১) দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
তৃতীয়া বিভক্তি
প্রথমা বিভক্তি
দ্বিতীয়া বিভক্তি
শূন্য বিভক্তি
তৃতীয়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা:
• বিভক্তি:
যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।
বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা:
- প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: ০, অ।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি : কে, রে।
- তৃতীয়া বিভক্তি : দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
- চতুর্থী বিভক্তি : কে, রে।
- পঞ্চমী বিভক্তি : হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
- ষষ্ঠী বিভক্তি : র, এর।
- সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) 'অভিরাম' শব্দের অর্থ কী?
বিরামহীন
বালিশ
চলন
সুন্দর
সুন্দর
ব্যাখ্যা:
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'অভিরাম' শব্দের অর্থ- সুন্দর।
অন্যদিকে,
• 'অবিরাম' শব্দের অর্থ- অনবরত,বিরামহীন।
• 'উপাধান' শব্দের অর্থ- বালিশ।
• 'চলন' শব্দের অর্থ- গমন, ভ্রমণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩) বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
কারক
লিখিত
বেদনা
খেলনা
খেলনা
ব্যাখ্যা:
• বাংলা কৃৎ -প্রত্যয় সাধিত শব্দ:
-(√খেল+অনা)।
অন্যদিকে,
- সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারক (√কৃ+অক),
- সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ লিখিত (√লিখ +ত),
- সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ বেদনা (√বিদ + অন + আ)।
উৎস: উচ্চতর স্বনির্ভর বিশুদ্ধ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪) 'গির্জা' কোন ভাষার অন্তর্গত শব্দ?
ফারসি
পর্তুগিজ
ওলন্দাজ
পাঞ্জাবি
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা:
• বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'গির্জা' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত।
• শব্দের অর্থ:
- খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়।
• গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পর্তুগিজ শব্দ:
- আনারস,
- আলপিন,
- আলমারি,
- গির্জা,
- গুদাম,
- চাবি,
- পাউরুটি,
- বালতি ইত্যাদি।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৫) 'Attested'- এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
সত্যায়িত
প্রত্যয়িত
সত্যায়ন
সংলগ্ন/সংলাগ
সত্যায়িত
ব্যাখ্যা:
• 'Attested' এর বাংলা পরিভাষা- 'সত্যায়িত'।
অন্যদিকে,
Certified - প্রত্যয়িত,
Attestation - সত্যায়ন, প্রত্যয়ন,
Attached - সংলগ্ন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
৬) কোনটি শুদ্ধ বানান?
প্রজ্বল
প্রোজ্জল
প্রোজ্বল
প্রোজ্জ্বল
প্রোজ্জ্বল
ব্যাখ্যা:
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান: 'প্রোজ্জ্বল'।
• 'প্রোজ্জ্বল' শব্দের অর্থ:
- বিশেষভাবে উজ্জ্বল।
• কয়েকটি শুদ্ধ বানান:
- কৌতূহল,
- মন্ত্রিসভা,
- মুমূর্ষু,
- সমীচীন,
- স্বায়ত্তশাসন,
- প্রতিযোগিতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৭) 'জোছনা' কোন শ্রেণির শব্দ?
যৌগিক
তৎসম
দেশি
অর্ধ-তৎসম
অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যা:
• ‘জোছনা’ অর্ধ-তৎসম শব্দ।
- এটি 'জ্যোৎস্না' সংস্কৃত শব্দ থেকে সৃষ্টি।
অর্থ: চাঁদের আলো; কৌমুদী।
• তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধ-তৎসম মানে আধাসংস্কৃত। তৎসম শব্দ থেকে বিকৃত উচ্চারণের ফলে অর্ধ-তৎসম শব্দ উৎপন্ন হয়ে থাকে।
- আরো কিছু অর্ধ-তৎসম শব্দ দেওয়া হলো: ‘গিন্নি’ ও ‘কেষ্ট’।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৮) 'জিজীবিষা' শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
জয়ের ইচ্ছা
হত্যার ইচ্ছা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা
শোনার ইচ্ছা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা:
• 'বেঁচে থাকার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- জিজীবিষা।
অন্যদিকে,
• জয়ের ইচ্ছা - জিগীষা।
• হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা - জিঘাংসা।
• শ্রবণ (শোনার) করার ইচ্ছা - শ্রবণেচ্ছা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা একাডেমী অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৯) 'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়-
সর্বঙ্গ + ঈন
সর্ব + অঙ্গীন
সর্ব + ঙ্গীন
সর্বাঙ্গ + ঈন
সর্বাঙ্গ + ঈন
ব্যাখ্যা:
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'সর্বাঙ্গী্ণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয়: 'সর্বাঙ্গ + ঈন'।
- 'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের অর্থ- সর্বাঙ্গব্যাপী।
-----------------------------
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন
- বাঘ+আ=বাঘা;
- দিন+ইক = দৈনিক;
- দুল্+অনা = দোলনা;
- কৃ+তব্য = কর্তব্য।
• তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
- উপরের উদাহরণে ‘আ’ ও ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং ‘বাঘা’ ও দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।
• কৃৎপ্রত্যয় বলে:
- অন্যদিকে ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
- উপরের উদাহরণে, ‘অনা’ ও ‘তব্য’ হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং ‘দোলনা’ ও ‘কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ও প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ৯ম - ১০ম শ্রেণি (২০২১)।
১০) অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়-
বেতসবৃত্তি
পতঙ্গবৃত্তি
জলৌকাবৃত্তি
কুম্ভিলকবৃত্তি
কুম্ভিলকবৃত্তি
ব্যাখ্যা:
• কুম্ভিলক (বিশেষ্য পদ):
- এটি প্রাকৃত শব্দ।
অর্থ: যে ব্যক্তি অন্যের রচনার ভাব বা ভাষা নিজের নামে চালায়।
• অন্যের রচনা থেকে চুরি করা বা অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করাকে বলা হয় - কুম্ভিলকবৃত্তি (plagiarism)।
• প্লেজিয়ারিজম:
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করা কিংবা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারণা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism).
অর্থাৎ অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
অন্যদিকে,
• পতঙ্গবৃত্তি (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ্
অর্থ: আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কীটপতঙ্গের আগুনে ঝাঁপ দেওয়ার প্রবণতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১) 'ঊর্ণনাভ' শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
টিকটিকি
তেলেপোকা
উইপোকা
মাকড়সা
মাকড়সা
ব্যাখ্যা:
• 'ঊর্ণনাভ' শব্দটি দিয়ে বুঝায়- মাকড়সা।
--------------
• ঊর্ণনাভ, ঊর্ণনাভি ( বিশেষ্য) শব্দ:
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় - [√ঊর্ণ+অহমিয়া(অচ্) ]- [ঊর্ণ+নাভি; বহুব্রীহি সমাস]।
• শব্দের অর্থ:
- মাকড়সা ( ঊর্ণনাভ জাল বুনে চলে- আহসান হাবীব)।
• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ:
অক্ষিব- সামুদ্রিক লবণ,
অকিঞ্চন- নিঃস,
অনিল- বাতাস,
অনূক- মূত্রস্থলী,
অনূপ- জলাশয়,
অনর্ঘ- অতি দামি,
ইনাম- পুরস্কার।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিগম্য অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১২) বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন-
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্যারীচাঁদ মিত্র
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা আধুনিক উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩) 'কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে।
সন্ধ্যাবেলায় দ্বীপ জ্বালার আগে
সকাল বেলায় সলতে পাকানো' - বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
নৌকাডুবি
চোখের বালি
যোগাযোগ
শেষের কবিতা
যোগাযোগ
ব্যাখ্যা:
• “কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দ্বীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো”
বাক্যদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “যোগাযোগ” উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে।
• 'যোগাযোগ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস প্রথমে তিন পুরুষ নামে বিচিত্রা মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে উপন্যাসের নাম হয় যোগাযোগ।
- নায়িকা কুমুদিনী ও নায়ক মধুসূদনের ব্যক্তিত্বের তীব্র বিরোধ উপন্যাসের কেন্দ্র।
- শেষ পর্যন্ত স্বামীর কাছে কুমুদিনীর দ্বিধান্বিত সমর্পণে কাহিনির সমাপ্তি হলেও কুমুদিনীর মধ্যে এক বিদ্রোহী নারীর রূপ স্পষ্ট হয়।
অন্য অপশন,
• 'নৌকাডুবি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নৌকাডুবি' একটি সামাজিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৩১০-১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি লেখা হয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে।
- উপন্যাসটির মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, অন্নদাবাবু, নলিনাক্ষ।
• 'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন।
- এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রধান চরিত্র - বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী, রাজলক্ষী প্রমুখ।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্র’র স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।
• শেষের কবিতা:
- শেষের কবিতা (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে।
- ভাষার অসমান্য ঔজ্জ্বল্য,দৃপ্তিশক্তি ও কবিত্বের দীপ্তি এই গ্রন্থটিকে এমন স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে, যার জন্য এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের বিস্ময়কর সৃষ্টির অন্যতম।
- অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এই উপন্যাসের চরিত্র।
-------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ছোট গল্পের জনক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'বৌঠাকুরানীর হাট' (১৮৮৩)।
- কিন্তু প্রথম লেখা উপন্যাস 'করুণা'।
• তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।
উৎস: যোগাযোগ উপন্যাস, বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
একটি কালো মেয়ের কথা
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
আয়নামতির পালা
ইছামতী
একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যা:
• 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে।
- এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখিত উপন্যাস ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ রচনা করেছিলেন শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
- উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে।
- এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।
জবানবন্দিতে ডেভিড বলেছে:
'এরই মধ্যে এই দেশটাকে এমন করে ভালবেসে ফেললাম যে এই আমার সব থেকে ভালো দেশ, এর থেকে ভালো দেশ আর নেই। আর এই দেশই আমার দেশ।'
অন্যদিকে,
• 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাস:
- আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস তেইশ নম্বর তৈলচিত্র।
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (পরিচালক: সুভাষ দত্ত) উপন্যাস অবলম্বনে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
'ইছামতী' উপন্যাস:
- ‘ইছামতী’ ১৯৫০ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি লেখকের শেষ উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের জন্য তিনি 'রবীন্দ্র পুরস্কার' লাভ করেন।
- ইছামতি নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভবানী বাঁড়ুয্যে কিংবা তার পুত্রত্রয় তিলু, বিলু, নীলু।
------------------------------
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।
তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫) 'কালো বরফ' উপন্যাসটির বিষয়:
তেভাগা আন্দোলন
ভাষা আন্দোলন
মুক্তিযুদ্ধ
দেশভাগ
দেশভাগ
ব্যাখ্যা:
• মাহমুদুল হক:
- তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর লিখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা ছিল চমকপ্রদ।
তাঁর রচিত উপন্যাস হচ্ছে:
• কালো বরফ (এই উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে)
• জীবন আমার বোন (এই উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত)
• খেলাঘর (মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক)
• অনুর পাঠশালা,
• নিরাপদ তন্দ্রা,
• অশরীরী,
• পাতালপুরী,
• মাটির জাহাজ ইত্যাদি।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬) 'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
রামানন্দ চট্রোপাধ্যায়
শামসুর রাহমান
সিকান্দার আবু জাফর
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা:
• 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন- 'কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার'।
'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকা:
- 'ঢাকা প্রকাশ' হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- এটির সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- পত্রিকাটি ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙালা যন্ত্র’ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ঢাকা প্রকাশ প্রায় ১০০ বছর টিকে ছিলো।
- ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। পরিচালকগণের মধ্যে প্রধান ছিলেন ব্রজসুন্দর মিত্র, দীনবন্ধু মৌলিক, ঈশ্বরচন্দ্র বসু, চন্দ্রকান্ত বসু প্রমুখ। ।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৭) 'জীবনস্মৃতি' কার রচনা?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
• 'জীবনস্মৃতি' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী গ্রন্থ।
• জীবনস্মৃতি:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী গ্রন্থ।
- ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাল্মীকিপ্রতিভা রচনার সময় থেকে কবি সম্পূর্ণভাবে গান ও কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।
- তিনি রচনা করেন সন্ধ্যাসংগীত (১৮৮২) ও প্রভাতসংগীত (১৮৮৩)। এ সময়ের অনুভূতি কবির জীবনে একটি স্মরণীয় ঘটনা; জীবনস্মৃতিতে তিনি তা ব্যক্ত করেছেন।
-----------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ।
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- পঞ্চভূত,
- বিচিত্রপ্রবন্ধ,
- সাহিত্য,
- মানুষের ধর্ম,
- কালান্তর,
- সভ্যতার সংকট।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮) দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
প্যারীচাঁদ মিত্র
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
প্রমথ চৌধুরী
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
-------------------
দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- এটি নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে দিনবন্ধু মিত্রের নাটক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে A Native ছদ্মনামে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে “নীল- দর্পণ” নাটকটি অনুবাদ করেন।
- ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর “নীল দর্পন” নাটকের অভিনয় দেখে মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় “নীল দর্পন” নাটকটিকে uncle toms cabin এর সাথে তুলনা করেছেন।
- ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটে।
দীনবন্ধু মিত্রের উল্লেখযোগ্য নাটক:
- নীল-দর্পন,
- নবীন তপস্বিন,
- কমলে কামিনী।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৯) 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি' -চরণ দুটির রচয়িতা কে?
চণ্ডীচরণ মুনশী
কাজী নজরুল ইসলাম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যা:
• 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি' পঙ্ক্তিটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার এর 'আমার পণ' কবিতার অন্তর্গত।
• মদনমোহন তর্কালঙ্কার:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বিল্বগ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পারিবারিক উপাধি ‘চট্টোপাধ্যায়’ হলেও প্রাপ্ত উপাধি ‘তর্কালঙ্কার’ হিসেবেই তিনি সুপরিচিত।
- তিন খণ্ডে প্রকাশিত তাঁর শিশু শিক্ষা (১৮৪৯ ও ১৮৫৩) শিশুদের উপযোগী একটি অনন্যসাধারণ গ্রন্থ।
- ‘পাখী সব করে রব রাতি পোহাইল’ শিশুপাঠ্য এই বিখ্যাত কবিতাটি তাঁরই রচনা।
মদনমোহনের মৌলিক কাব্যগ্রন্থ:
- রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) ও
- বাসবদত্তা (১৮৩৬)।
আমার পণ- কবিতা,
--------------মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভাল মনে।
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালবাসি,
এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি।
ভাল ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।
সুখী যেন নাহি হই আর কারো দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দেই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারো সনে
সকালে উঠিয়া এই বলি মনে মনে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২০) চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে?
