশীলতা
আপেক্ষিকতা
উপরের সবগুলােই
উপরের সবগুলােই
ব্যাখ্যা:
মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- স্থান, কাল পাত্রভেদে মূল্যবোধ বিভিন্ন রূপ হয়।
- মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল।
মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
• সামাজিক মাপকাঠি:
- মানুষের কর্মকাণ্ডের ভালো-মন্দ বিচার করার ভিত্তিই হচ্ছে মূল্যবোধ।
- মূল্যবোধ মানুষের আচার-ব্যবহার, ধ্যান-ধারণা, চাল-চলন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করার মাপকাঠি স্বরূপ।
• যোগসূত্র ও সেতুবন্ধন:
- মূল্যবোধ সমাজের মানুষকে ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ করে।
- একই রীতি-নীতি, আচার- অনুষ্ঠান ও আদর্শের ভিত্তিতে সমাজের সকলে পরস্পর মিলিত ও সংঘবদ্ধ হয়ে জীবনযাপন করে।
• নৈতিক প্রাধান্য:
- মূল্যবোধ আইন নয়।
- এর বিরোধিতা বেআইনি নয়।
- এটা মূলত একপ্রকার সামাজিক নৈতিকতা।
- মূল্যবোধের প্রতি সমাজে বসবাসকারী মানুষের শ্রদ্ধাবোধ আছে বলে মানুষ এটা মনে করে।
• বিভিন্নতা:
- মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে, দেশ জাতি, সমাজ ও প্রকৃতিভেদে মূল্যবোধের পরিবর্তন হয় এবং স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের পার্থক্য সৃষ্টি হয়।
- যেমন- পাশ্চাত্য দেশে মেয়েরা যে পোশাক পরে আমাদের দেশে মেয়েদের জন্য সে পোশাক সমাজ কর্তৃক গ্রহণযোগ্য নয়।
• বৈচিত্রময়তা ও আপেক্ষিকতা:
- মূল্যবোধ বৈচিত্রময় ও আপেক্ষিক।
- আজ যা মূল্যবোধ বলে পরিগণিত, কাল তা সেভাবে বিবেচ্য নাও হতে পারে।
• পরিবর্তনশীলতা ও নৈর্ব্যক্তিকতা:
- মূল্যবোধের প্রধান বৈশিষ্ট্য এর পরিবর্তনশীলতা।
- সমাজ নিয়ত পরিবর্তনশীল।
- আর এ পরিবর্তনের সাথে সাথে সমাজ অনুসৃত মূল্যবোধগুলোরও পরিবর্তন সাধিত হয়।
- অতীতের অনেক মূল্যবোধ বর্তমানে আমাদের কাছে অর্থহীন।
- যেমন- বাল্যবিবাহ ও সতীদাহ প্রথা।
- আবার বর্তমানের অনেক মূল্যবোধ ভবিষ্যতে নাও থাকতে পারে।
= মূল্যবোধ নৈর্ব্যক্তিক।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৫) প্লেটো “সদণ্ডণ” বলতে বুঝিয়েছেন-
প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়
অপ্রত্যয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ
সুখ, ভালোত্ব ও প্রেম
প্রজ্ঞা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সুখ ও ন্যায়
প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়
ব্যাখ্যা:
সদ্গুণ:
- ইংরেজিতে যাকে Virtue বলে বাংলায় তাকেই আমরা সদ্গুণ বলি।
- Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা।
- এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদ্গুণ বলা হয়।
⇒ প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন।
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।
উল্লেখ্য,
- এটা স্পষ্ট যে, এই নীতি গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে যে সদ্গুণের সৃষ্টি হয় তা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য সকল কিছুর বেলায়ই সকল কাজকর্মে একজন ব্যক্তিকে একই নীতি অনুসরণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে।
- আর এভাবেই মনুষ্য-সমাজের বাইরেও নৈতিকতা বিস্তৃত হয়।
উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬) মূল্যবোধ দৃঢ় হয়-
শিক্ষার মাধ্যমে
সুশাসনের মাধ্যমে
ধর্মের মাধ্যমে
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে
শিক্ষার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা:
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরণের মাধ্যমে।
- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
- তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।
⇒ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৭) কোন মূল্যবোধ রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত?
সামাজিক মূল্যবোধ
ইতিবাচক মূল্যবোধ
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
নৈতিক মূল্যবোধ
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা:
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের অন্যের মতামত ও মনোভাবকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের নাগরিককে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠিস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিতে হয়।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মানুষকে পারস্পরিক সখে-দঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হয়।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত।
⇒ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি হচ্ছে উদারতাবাদ।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ, বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান, নির্বাচনে জয়পরাজয়কে মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি হয়।
- এর ফলে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।
উল্লেখ্য,
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে।গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের নাগরিককে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠিস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিতে হয়। তাই বলা যায়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত।
অন্যদিকে, ইতিবাচক মূল্যবোধ বা সামাজিক মূল্যবোধ দেশ অথবা সমাজ ভেদে ভিন্নরকম। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নেওয়া হয়েছে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৮) কে ‘কর্তব্যের নৈতিকতা’র ধারণা প্রবর্তন কৱেন?
হ্যারল্ড উইলসন
এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন
জন স্টুয়ার্ট মিল
ইমানুয়েল কান্ট
ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা:
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’-ধারণাটির প্রবর্তক - ইমানুয়েল কান্ট।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৯৯) সভ্যতার অন্যতম প্রতিচ্ছবি হলাে -
সুশাসন
রাষ্ট্র
নৈতিকতা
সমাজ
সমাজ
ব্যাখ্যা:
সভ্যতা (Civilization):
- সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধারা তথা সংস্কৃতির উন্নত ধরন।
• ম্যাকাইভার এবং পেজের মতে আমরা যা তা হলো সংস্কৃতি এবং আমরা যা ব্যবহার করি তা হলো সভ্যতা।
• স্কটের মতে 'সভ্যতা হচ্ছে একটি উচ্চতর জটিল বিষয় যা সংস্কৃতির সাথে আপেক্ষিকতার আলোকে তুলনা করা হয়।'
• বটোমোরের মতে 'সভ্যতা হলো কতকগুলো নির্দিষ্ট মানবগোষ্ঠীর অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসমূহের সমন্বয়'।
• জেরি এবং জেরি বলেন, “সভ্যতা হচ্ছে সংস্কৃতির উন্নত ধরন যেমন- কেন্দ্রীয় সরকার, শিল্পকলা ও শিক্ষণের উন্নয়ন, নীতি-নৈতিকতার সমন্বিত রূপ যা নগরের সাথে সম্পর্কিত এবং বৃহত্তর সমাজ যার মধ্যে নির্দিষ্ট।”
⇒ সব মিলিয়ে বলা যায়, সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধারা তথা সংস্কৃতির উন্নত ধরন।
- সভ্যতা প্রযুক্তিবিদ্যা, বস্তুগত সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সমষ্টিকে বোঝায়।
- সভ্যতা হচ্ছে সংস্কৃতির অধিকতর অগ্রসর ও জটিল বিষয় যা বিভিন্ন সমাজে প্রবাহিত হয়।
- অর্থাৎ, সমাজ সভ্যতার প্রতিচ্ছবি।
- সমাজের বিশ্লেষণ করেই সভ্যতার সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
উৎস: সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০) “সুশাসন চারটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল” - এই অভিমত কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
জাতিসংঘ
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
বিশ্বব্যাংক
এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা:
বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
⇒ চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।