খ্রিস্টধর্ম
প্যাগনিজম
জৈনধর্ম
বৌদ্ধধর্ম
বৌদ্ধধর্ম
ব্যাখ্যা:
• চর্যাপদে — বৌদ্ধধর্ম ধর্মমতের কথা উল্লেখ আছে।
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপডিয়া।
২১) শরতের শিশির -বাগধারার অর্থ কী?
সুসময়ের বন্ধু
সুসময়ের সঞ্চয়
শরতের শোভা
শরতের শিউলি ফুল
সুসময়ের বন্ধু
ব্যাখ্যা:
• 'শরতের শিশির' বাগ্ধারার অর্থ - সুসময়ের বন্ধু বা ক্ষণস্থায়ী।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
'কচু বনের কালাচাঁদ' বাগধারার অর্থ- 'অপদার্থ'।
'ঢাকের বাঁয়া' বাগধারার অর্থ- 'যার কোন মূল্য নেই'।
'নারকের ঢেঁকি' বাগধারার অর্থ- 'বিবাদের বিষয়'।
'সোনার কাঠি রূপার কাঠি' বাগধারার অর্থ- 'বাঁচামরার লড়াই'।
'তাসের ঘর' বাগধারার অর্থ- 'ক্ষণস্থায়ী'।
'চোখের বালি' বাগধারার অর্থ- 'চক্ষুশূল'।
'গুড়ে বালি' বাগধারার অর্থ- 'আশায় নৈরাশ্য'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২) শিব রাত্রির সলতে- বাগধারটির অর্থ কী?
শিবরাত্রির আলো
একমাত্র সঞ্চয়
একমাত্র সন্তান
শিবরাত্রির গুরুত্ব
একমাত্র সন্তান
ব্যাখ্যা:
• শিবরাত্রির সলতে বাগধারাটির অর্থ - একমাত্র সন্তান বা বংশধর।
বাক্য গঠন: দুলাল বা- মার শিবরাত্রির সলতে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারা টির অর্থ - কদাচিৎ।
- ‘ডাকাবুকো’ বাগধারা টির অর্থ - নির্ভীক।
- ‘পায়া ভারি’ বাগধারা টির অর্থ - অহঙ্কার।
- ‘কানকাটা’ বাগধারা টির অর্থ - বেহায়া।
- ‘বকধার্মিক’ বাগধারা টির অর্থ - ভণ্ড।
- 'ঝিঙেফুল' ফোটা বাগধারার অর্থ - আয়ু ফুরিয়ে আসা।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩) বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩) 'প্রোষিতভর্তৃকা'- শব্দটির অর্থ কী?
ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী
যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
ভূমিতে প্রোথিত তরুমূল
যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে
যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
ব্যাখ্যা:
• ‘প্রোষিতভর্তৃকা’- শব্দটির অর্থ যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন:
- 'যে নারীর পঞ্চ স্বামী' - 'পঞ্চভর্তৃকা'।
- 'যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই'- অনসূয়া।
- 'যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে' - 'প্রোষিতভার্য'।
- ‘লাভ করার ইচ্ছা’ - লিপ্সা।
- ‘জয় করার ইচ্ছা’ - জিগীষা।
- ‘ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা’ - তিতীর্ষা।
- ‘মুক্তি পেতে ইচ্ছা’ - মুমুক্ষা।
- ‘গমন করার ইচ্ছা’ - জিগমিষা।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪) উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন?
কাহ্নপাদ
লুইপাদ
শান্তিপাদ
রমনীপাদ
রমনীপাদ
ব্যাখ্যা:
• চর্যাপদের কবিগণ:
চর্যার কবিতের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
এরা হলেন-
- কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেগুণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডুরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।
অপশনের কবিগণের,
রমনীপাদ - প্রাচীন যুগের কবি নন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২৫) উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?
ময়মনসিংহ গীতিকা
ইউসুফ জুলেখা
পদ্মাবতী
লাইলী মজনু
ময়মনসিংহ গীতিকা
ব্যাখ্যা:
• পুঁথি সাহিত্য:
- পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল।
- এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।
- পুঁথি সাহিত্যের আদি ও সার্থক কবি হলেন ফকির গরীবুল্লাহ
বিষয়বস্তু অনুসারে পুঁথি সাহিত্যকে কয়েক ভাগে বিভক্ত করা যায়-
১) প্রণয়োপাখ্যান জাতীয় কাব্য:
ইউসুফ জোলেখা, সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামান, লাইলী মজনু, পদ্মাবতী, গুলে বাকওয়ালী ইত্যাদি।
২) যুদ্ধ সম্পর্কিত কাব্য:
জঙ্গনামা, আমীর হামজা, সোনাভান, কারবালার যুদ্ধ ইত্যাদি।
৩) পীর পাঁচালি।
- গাজী কালু চম্পাবতী, সত্যপীরের পুঁথি।
৪) ইসলাম ধর্ম, ইতিহাস নবী আউলিয়ার জীবনী ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কিত কাব্য
অন্যদিকে,
• মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬) জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :
ফকির গরীবুল্লাহ
নরহরি চক্রবর্তী
বিপ্রদাস পিপিলাই
বৃন্দাবন দাস
বৃন্দাবন দাস
ব্যাখ্যা:
• বৃন্দাবন দাস ও জীবনীকাব্য:
- বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন বৃন্দাবন দাস।
- বাংলা ভাষায় রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীকাব্য বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্যভাগবত'।
- তাঁর কাব্য প্রথমত 'চৈতন্যামঙ্গল' নামে পরিচিত ছিল।
- পরে এ কাব্যে ভাগবতের প্রভাব ও লীলা পর্যায় দেখে এর নাম চৈতন্যভাগবত রাখা হয়।
- কাব্যটির রচনাকাল সম্ভবত ১৫৪৮ সাল।
উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৭) বৈষ্ণব পদাবলীর সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?
সন্ধ্যাভাষা
অধিভাষা
ব্রজবুলি
সংস্কৃত ভাষা
ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা:
• বৈষ্ণব পদাবলি:
- মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল - বৈষ্ণব পদাবলি।
- এর নায়ক নায়িকা - রাধা ও কৃষ্ণ।
- বৈষ্ণব পদাবলির উল্লেখযোগ্য রচয়িতা - বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলির সাথে সম্পর্কিত ভাষা হচ্ছে - ব্রজবুলি ভাষা।
- ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্র ভাষা।
- ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা।
- মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হল ব্রজবুলি ভাষা। পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এর উদ্ভাবন করেন।
অন্যদিকে,
• চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন।
উৎস: লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮) জসীম উদ্দীনের রচনা কোনটি?
যাদের দেখেছি
পথে-প্রবাসে
কাল নিরবধি
ভবিষ্যতের বাঙালি
যাদের দেখেছি
ব্যাখ্যা:
• ‘যাঁদের দেখেছি’ গ্রন্থ:
- জসীমউদ্দীন রচিত স্মৃতিকথামূলক সুখপাঠ্য গদ্যগ্রন্থ।
- গদ্যগ্রন্থটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।
• এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গদ্যগুলো হলো:
- নজরুল,
- পরিশিষ্ট,
- শরৎ-সন্নিধানে,
- দীনেশচন্দ্র,
- সিরাজী-স্মৃতি,
- আমার বন্ধু কুদরতউল্লাহ্ সাহাব।
অন্যদিকে,
- 'পথে প্রবাসে' আন্নদাশঙ্কর রায়ের বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
• 'কাল নিরবধি' গ্রন্থটি লিখেছেন: 'ড. আনিসুজ্জামান'।
- আনিসুজ্জামান স্মৃতিকথা লিখেছেন তিনটি: ১. আমার একাত্তর (১৯৯৭) ; ২. কাল নিরবধি (২০০৩) ; ৩. বিপুলা পৃথিবী (২০১৫)।
'কাল নিরবধি'- তাঁর এক ধরনের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ।
'ভবিষ্যতের বাঙালি' (১৯৪৩) এস ওয়াজেদ আলী রচিত প্রবন্ধ৷
----------------------
• জসীমউদ্দীন:
- জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
• কবি জসীমউদ্দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।
• জসীমউদ্দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।
• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘যাঁদের দেখেছি’ গদ্যগ্রন্থ।
২৯) 'কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না'- উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি'
শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী'
শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি'
বঙ্কিমচন্দ্রের 'রাজসিংহ'
বঙ্কিমচন্দ্রের 'রাজসিংহ'
ব্যাখ্যা:
‘রাজসিংহ' উপন্যাস:
• ‘রাজসিংহ'(১৮৮২) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
• বঙ্কিমচন্দ্র ‘রাজসিংহ’কে একমাত্র ঐতিহাসিক উপন্যাস বলে আখ্যায়িত করেছেন।
• ‘রাজসিংহ' উপন্যাসের চতুর্থ সংস্করণের বিজ্ঞাপনে বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন, 'আমি পূর্বে কখনও ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখি নাই। ‘দুর্গেশনন্দিনী' বা ‘চন্দ্রশেখর' বা 'সীতারাম'কে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যাইতে পারে না। এই প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখিলাম।
• 'রাজস্থানের চঞ্চলকুমারীকে মোগলসম্রাট আওরঙ্গজেবের বিয়ের ইচ্ছার ফলে রানা রাজসিংহের সঙ্গে তাঁর বিরোধ এবং বিরোধে রাজসিংহের জয় ও চঞ্চলকুমারী লাভ- এই মূল ঘটনাবলম্বনে উপন্যাসটি পরিকল্পিত।
• উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো: ঔরঙ্গজেব, রাজসিংহ, জেবউন্নিসা, উদিপুরী।
• ‘কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’- এই উপন্যাসের একটি বিখ্যাত উক্তি।
------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুটি তত্ত্বমূলক উপন্যাস হলো আনন্দমঠ ও দেবী চৌধুরাণী।
• তাঁর অন্যান্য উপন্যাস সমূহ:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘রাজসিংহ’ উপন্যাস।
৩০) ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
অক্ষয়কুমার দত্ত
এন্টনি ফিরিঙ্গি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কালীপ্রসন্নসিংহ ঠাকুর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
• ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৩৩ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন, যেখানে তিনি 'ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর প্রভাবক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, যিনি স্বদেশপ্রেম ও আধুনিক চিন্তার দ্বারা তরুণদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ডিরোজিওর প্রভাবেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠীতে যোগ দেন এবং এর আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হন।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী:
উৎপত্তি: 'ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠী হিন্দু কলেজের অধ্যাপক ডিরোজিওর প্রভাবিত একদল তরুণ ছাত্রের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
প্রধান সদস্যরা: এই গোষ্ঠীর প্রধান সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
বৈশিষ্ট্য: এই ছাত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা ছিলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান ও ইংরেজি শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহী। তারা হিন্দুধর্মের প্রচলিত প্রথা এবং ঐতিহ্যের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং হিন্দু ঐতিহ্য নিয়ে কঠোর সমালোচনা করতেন।
সংঘের আদর্শ: প্রচলিত হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং আধুনিকতার প্রতি বিশ্বাসই তাদের ঐক্যের মূল ভিত্তি ছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, ধর্ম ও নীতি গঠনে তাঁদের বিশিষ্ট ভূমিকা ছিল।
মাইকেল মধুসূদনের ভূমিকা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ডিরোজিওর আদর্শে প্রভাবিত হয়ে ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত হন এবং আধুনিক চিন্তা ও সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
উৎস: "বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা" — ড. সৌমিত্র শেখর।
৩১) 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়েছে?
১৯২৩ সন
১৯২১ সন
১৯১৯ সন
১৯১৮ সন
১৯২১ সন
ব্যাখ্যা:
• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
- ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কবি নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি লেখেন।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতা ২২ পৌষ, ১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।
[অপশনে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার প্রকাশ সাল না থাকায়, কবিতার রচনা সাল অনুসারে উত্তর গ্রহণ করা হলো।]
উল্লেখ্য,
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।
'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা গুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা),
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধুমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী এবং
- মোহররম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া।
৩২) 'আগুন পাখি'- উপন্যাসের রচয়িতা কে?
রাহাত খান
হাসান আজিজুল হক
সেলিনা হোসেন
ইমদাদুল হক মিলন
হাসান আজিজুল হক
ব্যাখ্যা:
• 'আগুনপাখি' উপন্যাসের রচয়িতা - হাসান আজিজুল হক।
---------------------
• হাসান আজিজুল হক:
- হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন ।
- হাসান আজিজুল হক মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৭ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে একুশে পদক, ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ১৫ নভেম্বর ২০২১ সালে, হাসান আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করেন।
- “আগুন পাখি” কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
- তাঁর একমাত্র কিশোর উপন্যাস- লাল ঘোড়া আমি।
• 'আগুন পাখি' উপন্যাস:
- ‘আগুনপাখি’ হাসান আজিজুল হকের পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ওই এলাকার মানুষের সংগ্রামী জীবন এবং বিভেদকামী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার যথাযথ রূপায়ণ।
- মেঝ বউ চরিত্রটি উপন্যাসের মূল এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধতার প্রতীকে পরিণত।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নামহীন গোত্রহীন,
- সমুদ্রের স্বপ্ন,
- আত্নজা ও একটি করবী গাছ,
- শীতের অরণ্য,
- জীবন ঘষে আগুন,
- রোদে যাবো,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- পাতালে হাসপাতালে।
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- বৃত্তায়ন।
- শিউলি।
- আগুন পাখি।
- সাবিত্রী উপাখ্যান।
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৩৩) 'একুশে ফেব্রুয়ারি'র বিখ্যাত গানটির সুরকার কে?
সুবীর সাহা
সুধীর দাস
আলতাফ মাহমুদ
আলতাফ মামুন
আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা:
• একুশে ফেব্রুয়ারি:
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির সুরকার — আলতাফ মাহমুদ।
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি -গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪) বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কী বলে?
বিভক্তি
কারক
প্রত্যয়
অনুসর্গ
কারক
ব্যাখ্যা:
• কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে।
আবার,
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে যে পদ গঠন করে তাকে নামপদ বলে।
- মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
- অর্থ্যাৎ, বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
- কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ) অনুসারে,
কারক ছয় প্রকার :
- কর্তা কারক
- কর্ম কাবক
- করণ কারক
- অপাদান কারক
- অধিকরণ কারক ও
- সম্বন্ধ কারক।
অন্যদিকে,
• বিভক্তি:
- যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
৩৫) কোন শব্দযুগল বিপরীতার্থক নয়?
ঐচ্ছিক -অনাবশ্যিক
কুটিল-সরল
কম-বেশি
কদাচার-সদাচার
ঐচ্ছিক -অনাবশ্যিক
ব্যাখ্যা:
• ঐচ্ছিক (বিশেষণ): ইচ্ছাধীন; ইচ্ছা সাপেক্ষ; optional.
- আবশ্যিক (বিশেষণ): আবশ্যকরণীয়; বাধ্যতামূলক; compulsory.
- অনাবশ্যিক (বিশেষণ): আবশ্যক নয় এমন।
অর্থাৎ,
অনাবশ্যিক — শব্দ আবশ্যিক শব্দের বিপরীত শব্দ এবং ঐচ্ছিক শব্দের সমার্থক শব্দ।
-----------------------
অন্য তিনটি অপশন—খ, গ, এবং ঘ—বিপরীতার্থক শব্দযুগল হিসাবে সঠিক।
খ) কুটিল - সরল:
• কুটিল মানে বাঁকা, বক্র, অথবা প্রতারণাপূর্ণ।
• সরল মানে সোজা, সহজ বা নিষ্কলঙ্ক।
এই দুই শব্দ একে অপরের বিপরীত, কারণ কুটিলতা জটিলতা এবং প্রতারণা বোঝায়, আর সরলতা সোজা ও সহজ প্রকৃতি বোঝায়।
গ) কম - বেশি:
• কম মানে স্বল্প বা অল্প।
• বেশি মানে অধিক বা প্রচুর।
এগুলো স্পষ্টভাবে বিপরীতার্থক, কারণ একটির অর্থ পরিমাণে কম হওয়া এবং অন্যটির অর্থ পরিমাণে বেশি হওয়া।
ঘ) কদাচার - সদাচার:
• কদাচার মানে দুর্নীতি বা খারাপ আচরণ।
• সদাচার মানে ভালো আচরণ বা নৈতিক আচরণ।
এখানে কদাচার এবং সদাচার পরস্পরের বিপরীত, কারণ একটিতে খারাপ আচরণ বোঝানো হয় এবং অন্যটিতে ভালো আচরণ বোঝানো হয়।
উৎস: বাংলা একাডেমী অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৬) Which one of the following words is masculine?
mare
lad
pillow
pony
lad
ব্যাখ্যা:
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -
• Lad হচ্ছে Masculie Gender.
- Lad (বালক) এর feminine gender হচ্ছে Lass (বালিকা)।
• অন্যান্য অপশনসমূহ,
- Mare - (ঘোটকী) (feminine gender)
-এর masculine gender হচ্ছে Horse (ঘোটক) এর feminine gender.
• Pillow (বালিশ)
- এটি হচ্ছে Neuter gender.
• Pony (common gender)
- টাট্টু ঘোড়া বা ছোট ঘোড়া।
Source:
1. A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৭) A man whose wife has died is called a -
widow
widower
spinster
bachelor
widower
ব্যাখ্যা:
• A man whose wife has died is called a - Widower.
• Widower (noun)
English Meaning: A man who has lost his spouse by death and has not married again.
Bangla Meaning: বিপত্নীক।
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
• Ancestor (noun)
English Meaning: A person in your family who lived a long time ago.
Bangla Meaning: পূর্বপুরুষ; পিতৃপুরুষ।
• Bachelor (noun)
English Meaning: A man who has never been married.
Bangla Meaning: কুমার; অকৃতদার/অবিবাহিত পুরুষ।
• Spinster (noun)
English Meaning: A word for a woman who is not married and is no longer young that is now considered offensive.
Bangla Meaning: অবিবাহিতা মহিলা; চিরকুমারী।
Source:
1. Accessible Dictionary y Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৩৮) Which word is similar to 'appal'?
deceive
confuse
dismay
solicit
dismay
ব্যাখ্যা:
• Appal (verb)
English Meaning: greatly dismay or horrify.
Bangla Meaning: আতঙ্কিত করা; বিতৃষ্ণ করা; মর্মাহত করা।
Example sentence:The whole nation was appalled at the massacre of innocent children.
• Synonyms:
- Terrify (আতঙ্কিত করা), Frighten (ভীত/আতঙ্কিত/সন্ত্রাসিত করা), Scare (ঘাবড়ানো), Disgust (বিরাগ বা তীব্র বিরক্তির উদ্রেক করা), Horrify (আতঙ্কিত/আতঙ্কগ্রস্ত/ভীতিবিহ্বল করা )।
• Antonyms:
- Delight (আনন্দ দেওয়া; হর্ষোৎফুল্ল/উল্লসিত করা), Please (দয়া/মেহেরবানি/অনুগ্রহ করে), Rejoice (আনন্দিত/আহ্লাদিত/প্রহৃষ্ট করা), Gratify (খুশি করা বা সন্তোষবিধান করা )।
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে -
ক) Deceive (verb transitive)
English Meaning: To persuade someone that something false is the truth, or to keep the truth hidden from someone for your own advantage:
Bangla Meaning: যা নয়, তাই বলে বিশ্বাস জন্মানো; প্রতারিত করা; ধোঁকা দেওয়া; ঠকানো; বিভ্রান্ত করা
Example sentence: The company deceived customers by selling old computers as new ones.
খ) Confuse (verb)
English Meaning: To mix up someone's mind or ideas, or to make something difficult to understand:
Bangla Meaning: গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা।
Example sentence: You're confusing him! Tell him slowly and one thing at a time.
গ) Dismay (noun) (verb)
English Meaning: A feeling of unhappiness and disappointment: to make someone feel unhappy and disappointed.
Bangla Meaning:হতাশার অনুভূতি বা আতঙ্ক: হতাশ করা; আতঙ্কিত করা:
Example sentence:
- To my utter dismay, I discovered that I had lost my passport.
- We were dismayed at the news.
ঘ) Solicit (verb-transitive), (verb intransitive)
English Meaning: To ask someone for money, information, or help
Bangla Meaning: (কোনো কিছুর জন্য) সনির্বন্ধ আবেদন করা; অনুরোধ করা।
Example sentence: It is illegal for public officials to solicit gifts or money in exchange for favours.
• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Dismay শব্দটি Appal এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৩৯) Which word means the opposite of 'dearth'?
lack
abundance
poverty
shortage
abundance
ব্যাখ্যা:
• 'abundance' means the opposite of 'dearth'.
• Dearth (noun)
English Meaning: A scarcity or lack of something.
Bangla Meaning: অভাব; অনটন; আকাল।
Example sentence: The region is suffering from a dearth of medical specialists.
• Abundance (adjective)
English Meaning: A very large quantity of something.
Bangla Meaning: অতিপ্রাচুর্য, প্রয়োজনাধিক পরিমাণ; প্রাচুর্য।
Example sentence: There was an abundance of food at the wedding.
• অপশনে উল্লিখিত অন্য শব্দগুলোর অর্থ -
• Lack (verb transitive), (verb intransitive)
English Meaning: The fact that something is not available or that there is not enough of it
Bangla Meaning: অভাব ঘটা, ঊন ঘটা।
Example sentence: He lacks common sense.
• Poverty (noun) [Uncountable noun]
English Meaning: The condition of being extremely poor
Bangla Meaning: দারিদ্র্য; দরিদ্রতা; দীনতা; দৈন্য; দরিদ্রদশা।
Example sentence: Some 80% of Haitians live in poverty, and few have proper jobs.
• Shortage (noun) [countable noun, uncountable noun]
English Meaning: A situation in which there is not enough of something:
Bangla Meaning: কমতি; ঘাটতি; অনটন; অভাব।
Example sentence: There's a shortage of food and shelter in the refugee camps.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
4. Cambridge Dictionary.
৪০) Tennyson's ‘In Memoriam' is an elegy on the death of -
John Milton
John Keats
Arthur Henry Hallam
Sydney Smith
Arthur Henry Hallam
ব্যাখ্যা:
• In Memoriam' is written by Alfred Tennyson is an Elegy.
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- In Memoriam, in full In Memoriam A.H.H, Alfred Tennyson এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটিতে ১৩১ টি sections, একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- this chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of his close friend Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.
• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
- “Tis better to have loved and lost
Than never to have loved at all.”
• Lord Alfred Tennyson (1809-1892):
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।
• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- Crossing the Bar,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Tithonus,
- Ulysses,
- Break, Break, Break,
- Mariana,
- The Kraken,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- Oenone,
- Poems, Chiefly Lyrical,
- Locksley Hall,
- Idylls of the King,
- The Two Voices,
- Enoch Arden,
- Sir Galahad,
- The Higher Pantheism,
- A Dream of Fair Women,
- Mariana in the South,
- St. Simeon Stylites,
- Godiva,
- The Princess,
- Lady Clara Vere de Vere, etc.
Source: Britannica.com
৪১) Identify the word which is spelt incorrectly :
consciencious
perseverance
convalescence
maintenance
consciencious
ব্যাখ্যা:
• Of the following অপশন ক)consciencious is spelt incorrectly.
- The correct spelling is - Conscientious.
• Conscientious (adjective)
English meaning: Wishing to do one's work or duty well and thoroughly
Bangla meaning: বিবেকবান, বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন।
Example: She was a popular and conscientious teacher.
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
• Perseverance (noun):
English Meaning: Continued effort to do or achieve something, even when this is difficult or takes a long time/ Persistence in doing something despite difficulty or delay in achieving success.
Bangla Meaning: নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা; শর্ত; প্রয়োজনীয় গুণাবলি; যোগ্যতা।
Example: It took a lot of patience and perseverance for all sides to reach an agreement.
• Convalescence (noun):
English Meaning: Time spent recovering from an illness or medical treatment; recuperation.
Bangla Meaning: রোগমুক্তির পর ক্রমে ক্রমে স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া
Example: I had a long convalescence ahead.
• Maintenance (noun)
English meaning: the work needed to keep a road, building, machine, etc. in good condition.
Bangla meaning: রক্ষণাবেক্ষণ; ভরণপোষণ।
Example: Old houses need a lot of maintenance.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
৪২) 'You look terrific in that dress!'
The word 'terrific' in the above sentence means -
excellent
funny
very ugly
horrible
excellent
ব্যাখ্যা:
• 'You look terrific in that dress!'
- The word 'terrific' in the above sentence means - excellent (adjective) চমৎকার; উন্নতমানের।
• Terrific (adjective)
English meaning: very good; excellent, great, wonderful.
Bangla Meaning: চরম।
- If you describe something or someone as terrific, you are very pleased with them or very impressed by them.
• Example:
- What a terrific idea!
- Everybody there was having a terrific time.
- You look terrific, Ann. You really do.
এছাড়াও,
• Terrific (adjective)
English meaning: used to emphasize the great amount or degree of something; very frightening.
Bangla Meaning: ভয়াবহ; ভীষণ; আতঙ্কজনক।
•Example:
- This book has had a terrific influence on me.
- He did a terrific amount of fundraising.
- All of a sudden there was a terrific bang and a flash of smoke.
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
খ) funny (adjective)
- মজার; মজাদার; কৌতুককর: অদ্ভুত; আশ্চর্য; আজব।
গ) very ugly (adjective)
- অত্যন্ত কুৎসিত; কুদর্শন; বিশ্রী; কুরূপ; অসুন্দর; কদর্য।
ঘ) horrible (adjective)
- বীভৎস; ভয়ানক; ভয়াবহ; ভয়াল: (কথ্য) অপ্রীতিকর; দারুণ; ভয়াবহ।
Source:
1. Collins Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Cambridge Dictionary.
৪৩) Someone who is capricious is -
easily irritated
wise and willing to cooperate
exceedingly conceited and arrogant
known for sudden changes in attitude or behavior
known for sudden changes in attitude or behavior
ব্যাখ্যা:
• Someone who is capricious is - known for sudden changes in attitude or behavior.
• Capricious (Adjective)
English Meaning: Likely to change, or reacting to a sudden desire or new idea.
Bangla Meaning: খেয়ালি; চপল; লোলচিত্ত; অস্থিরমতি।
Synonyms:
- Fickle (দৃঢ়ভাবে অনুগত নয় এমন), Inconstant (অস্থিরচিত্ত), Variable (পরিবর্তনশীল), Fluctuating (ওঠানামা করা), Temperamental (সংবেদনশীল)।
Antonyms:
- Stable (সহজে পরিবর্তনীয় নয়), Consistent (সঙ্গতিপূর্ণ), Settled (স্থির), Steady (দৃঢ়), Unvarying (অপরিবর্তনীয়)।
Other Forms:
- Capriciously (adjective) খেয়ালখুশিমতো; মর্জিমাফিক।
Example Sentence:
1. We have had very capricious weather lately
2. The court ruled that the punishment was arbitrary and capricious.
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
• easily annoyed or upset: irritable or petulant, Cranky.
• wise and willing to cooperate - Compliant.
• exceedingly conceited and arrogant - Pompous.
Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Merriam-Webster Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
৪৪) Identify the word which remains the same in its plural form :
aircraft
intention
mouse
thesis
aircraft
ব্যাখ্যা:
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Aircraft remains the same in its plural form.
- অর্থাৎ এর singular and plural form একই।
- এইরকম আরো কতগুলো Noun যাদের Singular and Plural form একই
- aircraft, corps, deer, gross, pice, salmon, series, sheep, swine etc.
• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
- Appendix হচ্ছে singular, যার plural form হচ্ছে Appendices.
- Mouse শব্দটির plural form হলো - Mice.
- Intention শব্দটির plural form হলো - Intentions.
Source: Accessible Dictionary bt Bangla Academy.
৪৫) Identify the determiner in the following sentence :
'I have no news for you.'
have
news
no
for
no
ব্যাখ্যা:
• I have no news for you - এখানে no হচ্ছে Determiner.
- এখানে 'no' শব্দটি news (noun) এর পূর্বে বসেছে; তাই এটি determiner.
• Determiner:
- Determiner এর প্রধান কাজ হলো noun কে determine করা।
- Noun এর নির্দিষ্টতা-অনির্দিষ্টতা বুঝাতে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।
নিম্নরেখ word গুলো Determiner এর অন্তর্ভুক্ত:
• Articles - a, an, the.
• Demonstrative - this, that, these, those.
• Possessives - my, your, our, his, her, their, its, etc.
• Numerals - two, three, four, etc.
• Quantifiers - all, any, both, some, no, every, either, neither, few, little, many, much, another, enough, several, etc.
Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৬) A lost opportunity never returns. Here 'lost' is a -
gerund
verbal noun
gerundial infinitive
participle
participle
ব্যাখ্যা:
• A lost opportunity never returns. Here 'lost' is a - participle.
- বাক্যে ‘lost’ শব্দটি একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করেছে, সুতরাং এটি Participle.
- lost তার পরে অবস্থিত noun promotion কে modify করছে এবং lost দ্বারা ইতিমধ্যেই opportunity এর সুযোগ চলে গেছে এমন অর্থ প্রকাশ করছে এই অর্থে verb হয়েছে।
- আর যে word একই সাথে Verb এবং Adjective এর কাজ করে, তাকে Participle বলে।
- Verb এর যে রূপ কিছুটা verb এবং কিছুটা adjective এর কাজ করে তাকে participle বলে।
• Participle:
- যে word একই সাথে Verb এবং Adjective (মাঝে মধ্যে Adverb) এর কাজ করে, তাকে Participle বলে।
• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
• Participle মূলত তিন প্রকার:
1. Present Participle.
Ex: Do not disturb a sleeping dog.
2. Past Participle.
Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle.
Ex: Having eaten rice, he went to bed.
৪৭) The saying 'enough is enough' is used when you want-
something to continue
something to stop
something to continue until it's enough
to tell instructions are clear
something to stop
ব্যাখ্যা:
• “Enough is enough” means - Something to stop.
• Enough is enough
- English meaning: no more to be tolerated.
- যখন কোন চলমান ঘটনা বা বিষয় সহ্য ক্ষমতার বাহিরে চলে যায় এবং সেটা বন্ধ করার প্রয়োজন হয় তখন 'enough is enough' হয়।
• Examples:
- We must say enough is enough before the world is at war again.
- Nurses have frequently extended their shifts, but now they are saying enough is enough.
- We have lived with quarries causing pollution and dust for years, but enough is enough.
Source: Accessible Dictionary and Oxford Learners Dictionary.
৪৮) He ran with great speed.
The underlined part of the sentence is a -
noun phrase
adverb phrase
adjective phrase
participle phrase
adverb phrase
ব্যাখ্যা:
• He ran with great speed. The underlined part is - Adverb phrase.
- 'with a great speed' অর্থ দ্রুত গতিতে।
- এটি বাক্যের verb 'ran' কে মডিফাই করছে।
- verb কে 'how' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
- তাই এটি Adverbial phrase.
• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.
৪৯) 'We must not be late, else we will miss the train'. This is a -
compound sentence
complex sentence
simple sentence
interrogative sentence
compound sentence
ব্যাখ্যা:
• 'We must not be late, else we will miss the train'. This is a - compound sentence.
• Compound sentence
- যে বাক্যে একাধিক Principal Clause 'Coordinating Conjunction' দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে Compound Sentence বলে।
• Compound Sentence গঠনের শর্ত হচ্ছে-
- বাক্যে একের অধিক Principal Clause থাকবে।
- বাক্যে এক বা একাধিক Coordinating Conjunction থাকবে।
- and, or, but, both, fewer than, neither, and, not only.... but also, no less than, neither... nor, either... or, otherwise, still, yet, else, nevertheless, on the contrary, while, whereas, only, so, therefore, consequently, for- ইত্যাদি Coordinating Conjunction দ্বারা Compound Sentence গঠিত হয়।
৫০) Change the voice : 'Who is calling me?'
By whom am I called?
By whom I am called?
By whom am I being called?
Whom am I called by?
By whom am I being called?
ব্যাখ্যা:
Active: Who is calling me?
Passive: By whom am I being called?
• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়।
- Object টি Subject হয়
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে be/being/been বসাতে হয়।
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
• Present Continuous Tense passive voice করার structure নিম্ন রূপ:
- Active form এর object + am/is/are + being + verb এর past participle + Active form এর Subject এর Objective form + extension.
৫১) An extra message added at the end of a letter after it is signed is called _____ .
corrigendum
postscript
NB
RSVP
postscript
ব্যাখ্যা:
• Postscript is an extra message added at the end of a letter after it is singed.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।
• অন্যদিকে,
• Corrigendum (noun)
English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।
• NB এর পূর্ণরূপ হলো Nota Bene.
- Nota Bene (Latin phrase)
- English Meaning: used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।
- লেখনীতে কোনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে N.B. ব্যবহার করা হয়।
• RSVP is an initialism derived from the French phrase 'Répondez s'il vous plaît,' meaning ''Please respond'' to require confirmation of an invitation.
• Invitation letter এ প্রায়ই RSVP কথাটি দেখতে পাওয়া যায়।
- এটি একটি French Phrase-এর abbreviation.
- এর অর্থ হলো Please respond / please reply.
- It is used at the end of a written invitation to mean that you should let the people who invited you know whether or not you are coming.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৫২) 'Sweet Helen, make me immortal with a kiss'.
The sentence has been taken from the play -
Romeo and Juliet
Caesar and Cleopatra
Doctor Faustus
Antony and Cleopatra
Doctor Faustus
ব্যাখ্যা:
• 'Sweet Helen, make me immortal with a kiss' this line is quoted by - The sentence has been taken from the play - Doctor Faustus by Christopher Marlowe.
• Doctor Faustus.
- Christopher Marlowe এর রচিত নাটক Doctor Faustus.
- নাটকটির পুরো নাম The Tragical History of the life & Death of Doctor.
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট একটি নাটক।
- ১৬০৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- In Doctor Faustus Marlowe tells the story of Faust, the doctor-turned-necromancer, who makes a pact with the devil in order to obtain knowledge and power.
-In this play Doctor Faustus and Mephistopheles, who is the devil’s intermediary in the play, are subtly and powerfully portrayed.
- এই নাটকে Mephistopheles হচ্ছে The embodiment of evil.
- এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Doctor Faustus যে অপরিসীম ক্ষমতা লাভের আশায় শয়তান অর্থাৎ Mephistopheles এর কাছের নিজের আত্না বিক্রি করে দিয়েছিল।
- তিনি শয়তানের সাথে এমন একটি চুক্তি করেন যাতে করে তিনি জ্ঞান ও শক্তি প্রাপ্ত হতে পারেন।
- পরবর্তীতে Good Angel এবং Bad Angel নামক দুইজন ফেরেশতা Doctor Faustus কে প্রভাবিত করতে চায়।
- একপর্যায়ে ফিরে আসতে চাইলেও শেষ অবধি Doctor Faustus বুঝতে পারেন আর ফেরার সুযোগ নেই।
• Some quotes of Doctor Faustus:
- Pluck up your hearts, since fate still rests our friend.
- Hell is just a frame of mind.
- Fools that will laugh on earth, most weep in hell.
- Money can't buy love, but it improves your bargaining position.
- He that loves pleasure must for pleasure fall.
- Was this the face that launched a thousand ships/And burnt the topless towers of Ilium?
- The stars move still, time runs, the clock will strike.
- It is a comfort to the wretched to have companions in misery.
• The important character of Doctor Faustus:
- Mephistopheles,
- Lucifer,
- Faust
- Wagner
- Robin
- Clown
- Beelzebub
- Rafe
- Valdes and Cornelius
- Martino and Frederick
- Helen of Troy
- Good angel
- Bad Angel etc.
• অন্যদিকে,
ক) Romeo and Juliet and ঘ) Antony and Cleopatra are tragedies by William Shakespeare.
খ) Caesar and Cleopatra is a tragedy by G. B Shaw.
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৫৩) ‘What’s in a name? That which we call a rose
By any other name would smell as sweet’ -who said this?
Juliet
Romeo
Portia
Rosalind
Juliet
ব্যাখ্যা:
• ‘What’s in a name? That which we call a rose By any other name would smell as sweet’ - these lines are taken from William Shakespeare's famous tragedy - Romeo and Juliet.
- নাটকটির Act II. Scene II. তে Juliet, Romio কে উদ্দেশ্য করে আলোচিত উক্তিটি করেন।
• Romeo and Juliet:
- ‘Romeo and Juliet’ Shakespeare এর একটি রোমান্সধর্মী নাটক।
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- এর চরিত্রসমূহ হচ্ছে: Romeo (নায়ক), Juliet (নায়িকা), Montego, Lady Montego, Capulet, Lady Capulet.
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান।
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই।
• প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Juliet
- Romeo,
- Count Paris
- Tybalt,
- Friar Lawrence.
Other quotes:
• "If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down."
• "Parting is such sweet sorrow that I shall say goodnight till it be morrow."
• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
• অন্যদিকে,
গ) Portia is the heroine of 'The Merchant of Venice' by William Shakespeare.
ঘ) Rosalind is the heroine of 'As You Like It' by William Shakespeare.
Source: Britannica and Romeo and Juliet.
৫৪) ‘Man’s love is of man’s life a thing apart, Tis woman’s whole existence.’ -This is taken from the poem of -
P. B. Shelley
Lord Byron
John Keats
Edmund Spenser
Lord Byron
ব্যাখ্যা:
• "Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence." is quoted by Lord Byron.
- উক্তিটি Lord Byron বিখ্যাত কবিতা Don Juan হতে উদ্ধৃত।
• Don Juan:
- Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে a satire in the form of a picaresque verse tale.
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা।
- তবে কবিতার প্রধান চরিত্রটির নাম একজন স্প্যানীশ কিংবদন্তির নাম থেকে থেকে নেয়া হয়েছে তবে কাহিনী সম্পুর্ন আলাদা।
- Don Juan কে এখানে চিত্রায়িত করা হয়েছে womanizer এবং easily seduced by women হিসেবে।
-কবিতাটি প্রায় পাঁচ হাজার লাইন বিশিষ্ট।
• এই poem এর কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
-"Sweet is revenge—especially to women.
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."
• এই কবিতার গুরুত্বপুর্ন চরিত্র সমূহ -
- Don Juan,
- Donna Inez,
- Donna Julia,
- Don Alfonso, etc.
• Lord Byron:
- In full George Gordon Byron, 6th Baron Byron, (born January 22, 1788, London, England—died April 19, 1824, Missolonghi, Greece).
- He was a great British Romantic poet and satirist whose poetry and personality captured the imagination of Europe.
- Lord Byron was born with a clubfoot that made him sensitive about his appearance all his life.
• Best Works:
- Beppo,
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- English Bards and Scotch Reviewers,
- Giaour, The,
- Hours of Idleness,
- Lara,
- Manfred,
- Sardanapalus,
- The Bride of Abydos,
- The Corsair,
- The Prisoner of Chillon,
- The Two Foscar, etc.
Source: Britannica and Enotes.
৫৫) Who translated the 'Rubaiyat of Omar Khayyam' into English?
Thomas Carlyle
Edward Fitzgerald
D. G. Rossetti
William Thackeray
Edward Fitzgerald
ব্যাখ্যা:
• Victorian period এর সাহিত্যিক Edward Fitzgerald, ১৮৫৯ সালে ‘The Rubaiyat of Omar Khayyam’ কাব্য গ্রন্থটি কে Persian থেকে English এ অনুবাদ করেন।
- যদিও Edward Fitzgerald এটি Persian থেকে অনুবাদ করেছেন কিন্তু এটি ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি Classic হিসেবে বিবেচিত।
- It is one of the most frequently quoted lyric poems and many of its phrases are passed into common currency.
• The Rubaiyat of Omar Khayyam -
- যুগ শ্রেষ্ঠ জ্যেতির্বিজ্ঞানী ওমার খৈয়ামের রচনা থেকে অনুপ্রাণিত। এটি মূলত: অনুবাদ নয় বরং মূল গ্রন্থকে সামনে রেখে মৌলিক রচনা।
- প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।
- ইংরেজি সংস্করণে এই নামের সাথে যুক্ত হয়- "the Astronomer-Poet of Persia" বাক্যটি।
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম Lyric Poem হিসেবে এটি স্বীকৃত।
- ওমার খৈয়ামকে তার জীবদ্দশায় মানুষ কবি হিসেবে চেনেনি বরং তাকে, জানতো একজন গণিতবিদ এবং জ্যেতির্বিজ্ঞানী নামে। তার জীবন নিয়ে কিছু বিতর্ক আছে; তার ধর্মীয় বিশ্বাস এবং চেতনা নিয়েও নানা জনের নানা মত আছে।
- এরই সূত্র ধরে রুবাইয়াৎ বিতর্ক ছিলো; কোনটি তার রচনা আর কোনটি না এটা নিয়ে বিশ্লেষক গণ মতবিরোধ উপস্থাপন করেছেন।
• Edward Fitzgerald:
- He translated the Persian masterpiece, “ The Rubáiyát of Omar Khayyám” in English.
- He was born on March 31, 1809 in England.
- FitzGerald was educated at Trinity College, Cambridge, where he formed a lifelong friendship with William Makepeace Thackeray.
• Notable Work:
-The Rubáiyát of Omar Khayyám
Source: Britannica, Live MCQ Lecture and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৫৬) 'Ulysses' is a novel written by -
Joseph Conrad
Thomas Hardy
Charles Dickens
James Joyce
James Joyce
ব্যাখ্যা:
• 'Ulysses'
- The novel 'Ulysses' is written by Irish writer James Joyce.
- ১৯২২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Stylistically dense and exhilarating, এটি সাধারণত English Literature এ একটি masterpiece হিসাবে বিবেচিত হয় এবং it has been the subject of numerous volumes of commentary and analysis.
- The novel is constructed as a modern parallel to Homer's Odyssey.
- একটি single day এর মধ্যে Dubline এর আশেপাশে ঘটা কাহিনী নিয়ে এই উপন্যাসটি লেখা।
- The three central characters - Stephen Dedalus Leopold Bloom, a Jewish advertising canvasser; and his wife, Molly-are intended to be modern counterparts of Telemachus, Ulysses (Odysseus), and Penelope, respectively, and the events of the novel loosely parallel the major events in Odysseus's journey home after the Trojan War.
• উল্লেখ্য যে,
- Ulyssess নামে Victorian poet Alfred Tennyson এর একটি poem রয়েছে।
• James Joyce
- বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত novelist দের মধ্যে James Joyce অন্যতম।
- He was an Irish novelist noted for his experimental use of language and exploration of new literary methods.
- James Joyce's Ulysses (1922), a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার 'Stream of Consciousness' (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) টেকনিকের জন্যে বিখ্যাত।
• Joyce's notable Works:
- A Portrait of the Artist as a Young Man,
- After the Race,
- Chamber Music,
- Finnegans Wake,
- Pomes Penyeach,
- Stephen Hero,
- The Day of the Rabblement,
- The Dead,
- The Sisters,
- Ulysses, etc.
Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৫৭) The short story 'The Diamond Necklace' was written by -
Guy de Maupassant
O Henry
Somerset Maugham
George Orwell
Guy de Maupassant
ব্যাখ্যা:
• ফরাসী লেখক Guy de Maupassant wrote 'The Diamond Necklace'.
- ১৮৮৪ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি 'La Parure' শিরোনামে ফ্রেঞ্চ পত্রিকা 'Le Gaulois' এ এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- Like most of Maupassant’s short fiction, it was an instant success, and it has become his most widely read and anthologized story.
It tells the story of Mathilde Loisel, a young woman who borrows a necklace from a wealthy friend to wear to a high-society event, only to lose it and spend the next ten years of her life in poverty trying to replace it.
- The story is a cautionary tale about the dangers of materialism and social ambition, featuring one of Maupassant’s infamous plot twists for which he was well known.
• The important characters of this short story:
- 'Mathilde Loisel' (The protagonist of the story)
- 'Monsieur Loisel' (Mathilde’s husband)
- 'Madame Forestier' (Mathilde’s wealthy friend)
• Guy de Maupassant
- He is a French naturalist writer of short stories and novels who is by general agreement the greatest French short-story writer.
• Notable Work:
- A Woman’s Life,
- Bel-Ami,
- Boule de Suif,
- L’Inutile Beauté,
- La Maison Tellier,
- Le Rosier de Madame Husson,
- Mont-Oriol,
- Notre coeur,
- Pierre et Jean,
- The Horla,
- Toine.
Source: Britannica and Sparksnotes.
৫৮) 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand' - Who said this?
Macbeth
Lady Macbeth
Lady Macduff
Macduff
Lady Macbeth
ব্যাখ্যা:
• 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand' is a quotation from- Macbeth.
- These dramatic words are uttered by Lady Macbeth in Act V, Scene 1, during a time when she is overwhelmed by guilt.
• Macbeth:
- Macbeth is Shakespeare’s greatest tragedies tells the story of the fall of a Scottish nobleman.
- এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হল এর মূল চরিত্র/ tragic hero.
- এটি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত এই tragedy টিShakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত।
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.
- নাটকে দেখা যায় তিনজন ডাইনী সেনাপতি Macbeth এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে।
- Encouraged by his wife, Macbeth kills the king, becomes the new king, and kills more people out of paranoia.
- Civil war erupts to overthrow Macbeth, resulting in more death.
• নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এটি Shakespeare এর সবচেয়ে ছোট Tragedy এবং Macbeth হলো এর প্রধান চরিত্র।
- তাকে tragic hero ও বলা হয়।
• Some other famous quotations of Macbeth:
- Fair is foul, and foul is fair.
- All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand.
- What's done cannot be undone.
- Life is but a walking shadow, a poor player.
- What's done can't be undone.
- Is this a dagger which I see before me, the handle toward my hand?
- Look like an innocent flower But be the serpent under it.
- Double, double toil and trouble; Fire burn and caldron bubble.
• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
৫৯) ‘Where are the songs of Spring? Aye, where are they?
Think not of them, thou hast thy music too.’ -Who wrote this?
William Wordsworth
Robert Browning
John Keats
Samuel Coleridge
John Keats
ব্যাখ্যা:
• 'Where are the songs of spring? Ay, Where are they?
Think not of them, thou hast thy music too,
- John Keats wrote this in his famous poem To Autumn.
- এই লাইন দুটি দিয়েই কবিতাটি শুরু হয়।
• 'To Autumn' Romantic period এর কবি John Keats রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- কবিতাটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটিকে কবির one of the last major poems হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Written shortly before the poet died, the poem is a celebration of autumn blended with an awareness of the passing of summer and of life’s ephemerality.
- এটি একটি three 11-line stanzas বিশিষ্ট কবিতা।
• John Keats, an English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
- He is also called the ‘Poet of beauty’.
• John Keats এর Title গুলো হলো -
- Poet of Beauty,
- Poet of sensuousness,
- A Death Hunted Poet,
- The Youngest Poet of English Literature.
- এছাড়া তিনি ছিলেন- Physician, surgeon, এবং Doctor.
- John Keats তার Sense of Beauty এর জন্য বিখ্যাত।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
• John Keats's famous poems are -
- Ode to Psyche,
- Ode on Melancholy,
- To Autumn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.
Source: Britannica and Poetry Foundation.
৬০) Who is the central character of 'Wuthering Heights' by Emily Bronte?
Mr. Earnshaw
Catherine
Heathcliff
Hindley Earnshaw
Heathcliff
ব্যাখ্যা:
• Heathcliff is the central character of 'Wuthering Heights' by Emily Bronte
• Wuthering Heights:
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Emily Bronte ছদ্মনাম Ellis Bell এর অন্তর্গত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- This intense, solidly imagined novel is distinguished from other novels of the period by its dramatic and poetic presentation, its abstention from authorial intrusion, and its unusual structure.
- Wuthering Heights by Emily Bronte হচ্ছে Gothic Novel এর একটি অন্যতম উদাহরণ।
• Heathcliff এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ী Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। কিন্তু তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়। এভাবে কাহিনী এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।
• Important characters of this novel -
- Catherine Earnshaw,
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Heathcliff (The central character)
- Lockwood etc.
• Emily Bronte:
- ভিক্টরিয়ান যুগের একজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক।
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত: তার পরিচতি।
- ত্রিশ বছর বয়সেই মৃত্যু বরণ করেন।
• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৬১) 'The old order changeth, yielding place to new'. This line is extracted from Tennyson's poem -
The Lotos-Eaters
Tithonus
Locksley Hall
Morte d' Arthur
Morte d' Arthur
ব্যাখ্যা:
• 'The old order changeth, yielding place to new' is a quotation by - Alfred Tennyson.
- উক্তিটি তাঁর বিখ্যাত কবিতা - 'Morte d Arthur' এর অন্তর্গত।
• 'Morte d Arthur':
- It is one of the most famous poetic creation of - Alfred Tennyson.
- The central theme of Le Morte d'Arthur is loyalty and its expression in chivalry.
- অর্থাৎ, কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে - আনুগত্য এবং বীরত্ব এর অভিব্যক্তি।
- কবিতাটিতে বলা হয়েছে রাজার প্রতি আনুগত্যই হচ্ছে একজন নাইট (Knight) এর জীবনের মূল উপাদান এবং উদ্দেশ্য।
- It opens in the wake of Arthur's final battle, where Arthur lies mortally wounded, and is accompanied by Sir Bedivere. '
• Alfred, Lord Tennyson:
- Alfred, Lord Tennyson, in full Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- Born: August 6, 1809, Somersby, Lincolnshire, England.
- Death: October 6, 1892, Aldworth, Surrey), English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry. He was raised to the peerage in 1884.
• Best Works:
- Oenone
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- Tears Idle Tears,
- Tithonus,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Vision of Sin,
- Morte D'Arthur,
- The Falcon,
- In Memoriam,
- Queen Mary (Comedy),
- Harold,
• অন্যদিকে, জানার সুবিধার্থে,
• ‘Morte d' Arthur’ is the first romance in prose written by - Sir Thomas Malory.
- এটি হচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English prose version of the Arthurian legend.
Source: Britannica.com
৬২) Who has written the poem 'The Good Morrow'?
George Herbert
Andrew Marvell
John Donne
Henry Vaughan
John Donne
ব্যাখ্যা:
• The Good Morrow:
- এটি John Donne রচিত একটি কবিতা।
- এটি ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The main theme of the poem is love.
- It mainly describes a conversation between the speaker and his lover.
• John Donne:
- John Donne (1572-1631) Renaissance যুগের একজন কবি।
- Metaphysical poetry এর জনক বলা হয় John Donne কে।
- তিনি আধ্যাত্বিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।
• তাঁর বিখ্যাত কিছু কবিতা হচ্ছে:
- The Good Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Sun Rising,
- A Valediction: Forbidding Mourning.
Source: Encyclopedia Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৬৩) 'Please write to me at the above address'.
The word 'above' in this sentence is a/an -
noun
adjective
pronoun
adverb
adjective
ব্যাখ্যা:
• 'Please write to me at the above address'.
- The word 'above' in this sentence is an - adjective.
• Adjective সবসময় noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, ইত্যাদি নির্দেশ করে।
- উক্ত বাক্যে above শব্দটি address (noun)টিকে qualify করায় above শব্দটি adjective.
• Above বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহার হওয়া একটি শব্দ।
যেমন -
• Above (adverb)
- Look at the stars above বাক্যে above শব্দটি adverb হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- সাধারণত preposition এর পর সব সময় noun/pronoun বসে।
- তাই যদি কোনো sentence এর শেষে preposition বসে তবে তা সবসময় adverb হিসেবে বিবেচিত হয়।
• Above (adjective)
• Read the above lines -
- উক্ত বাক্যে above শব্দটি lines (noun)টিকে qualify করায় above শব্দটি adjective.
• Above (noun)
- Our blessings come from above - above শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- উক্ত বাক্যে preposition from এর object হিসেবে above ব্যবহৃত হয়েছে।
Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৪) In which sentence is the word 'past' used as a preposition?
Writing letters is a thing of the past.
I look back on the past without regret.
I called out to him as he ran past.
Tania was a wonderful singer, but she's past her prime.
Tania was a wonderful singer, but she's past her prime.
ব্যাখ্যা:
• "Tania was a wonderful singer, but she's past her prime" এই বাক্যে 'past' শব্দটি noun phrase (her prime) এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক নির্দেশ করেছে, সুতরাং, এ বাক্যে past শব্দটি preposition হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এছাড়াও, বাক্যটির দ্বারা beyond in time; later than বা সময়ের পরে বুঝাচ্ছে, তাই এটি preposition হয়েছে।
• Past (Preposition)
- beyond in time; later than.
- সময়ের পরে।
- যে শব্দ noun বা pronoun এর পূর্বে বসে তার সাথে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সম্পর্ক নির্দেশ করে তাকে preposition বলে।
অন্য অপশন গুলোতে,
• People should not live in the past বাক্যে past শব্দটি একটি preposition-এর পরে ব্যবহৃত হয়েছে - তাই, এটি একটি noun.
• Months went past and nothing happened বাক্যে past শব্দটি went কে মডিফাই করছে তাই এটি একটি adverb।
• The past events shaped her perspective on life past শব্দটি events কে মডিফাই করছে, তাই, এখানে past একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
• Past (adverb)
- So as to pass from one side of something to the other.
- ছাড়িয়ে; পেরিয়ে-এই অর্থে
- I called out to him as he ran past.
- এখানে ran past দ্বারা পেরিয়ে যাওয়া নির্দেশ করছে, তাই adverb.
• অন্যদিকে,
• Past (noun)
- The time before the moment of speaking or writing
- the past অতীত; অতীতকাল অথবা কারো অতীত জীবন বা অতীত অভিজ্ঞতা, বিশেষত যখন তা বড় একটা প্রশংসনীয় বা সুখকর নয়।
- যেমন:
- I look back on the past without regret.
- Writing letters is a thing of the past.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৬৫) The word 'sibling' means-
a brother
a sister
a brother or sister
an infant
a brother or sister
ব্যাখ্যা:
• The word 'sibling' means- a brother or sister.
• sibling (noun)
English Meaning: one of two or more individuals having one common parent/one of two or more things related by a common tie or characteristic.
Bangla Meaning: একই মাতাপিতার সন্তান; ভাই বা কোন।
Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৬) Fill in the blank:
As she was talking, he suddenly broke__, saying, ‘That’s a lie!’
off
in
down
into
in
ব্যাখ্যা:
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -in.
Complete sentence: As she was talking, he suddenly broke in, saying, ‘That’s a lie!’
• Break-in
English Meaning: Force entry to a building: To interrupt when someone else is talking.
Bangla Meaning: কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে কথা বলা।
• অন্যদিকে,
- Break off - কথা বলতে বলতে থেমে যাওয়া।
- Break down - ভেঙ্গে পড়া।
- Break into- কোন কিছু ভেঙ্গে বলপূর্বক প্রবেশ করা।
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy & Collins Dictionary.
৬৭) Fill in the blank :
You may go for a walk if you feel _____ it .
about
on
like
for
like
ব্যাখ্যা:
• Feel like (doing) something (idiom):
- English Meaning - To want to have or do something.
- Bengali Meaning - চাওয়া, প্রবণ বা ইচ্ছুক হওয়া।
- Example Sentence: I feel like going to get ice cream.
•তাই complete sentence টি হবে
- You may go for a walk if you feel like it.
Source:
1. Cambridge Sentence.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৮) 'The Rape of the Lock' by Alexander Pope is a/an -
epic
ballad
mock-heroic poem
elegy
mock-heroic poem
ব্যাখ্যা:
• 'The Rape of the Lock' is a Mock-heroic epic in heroic couplets by Alexander Pope.
• The Rape of the Lock:
- It is a narrative Poem.
- এটির প্রথম ভার্সন ১৭১২ সালে প্রকাশিত হয় consisted of two cantos.
- The final version, published in 1714, was expanded to five cantos.
- এটি একটি ৭৯৪ লাইনের একটি গুরুগম্ভীর কিন্তু হাস্যরসাত্মক কবিতা।
- Belinda বা Arabella Fermor নামের এক মেয়ে এখানে প্রধান চরিত্র যার চুলের বেনি বা একগুচ্ছ চুল কেটে ফেলে অপর একজন যুবক Baron বা Lord Petre.
- শেষ পর্যন্ত এই চুলের বেনী স্থান পায় নক্ষত্রলোকে ।
- দেবতা, যুদ্ধ বিগ্রহের বর্ণনাও আছে এতে।
- সামান্যকে অসামান্য, ক্ষুদ্রকে বৃহৎ, সংকীর্ণকে ব্যাপক করে তুলবার এই ক্ষমতার জন্যই পৌপ বিখ্যাত Mock- Heroic Poet হিসেবে।
• এই Epic poem এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে -
- Belinda,
- Baron
- Ariel
• Alexander Pope:
- তিনি একজন English author.
- Alexander Pope is called Mock Heroic Poet.
- He is a poet of the Augustan Period.
- He is one of the most epigrammatic of all English authors.
• Famous works:
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- Eloisa to Abelard,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- The Rape of the Lock,
- Windsor-Forest.
Source: Britannica.
৬৯) Which of the following is not an American poet?
Robert Frost
W.B Yeats
Emily Dickinson
Langston Hughes
W.B Yeats
ব্যাখ্যা:
• Of the following W. B Yeats is not an American poet.
• অন্যদিকে,
- Robert Frost, Emily Dickinson ও Langston Hughes তিনজনই American poet.
• W. B. Yeats is an Irish Poet
- তাঁকে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
- was the first Irish poet to receive the Nobel Prize.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- ১৯২৩ সালে সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন & W.B Yeats was first awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society. মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে -
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.
• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other poems,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan.
• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৭০) William Shakespeare was born in-
1616
1664
1564
1493
1564
ব্যাখ্যা:
• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens,
- Antony and Cleopatra,
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet.
• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona.
• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,
• Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.
• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece (Long narrative poem ),
- Venus and Adonis (Long narrative poem),
- A Lover's Complaint (Long poem),
- The Phoenix and Turtle (Long poem).
Source: Britannica, Live MCQ Lecture and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৭১) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per Capita GDP (nominal) কত?
$ ১,৭৫০ মার্কিন ডলার
$ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
$ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
$ ১,৭৫৩ মার্কিন ডলার
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে:
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%।
- অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি।
- জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কৃষিখাতে।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭% [খানা আয়-ব্যয় জরিপ,২০২২ অনুসারে চরম দারিদ্র্যের হার – ৫.৬%]
সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪।
৭২) আইন ও সালিশ কেন্দ্র কী ধরণের সংস্থা?
অর্থনৈতিক
মানবাধিকার
ধর্মীয়
খেলাধুলা
মানবাধিকার
ব্যাখ্যা:
• আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা।
- ১৯৮৬ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৯ জন।
- শুরুতে আসক ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করে।
- এর মূল লক্ষ্য সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
উৎস: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
৭৩) বাংলাদেশ জাতিসংঘের-
১৪৬ তম সদস্য
১৩৬ তম সদস্য
১২৬ তম সদস্য
১১৬ তম সদস্য
১৩৬ তম সদস্য
ব্যাখ্যা:
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৪) বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় -
৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩
৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
৭ মার্চ, ১৯৭৩
৭ এপ্রিল , ১৯৭৩
৭ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা:
• প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
- ৩০০ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৫ টি সংরক্ষিত মহিলা আসন ছিল।
- নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩ টি আসনে জয়লাভ করে ।
- স্পিকার ছিলেন মাহমুদউল্ল্যা ।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তিনিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উনুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৭৫) ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল?
যুক্তরাজ্য
ফ্রান্স
যুক্তরাষ্ট্র
সোভিয়েত ইউনিয়ন
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা:
• বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬) বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভু্ক্ত করা হয়েছে?
চতুর্থ তফসিলে
পঞ্চম তফসিলে
ষষ্ঠ তফসিলে
সপ্তম তফসিলে
পঞ্চম তফসিলে
ব্যাখ্যা:
• পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের — পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
এগুলো হলো:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৭) 'বঙ্গভঙ্গ' কালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
লর্ড কার্জন
লর্ড ওয়াভেল
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
লর্ড লিনলিথগো
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা:
• বঙ্গভঙ্গ:
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর — লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮) বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
সিলেটের বনভূমি
পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা:
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি:
- উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি।
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি শাল বা গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র।
- এজন্য এটি গজারী বা শালবৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত।
অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৯) বাংলাদেশ প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়-
১৯৭২ সালে
১৯৭৩ সালে
১৯৭৪ সালে
১৯৭৫ সালে
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা:
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় দশ বছর পরপর।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় — ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে যথা: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৮০) Inclusive Development Index ( IDI)-এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?
প্রথম স্থান
দ্বিতীয় স্থান
তৃতীয় স্থান
চতুর্থ স্থান
দ্বিতীয় স্থান
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• World Economic Forum (WEF) বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম The Inclusive Development Index প্রকাশ করে থাকে। এই রিপোর্টে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি বিষয়ে বিশ্লেষণ থাকে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum) কর্তৃক প্রকাশিত,
- Inclusive Delopment Index (IDI) সূচকের উদীয়মান অর্থনীতি বিভাগে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান — ৩৪তম।
- দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে নেপাল।
- ২০১৮ সালে Inclusive Delopment Index এর সর্বশেষ তথ্য বের হয়েছে।
Source: The Daily Star, 24.01.2018, World Economic Forum.
৮১) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত?
$ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
$ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
$ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
$ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP-তে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ ছিল?
২৯.৬৬%
৩০.৬৬%
৩২.৬৬%
৩৩.৬৬%
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• বাংলাদেশের জিডিপিতে:
- শিল্প খাতের অবদান — ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
উল্লেখ্য,
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে –
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ।
- পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৩) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে-
সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি প্রণোদনা হিসেবে ৭,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় কম, যেখানে ৯,০২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। এই হ্রাসের কারণ হলো, বাংলাদেশ শীঘ্রই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে, এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম অনুসারে উন্নয়নশীল এবং উন্নত দেশগুলো আর রপ্তানিতে সরাসরি নগদ সাহায্য প্রদান করতে পারবে না​
• ২০২৩ সালের জাতীয় বাজেটে সরকার স্থানীয় রপ্তানিকারকদের জন্য ৭,৮২৫ কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা বরাদ্দ করেছে, পাট খাত বাদ দিয়ে।
• চলতি অর্থবছরে 9,025 কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল, এবং কর্মকর্তাদের মতে, এটি 7,000 কোটি টাকার কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
------------------
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
সূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, Daily Star report- 04 jun, 2024.
৮৪) বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-
১৯৯১ সালে
১৯৭৩ সালে
১৯৮৬ সালে
১৯৯৬ সালে
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা:
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় — ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর,
- দ্বিতীয় : আয়কর,
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক,
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক।
উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।
৮৫) সংবিধানের কোন সংশোধনকে 'first distortion of constitution' বলে আখ্যায়িত করা হয়?
৫ম সংশোধনকে
৪র্থ সংশোধনকে
৩য় সংশোধনকে
২য় সংশোধনকে
৫ম সংশোধনকে
ব্যাখ্যা:
• সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution'হিসেবে অভিহিত করা হয়।
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৮৬) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
চতুর্থ
পঞ্চম
ষষ্ঠ
সপ্তম
সপ্তম
ব্যাখ্যা:
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে নতুন ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের — সপ্তম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
এগুলো হলো:
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল -ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
এবং সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
---------------------------
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া।
৮৭) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
৭ মার্চ , ১৯৭২
২৬ মার্চ, ১৯৭৩
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা:
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান প্রবর্তিত হয় — ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে?
১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
১৩৪ নং অনুচ্ছেদে
১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা:
• সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে’।
এছাড়াও-
- ১৩৫ নং অনুচ্ছেদ - অসামরিক সরকারি কর্মচারিদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ - কর্ম কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ - কর্মের মেয়াদ।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯) আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিল -
১৯৬৬ সালে
১৯৬৭ সালে
১৯৬৮ সালে
১৯৬৯ সালে
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা:
• ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে।
-----------------
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০) বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ছিল কত জন?
৩৪ জন
৩৫ জন
৩৬ জন
৩২ জন
৩৫ জন
ব্যাখ্যা:
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামী ছিলো — ৩৫ জন।
- বঙ্গবন্ধু ব্যতীত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিলো ৩৪ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে।
- যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯১) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়-
১৩ হাজার ১২৫টি
১৩ হাজার ১৩০টি
১৩ হাজার ১৩৬টি
১৩ হাজার ১৪৬টি
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
কমিউনিটি ক্লিনিক:
- কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বিনা মূল্যে প্রায় ২৭ ধরনের ওষুধের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং পুষ্টি সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হয়।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে সার্বিক প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যার আওতায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের প্রসবপূর্ব (প্রতিরোধ টিকা দানসহ), প্রসবকালীন এবং প্রসবোত্তর সেবা।
- জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক মার্গারেট চ্যান বাংলাদেশ সফরে এসে কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোগকে বিপ্লব হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
কমিউনিটি ক্লিনিক চালু:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, চালু কমিউনিটি ক্লিনিক — ১৪,২৭৫টি।
- কমিউনিটি ক্লিনিক হতে ২৭ প্রকার ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট,অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪।
৯২) 'Let There Be light ' - বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন-
আমজাদ হোসেন
জহির রায়হান
খান আতাউর রহমান
শেখ নিয়ামত আলী
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা:
• 'Let There Be Light' বিখ্যাত চলচ্চিত্র- জহির রায়হানের।
- চলচ্চিত্রটি অসমাপ্ত।
- এটি শেষ হবার আগেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
------------------
• জহির রায়হান:
- তিনি ১৯৩৫ সালে ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- জহির রায়হানের প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
• জহির রায়হান সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’।
- তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনো আসে নি’।
- তাঁর সৃষ্ট প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি ‘বাহানা’।
- তাঁর সৃষ্ট 'কাঁচের দেয়াল' চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নিগার পুরস্কার লাভ করে।
অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Let There Be Light,
- Stop Genocide,
- কখনো আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯৩) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন?
১৪৯৮-১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে
১৪৯৮-১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে
১৪৯৮-১৫১৮ খ্রিস্টাব্দে
১৪৯৮-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
১৪৯৮-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা:
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
• সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
• তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
• তিনি আরব দেশীয় সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
• তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
• তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
• তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
• তাঁর সমাধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪) প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
অশোক মৌর্য
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সমুদ্র গুপ্ত
এর কোনোটিই নয়
অশোক মৌর্য
ব্যাখ্যা:
• মৌর্য সাম্রাজ্য:
- প্রাচীন ভারতে সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে।
- মৌর্য সাম্রাজ্যই ভারতের ইতিহাসে প্রথম সর্বভারতীয় সাম্রাজ্য।
- ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- বাংলায় মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন — সম্রাট আশোক।
- তাঁর রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- মেগাস্থিনিসের ‘ইন্ডিকা' গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- গ্রিক শাসন থেকে তিনি ভারতভূমিকে মুক্ত করেছিলেন।
- তাঁর রাজধানী পাটলীপুত্র ছিল সুন্দর এবং বিশাল এক প্রাসাদ নগরী।
- ২৪ বছর রাজত্ব করার পর তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ত্যাগ করেন বলে জানা যায়।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫) ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসছিলেন -
পর্তুগিজরা
ইংরেজরা
ওলন্দাজরা
ফরাসিরা
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা:
• বাংলায় ইউরোপীয় বণিকেদের মধ্যে,
- পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
পর্তুগিজদের নিয়ে আরো কিছু তথ্য:
• পর্তুগালের অধিবাসীরা পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।
• ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
• আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
• উপমহাদেশে আগমন- ১৪৯৮
• বাংলায় আগমন- ১৫১৬ ( হুগলি )
• বাংলায় প্রথম কুঠি-১৫১৭ ( হুগলি )
• বাংলা ত্যাগ-১৬৬৬ চট্রগ্রাম থেকে
• ভারত ত্যাগ-১৯৬১ গয়া থেকে।
-------------------------
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।
- এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার শেষে আসেন ফরাসিরা।
• ইংরেজরা বাংলায় আগমন-১৬০০ সালে।
• ফরাসিরা বাংলায় আগমন-১৬৭৪ সালে।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৯৬) বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
ফরিদপুর
রংপুর
জামালপুর
শেরপুর
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা:
কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৩ অনুসারে,
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে (২৯,৪৬,৪৮৬ বেলস)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ বেলস)।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৩।
৯৭) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন]
বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
২ কোটি ২১ লক্ষ একর
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯৮) 'গারো উপজাতি' কোন জেলায় বাস করে?
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সিলেট
ময়মনসিংহ
টাঙ্গাইল
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা:
• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
তাছাড়া,
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
উল্লেখ্য,
গারো উপজাতি মূলত ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে। বিশেষ করে, গারো উপজাতির মানুষেরা ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মূল আবাসস্থল হচ্ছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এলাকা।
সিলেট জেলায় কিছু সংখ্যক গারো বাস করলেও বেশিরভাগ গারো 'ময়মনসিংহ' জেলায় বাস করে বিধায় উত্তর হিসেবে ময়মনসিংহ গ্রহণ করা হলো।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৯৯) OIC-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন?
২য় শীর্ষ সম্মেলনে
৫ম শীর্ষ সম্মেলনে
৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে
৭ম শীর্ষ সম্মেলনে
২য় শীর্ষ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত 'OIC' এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।
উৎস: OIC ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১০০) নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত?
BIMSTEC
CICA
IORA
SAARC
BIMSTEC
ব্যাখ্যা:
• বিমসটেক (BIMSTEC):
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ ‘Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation’।
- এর পূর্ব নাম ছিলো BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে 'M' যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারন করে।
এক নজরে BIMSTEC -
▪ প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
▪ সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
▪ সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- CICA (Conference on Interaction and Confidence-Building Measures in Asia) এর সদরদপ্তর কাজাখস্তানের রাজধানী নুরসুলতান।
- IORA (Indian Ocean Rim Association) এর সদর দপ্তর মরিশাসের এবেনে।
- SAARC (South Asian Associatiion for Regional Co-operation) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল।
(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১০১) Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন-
৩ ভাগে
৪ ভাগে
৫ ভাগে
৬ ভাগে
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা:
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সংজ্ঞা ও নামকরণ নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে।
- অনেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী না বলে একে স্বার্থকামী গোষ্ঠী নামে অভিহিত করেছেন।
- অনেকে আবার এরূপ গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক গোষ্ঠী, মনোভাবকেন্দ্রিক গোষ্ঠী বলেও উল্লেখ করেছেন।
⇒ অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি (Lobby) এবং এলান পটার এটাকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- যেমন-শিক্ষক সমিতি, ব্যবসায়ী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিক সংঘ ইত্যাদি।
⇒ অধ্যাপক এলান আর বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমভাবাপন্ন সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বুঝাতে চেয়েছেন।
- তিনি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে দুভাগে ভাগ করেছেন যেমন স্বার্থকারী (Interest Group) গোষ্ঠী এবং সমদৃষ্টিসম্পন্ন (Attitude Group) গোষ্ঠী।
⇒ অধ্যাপক মাইরন উহনারের বক্তব্য খুবই প্রনিধানযোগ্য, তিনি বলেন, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল কোন স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী যা সরকারী কাঠামোর বাইরে থেকে সরকারী কর্মকর্তাদের মনোনয়ন ও নিয়োগ, সরকারী নীতি গ্রহণ, পরিচালনা বা নির্ধারনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।
⇒ অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এক ধরণের স্বার্থকামী গোষ্ঠী বলে অভিহিত করেছেন।
- তারা সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন গোষ্ঠীগুলোকে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করছেন। যেমন:
→ স্বতঃস্ফূর্ত স্বার্থকামী গোষ্ঠী,
→ সংগঠন ভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী,
→ অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী,
→ প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
উৎস: রাষ্টবিজ্ঞান-৩: স্নাতক শ্রেণি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২) Alliance যে দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন -
যুক্তরাজ্যের
যুক্তরাষ্ট্রের
কানাডার
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
যুক্তরাষ্ট্রের
ব্যাখ্যা:
Alliance:
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Alliance'।
- 'অ্যালায়েন্স অ্যাপারেল হলো একটি পূর্ণ-পরিষেবা পোশাক সোর্সিং সলিউশন কোম্পানি।
- তারা সারা বিশ্ব জুড়ে সক্রিয় পোশাক, বিস্তৃত ফ্যাশন এবং স্পোর্টসওয়্যারের সুবিধা প্রদান করে।
উল্লেখ্য,
- অ্যালায়েন্স বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংস্থা।
- এদের মেয়াদ পাঁচ বছর।
⇒ এরা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে।
- সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০+ কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে।
উৎস: Alliance Apparel ওয়েবসাইট।
১০৩) জাতিসংঘ কোন সালে মানবাধিকার সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণার ঐতিহাসিক নথিটি গ্রহণ করে?
১৯৪৮
১৯৫৬
১৯৪৫
২০০০
১৯৪৮
ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এদিন ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, 'অধিকারের প্রশ্নে মানুষ স্বাধীন ও সমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং সবসময় সেভাবেই থাকতে চায় (Men are born and always continue free and equal in respect to their rights).
- জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মানবাধিকার ভোগের বেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব যে ধরনের নাগরিকই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, সে যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য বা পার্থক্য করা হবে না।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১০৪) সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন সালের কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
সেপ্টেম্বর, ২০১৮
মার্চ, ২০১৯
ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ডিসেম্বর, ২০১৮
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন একটি উন্মুক্ত ফোরাম।
- এখানে নানা দেশের প্রতিনিধিরা নানা বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- এখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
- তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালে ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়।
- প্রথম এক দশক সে সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইউরোপের বাইরের বিভিন্ন দেশ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।
⇒ ২০২৪ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সালে জার্মানির মিউনিখ শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
১০৫) পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কোন অংশে ভারত সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ) সামরিক বিমান হামলা পরিচালনা করে?
এবোটাবাদ
বালাকোট
কোয়েটা
গিলগিট
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। এটি বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
১০৬) নিচের কোন দেশে ২০২২ সালের G-20 বাৎসরিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে?
ইতালি
যুক্তরাষ্ট্র
ভারত
ব্রাজিল
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
জি-২০:
- গ্রুপ অফ টুয়েন্টি (G-20) হলো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- জি-২০ জোটের সদস্য: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ১৯তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।
উৎস: Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
১০৭) 'দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
মার্থা ন্যুসবাম
জোসেফ স্টিগলিটজ
অমর্ত্য সেন
জন রাউলস
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা:
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
উৎস: Britannica.
১০৮) শ্রীলংকার কোন সমুদ্রবন্দর চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে?
ত্রিঙ্কোমালী
হাম্বানটোটা
গল বন্দর
পোর্ট অব কলম্বো
হাম্বানটোটা
ব্যাখ্যা:
শ্রীলংকা:
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বৃহত্তম নগরী: কলম্বো।
- মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি।
উল্লেখ্য,
- শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার।
- এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত।
- কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
উৎস: Britannica.
১০৯) যুক্তরাষ্ট্রের Guantanamo Bay Detention Camp কোথায় অবস্থিত?
ফ্লোরিডা
হাইতি
কিউবা
জ্যামাইকা
কিউবা
ব্যাখ্যা:
গুয়ানতানামো বে:
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- আমেরিকান আইন-কানুন এবং মানবাধিকারের ধারাগুলোকে ফাঁকি দিতে স্বদেশভূমির বাইরে ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার গুয়ানতানামো বে প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিতে এই কারাগারটি স্থাপন করা হয়।
- ১৯০৩ সালের হাভানা চুক্তির আওতায় কিউবা থেকে ইজারা নিয়ে ওই দ্বীপ এলাকায় মার্কিন এই সামরিক ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল।
- এই কারাগার বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন হলো কিউবায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের একটি সুরক্ষিত ও গোপনীয় বন্দি শিবির।
- ‘নাইন-ইলেভেন’ হামলার পর ২০০২ সালের ১১ জানুয়ারি কিউবায় কারাগারটি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
- কিউবার মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
উৎস: Britannica.
১১০) টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত ২০৩০ এজেন্ডা (The 2030 Agenda for Sustainable Development) -তে কয়টি লক্ষ্য (goals) রয়েছে?
১৫
১৭
২১
২৭
১৭
ব্যাখ্যা:
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
⇒ মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. গুণগত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
১১১) 'V20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
কৃষি উন্নয়ন
দারিদ্র বিমোচন
জলবায়ু পরিবর্তন
বিনিয়োগ সম্পর্কিত
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা:
Vulnerable 20 (V20):
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- এটি গঠিত হয়: ৮ অক্টোবর, ২০১৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লিমা, পেরু।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬৮টি।
⇒ ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।
উল্লেখ্য,
- ২০২২-২০২৪ মেয়াদে এই গ্রুপের সভাপতিত্ব করবে ঘানা।
উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।
১১২) জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
১৯৭৯ সালে
১৯৮২ সালে
১৯৮৩ সালে
১৯৯৮ সালে
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা:
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।
⇒ আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল (Territorial sea):
- তটরেখা হতে একটি নির্দিষ্ট দ রত্বে সমুদ্রের উপর উপকূলীয় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে।
- এ সমুদ্র অঞ্চলকেই আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে এ দ রত্ব ১২ নটিক্যাল মাইল নির্ধারণ করা হয়।
⇒ সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone):
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুহকে সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অধিকার প্রদান করা হয়।
- এখানে উপকূলীয় রাষ্ট্রের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অধিকার থাকে।
- এটি তটরেখা হতে সমুদ্রে সর্বোচ ২০০ নটিক্যাল মাইল বিস্তৃত হবে।
⇒ মহীসোপান (Continental shelf):
- মহাদেশের কিছু অংশে সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এখানে সমুদ্রের গভীরতা কম থাকে।
- মহাদেশের এ স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে সাধারণভাবে কোন কোন দেশ তটরেখা হতে সমুদ্র বক্ষে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ২৫০০ মিটার গভীর সমুদ্র তলদেশ হতে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তার মহীসোপান কি বিস্তৃত করতে পারবে।
উৎস: UNCLOS ওয়েবসাইট।
১১৩) বিশ্বের সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলন (ডিসেম্বর, ২০১৮ ) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
কাটোউইস, পোল্যান্ড
প্যারিস, ফ্রান্স
রোম, ইতালি
বেইজিং ,চীন
কাটোউইস, পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
২০১৮ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন ক্যাটওয়াইস জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন নামেও পরিচিত। এটি পোল্যান্ডের ক্যাটওয়াইসে২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।
উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্বনেতারা পরিবেশের দূষণ কমানো, জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেন।
- কপ-২৮ সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন আবুধাবি জাতীয় তেল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তিমন্ত্রী সুলতান আহমেদ আল জাবের।
- ২০২৩ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ এ ১৯৯ সংখ্যক জাতি অংশগ্রহণ করেছিল।
অন্যদিকে -
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হবে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১১৪) Sunshine Policy- এর সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত?
চীন, রাশিয়া
উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
জাপান, থাইল্যান্ড
তাইওয়ান, হংকং
উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা:
Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত দুই দেশ হলো উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে।
- এটি ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।
⇒ Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।
⇒ Sunshine Policy তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
• উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না।
• দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না।
• দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়।
উৎস: Britannica.
১১৫) BRICS কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম হচ্ছে-
New Development Bank (NDB)
BRICS Development Bank (BDB)
Economic Development Bank (EDB)
International Commercial Bank (ICB)
New Development Bank (NDB)
ব্যাখ্যা:
New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৪ সালে (ব্রিকস দ্বারা)।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- সদস্য দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।
- এনডিবি চুক্তি অনুযায়ী 'ব্যাংক ঋণ, গ্যারান্টি, ইকুইটি অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করবে।'
- এনডিবি 'আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অন্যান্য আর্থিক সংস্থার সাথে সহযোগিতা করবে এবং ব্যাঙ্ক দ্বারা সমর্থিত প্রকল্পগুলির জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।'
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে New Development Bank-এর সদস্য পদ লাভ করে।
উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
১১৬) চীন নিচের কোন আফ্রিকান দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে?
ইথিওপিয়া
জাম্বিয়া
লাইবেরিয়া
জিবুতি
জিবুতি
ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
সামরিক ঘাঁটি:
⇒ আফ্রিকার সাথে শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্ক গড়া চীনের পররাষ্ট্রনীতি অন্যতম দিক।
- সেই লক্ষ্যে ২০১৭ সালের আগস্টে চীন দেশের বাইরে জিবুতিতে নিজেদের প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
- দেশটির কৌশলগত অবস্থানের কারণে চীন এই দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
উল্লেখ্য,
- পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি।
- এটি লোহিত সাগর হয়ে সুয়েজ খালে প্রবেশদ্বারের কাছে রয়েছে।
- চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
- ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
- ২০১৫ সালে আফ্রিকার দেশগুলোর এক সম্মেলনে আফ্রিকার উন্নয়নে ছয় হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয় চীন।
উৎস: BBC.
১১৭) কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
ফিনল্যান্ড
পোল্যান্ড
অস্ট্রিয়া
সুইডেন
অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা:
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
এছাড়াও,
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহে আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য কিছু আন্তঃসরকার সংস্থা রয়েছে।
⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।
উল্লেখ্য,
- অস্ট্রিয়া ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
উৎস: Britannica.
১১৮) নিচের কোন সংস্থাটির স্থায়ী সদর দপ্তর নেই?
NATO
NAM
EU
ASEAN
NAM
ব্যাখ্যা:
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
অন্যদিকে,
- NATO-এর বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ASEAN-এর বর্তমান সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- EU-এর বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
১১৯) জাতিসংঘ বিষয়ক আলোচনায় পি৫ (P5) বলতে কী বুঝায়?
নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র
পাঁচটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র
পাঁচটি জাতিসংঘ সংস্থা
উপরের কোনোটিই নয়
নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা:
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- সদস্যগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
১২০) মিনস্ক নিচের কোন দেশের রাজধানী?
তাজাকিস্তান
আজারবাইজান
পর্তুগাল
বেলারুশ
বেলারুশ
ব্যাখ্যা:
বেলারুশ:
- বেলারুশ পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ।
- রাজধানী: মিনস্ক।
- মুদ্রা: রুবল।
অন্যদিকে -
- তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানবে।
- আজারবাইজানের রাজধানী বাকু।
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
উৎস: Britannica.
১২১) নিচের কোনটি জলজ উদ্ভিদ নয়?
হিজল
করচ
ডুমুর
গজারী
গজারী
ব্যাখ্যা:
জলজ উদ্ভিদ:
- জলজ উদ্ভিদ সহজে পানিতে ভাসতে পারে, কারণ এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে।
- অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড ফাঁপা।
- এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে, তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে।
- এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
- করচ, হিজল ও ডুমুর - জলজ উদ্ভিদ।
⇒ জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে।
- বায়ুমণ্ডলে ০.০৩% এবং পানিতে ০.৩% কার্বন ডাই-অক্সাইড আছে, তাই জলজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
অন্যদিকে,
- গজারীর অপর নাম শাল।
- গাছ কাটার পর গোড়া থেকে চারা গজানোর কারণে এর নাম গজারি হয়েছে মনে করা হয়।
- লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে।
- গজারী জলজ উদ্ভিদ নয়।
- পানিতে এ গাছ বেশিদিন বাঁচে না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২২) বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) কোন সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়?
১৯৭৪
১৯৮৮
১৯৯৮
২০০৭
১৯৯৮
ব্যাখ্যা:
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।
⇒ মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০৪ ও ২০০৭ সালে সংঘটিত বন্যার প্রভাব সবচেয়ে ব্যাপক ছিলো।
- ১৯৮৮ সালে পানি ১১২ সেন্টিমিটার ও ১৯৯৮ সালে বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করেছিল।
এছাড়াও,
- গঙ্গা তথা পদ্মার পানি ১৯৮৮ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬২ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- ১৯৯৮ সালের বন্যায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার উপরে ছিল।
- ১৯৮৮ সালের বন্যায় মেঘনা নদীর ভৈরব বাজার পয়েন্টে পানির উচ্চতা বিপদসীমার ১৮১ সেন্টিমিটার উপরে ছিল এবং ১৯৯৮ সালে সেটি ১০৮ সেন্টিমিটার উপরে দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- ১৯৮৮ সালে যেটা হয়েছিল যে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র দুটো নদীর পানির উচ্চতা একসঙ্গে বেড়ে গিয়েছিল।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের ৬১% ও ১৯৯৮ সালে ৬৮% এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল।
⇔ তাই বলা যায়, ১৯৯৮ সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়।
উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ২৪ অগাস্ট ২০১৭, BBC।
১২৩) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
নয়াদিল্লি
কলম্বো
ঢাকা
কাঠমান্ডু
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটে অবস্থিত।
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
⇒ সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত। যথা:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক কৃষিবিষয়ক কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ।
উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।
উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১২৪) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়?
নির্মাণ খাত
কৃষি খাত
সেবা খাত
শিল্প কারখানা খাত
কৃষি খাত
ব্যাখ্যা:
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।
⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২৫) বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী যে ধরনের বন্যা কবলিত হয় তার নাম -
নদীজ বন্যা
আকস্মিক বন্যা
বৃষ্টিজনিত বন্যা
জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
ব্যাখ্যা:
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।
⇒ মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
⇒ আকস্মিক বন্যা:
বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
⇒ জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা:
- উপকূলীয় অঞ্চলে আরেক ধরণের বন্যা দেখা যায়, যার নাম জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা।
- ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছাস জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সমুদ্রের পানি উপকূলীয় অঞ্চল সমূহকে প্লাবিত করে এই ধরনের বন্যার সৃষ্টি করে।
- সংক্ষিপ্ত স্থিতিকাল বিশিষ্ট এই বন্যার উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ভূ-ভাগের নিষ্কাশন প্রণালীকে আবদ্ধ করে ফেলে।
⇒ নগর বন্যা:
- নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে বন্যা দেখা দেয়।
- এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে।
- ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা যায়।
উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২৬) নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
মার্বেল
কয়লা
গ্রানাইট
নিস
কয়লা
ব্যাখ্যা:
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।
অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।
- আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭) নিচের কোনটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র?
১ : ১০,০০০
১ : ১০০,০০০
১ : ১০০০,০০০
১ : ২৫০০,০০০
১ : ১০,০০০
ব্যাখ্যা:
মানচিত্র:
• স্কেলের উপর ভিত্তি করে মানচিত্রকে প্রধান দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা:
১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র:
- যখন ব্যাপক এলাকাকে ছোট করে কাগজে অঙ্কন করা হয় তখন তাকে ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র বলে।
- এ ক্ষেত্রে সমগ্র পৃথিবী বা মহাদেশ বা দেশের বড় এলাকাকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয়।
- ভূ-চিত্রাবলীর মানচিত্র ও দেওয়াল মানচিত্র ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র।
- যেমন: ১: ১০,০০০।
২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র:
- ক্ষুদ্র এলাকাকে বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করে যখন অনেক বড় করে দেখান হয়, তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে।
- যেমন: ১"=১৬ মাইল; ১৬"= ১মাইল।
- যেমন: ১: ১০,০০০।
- যেমন মৌজা মানচিত্র বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র, ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র।
উল্লেখ্য,
• প্রাকৃতিক মানচিত্র (Physical map):
- যে মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূমিরূপ যেমন: পর্বত, মালভূমি, ভূমি, নদী, হ্রদ ইত্যানি সম্পর্কে তথ্য থাকে তাকে প্রাকৃতিক মানচিত্র বলে।
- প্রাকৃতিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয়।
উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮) সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে বলা হয়-
আইসোথার্ম
আইসোবার
আইসোহাইট
আইসোহেলাইন
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা:
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।
উল্লেখ্য,
⇒ সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।
⇒ সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।
⇒ সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।
উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯) নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়?
বায়ু দূষণ
দুর্ভিক্ষ
মহামারী
কালবৈশাখী
কালবৈশাখী
ব্যাখ্যা:
কালবৈশাখী মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়।
‘আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।
উল্লেখ্য,
⇒ প্রাকৃতিক আপদ:
- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন, কালবৈশাখী ইত্যাদি।
⇒ মানবসৃষ্ট আপদ:
- ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড, বায়ু দূষণ, দুর্ভিক্ষ, মহামারী ইত্যাদি।
⇒ কারিগরি আপদ:
- বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।
উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১৩০) বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরণের বনভূমি?
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ , আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়
পত্র পতনশীল জাতীয়
ম্যানগ্রোভ জাতীয়
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ , আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের বনভূমি:
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।
⇔ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয় বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩১) AC কে DC করার যন্ত্র-
রেকটিফায়ার
অ্যামপ্লিফায়ার
ট্রানজিস্টর
ডায়োড
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা:
রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
- একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার দুই প্রকার।
যথা-
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২) বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে -
লাউড স্পিকার
অ্যামপ্লিফায়ার
জেনারেটর
মাল্টিমিটার
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা:
শক্তির রূপান্তর:
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩) বাতাসের আর্দ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
মাইকোমিটার
হাইগ্রোমিটার
ব্যারোমিটার
গ্রাভিমিটার
হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা:
বায়ুর আর্দ্রতা:
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতো না। তাই বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা: পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আর আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪) একটি বাল্বে '60W-220V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম (Ohm)?
16.36
160
280
806.67
806.67
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি বাল্বে '60W-220V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম (Ohm)?
সমাধান:
এখানে,
বিভব পার্থক্য, V = 220V
ক্ষমতা, P = 60 W
রােধ, R = ?
আমরা জানি,
P = V2/R
বা, R = V2/P
বা, R = (220×220)/60
∴ R = 806.67 ওহম।
১৩৫) নবায়নযোগ্য জ্বালানীর উৎস-
তেল
গ্যাস
কয়লা
বায়োগ্যাস
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা:
শক্তির উৎস:
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা-
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি।
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়োগ্যাস, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৬) কার্বোহাইড্রেট C, H এবং O-এর অনুপাত কত?
১ : ১ : ২
১ : ২ : ১
১ : ৩ : ২
১ : ৩ : ১
১ : ২ : ১
ব্যাখ্যা:
কার্বোহাইড্রেট:
- উদ্ভিদের সবুজ অংশে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানির বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয় কার্বোহাইড্রেট।
- জীবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ গাঠনিক ও সঞ্চয়ী উপাদান হলো কার্বোহাইড্রেট।
- আমাদের খাদ্য তালিকার প্রধান উপাদানও কার্বোহাইড্রেট।
- কার্বোহাইড্রেটকে হাইড্রেট্স অব কার্বন থেকে নামকরণ করা হয়েছে, এর অর্থ হলো কার্বনের জলায়ন।
- কার্বোহাইড্রেটের প্রতি অণু কার্বনের সাথে দুই অণু হাইড্রোজেন ও এক অণু অক্সিজেন থাকে।
- কাজেই কার্বোহাইড্রেট হলো কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেনের (O) সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ যেখানে এদের অনুপাত ১ : ২ : ১।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭) সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত -
CH2COONa
(CH3COO)2Ca
CH3COONa
CHCOONa
CH3COONa
ব্যাখ্যা:
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত:
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa,
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2,
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3,
- চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত- CaCO3,
- ভিনেগারের রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH,
- চুনের রাসায়নিক সংকেত- CaO,
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O,
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3,
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O],
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O,
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O,
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3,
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl.
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৮) ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস কী?
আইসোটোন
আইসোটোপ
আইসোবার
আইসোমার
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা:
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়।
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৯) খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে -
অক্সিজেন
কার্বন ডাই-অক্সাইড
নাইট্রোজেন
জলীয় বাষ্প
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা:
- সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে।
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরির এ প্রক্তিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়।
- খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড।
- সালোকসংগ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল।
- তার মধ্যে পানি ও ক্লোরোফিল আসে উদ্ভিদের কোষ থেকে, কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডল থেকে এবং সূর্যালোক গ্রহণ করে সূর্য থেকে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪০)
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
17
18
35
70
18
ব্যাখ্যা:
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: - কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে।
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে।
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z.
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়।

এখানে,
X = মৌলের প্রতীক।
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে।
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়।
ক্লোরিন (Cl) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়: 
- ক্লোরিনের প্রোটন সংখ্যা 17 এবং
- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণবিক ভর 35
অতএব, নিউট্রন সংখ্যা হবে = 35 - 17 = 18 ।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১) কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা কিসের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়?
ঘনীভবন
বাষ্পীভবন
গলনাংক
স্ফুটনাংক
গলনাংক
ব্যাখ্যা:
- কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা গলনাংক এর মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়।
- যে তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলতে আরম্ভ করে সে তাপমাত্রাকে গলনাঙ্ক বলা হয়।
- কঠিন পদার্থের সাথে যদি কোন অপদ্রব্য মিশ্রিত অবস্থায় থাকে তাহলে বুঝতে হবে কঠিন পদার্থটি যে তাপমাত্রায় গলার কথা সে তাপমাত্রায় গলবে না।
অন্যদিকে,
- তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪২) অ্যানোডে কোন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
জারণ
বিজারণ
প্রশমন
পানিযোজন
জারণ
ব্যাখ্যা:
তড়িৎদ্বার:
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিগলিত অথবা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে দুটি ধাতব পরিবাহী অথবা গ্রাফাইট দন্ড এমনভাবে রেখে দেয়া হয় যেন একটি দিয়ে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে যায়।
- এ দুটি ধাতব অথবা গ্রাফাইট পরিবাহীকে তড়িৎদ্বার বলা হয়।
- তড়িৎদ্বার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে কোষ বর্তনী পূর্ণ করে।
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন।
যথা-
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং
২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার।
অ্যানোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বলে।
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়।
ক্যাথোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বলে।
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৩) কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
পুকুরে
খালে
নদীতে
সাগরে
সাগরে
ব্যাখ্যা:
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ:
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে।
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়।
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম।
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয় ফলে সাগরে বা সমুদ্রে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৪) ডিমে কোন ভিটামিন নেই?
ভিটামিন-এ
ভিটামিন-বি
ভিটামিন-সি
ভিটামিন-ডি
ভিটামিন-সি
ব্যাখ্যা:
ভিটামিন সি:
- ভিটামিন-সি এর অপর নাম অ্যাসকরবিক এসিড।
- পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদিতে ভিটামিন সি থাকে।
- সবুজ শাক-সবজি ও ফল যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, পালং শাক ইত্যাদিতে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়।
- সবচেয়ে বেশি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল আমলকি।
- ডিম ও দুধে ভিটামিন-সি ছাড়া সকল ভিটামিন রয়েছে।
অন্যদিকে,
- দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদিতে ভিটামিন এ থাকে।
- ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদিতে ভিটামিন বি থাকে।
- ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি থাকে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫) কোনটির জন্য পুষ্প রঙ্গিন ও সুন্দর হয়?
ক্রোমোপ্লাস্ট
ক্লোরোপ্লাস্ট
ক্রোমাটোপ্লাস্ট
লিউকোপ্লাস্ট
ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা:
প্লাস্টিড:
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।
ক্রোমোপ্লাস্ট:
- ক্রোমোপ্লাস্ট রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়।
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়।
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
- ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে পুষ্প রঙিন ও সুন্দর হয়।
- রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়।
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ।
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৬) H.323 Protocol সাধারণত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
File transfer
VolP
Data Security
File download
VolP
ব্যাখ্যা:
- H.323 Protocol সাধারণত VolP-তে ব্যবহৃত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪৭) মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
OMR
OCR
MICR
Scanner
OCR
ব্যাখ্যা:
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
• এমআইসিআর (MICR):
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৮) একটি রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে নিচের কোনটি দ্বারা Relation প্রকাশ করা হয়?
Tuples
Attributes
Tables
Rows
Tables
ব্যাখ্যা:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায় ।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায় ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯) Bluetooth কিসের উদাহরণ?
Personal Area Network
Local Area Network
Virtual Private Network
কোনোটিই নয়
Personal Area Network
ব্যাখ্যা:
• Bluetooth, Personal Area Network (PAN) এর উদাহরণ।
• Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫০) মোবাইল ফোনে কোন Mode-এ যোগাযোগ হয়?
Simplex
Half-duplex
Full-duplex
কোনোটিই নয়
Full-duplex
ব্যাখ্যা:
• মোবাইল ফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ হয়।
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
১। সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
২। হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- উদাহরণ-ওয়াকিটকি।
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫১) Firewall কী protection দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়?
Fire attacks
Unauthorized access
Virus attacks
Data-driven attacks
Unauthorized access
ব্যাখ্যা:
• ফায়ারওয়াল:
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়।
- ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫২) TV Remote এর Carrier Frequency-র Range কত?
< 100 MHZ
< 1 GHZ
< 2 GHZ
Infra-red range-এর
Infra-red range-এর
ব্যাখ্যা:
• ইনফ্রারেড:
- এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সি সীমা ৩০০ 300 GHz থেকে ৪০০ THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩) নিচের কোনটি Octal number নয়?
19
77
15
101
19
ব্যাখ্যা:
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 19 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 9 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
১৫৪) Time-shared OS-এর জন্য কোন sheduling policy সবচেয়ে ভাল?
First come first serve
Round-robin
Shortest job first
Last come first serve
Round-robin
ব্যাখ্যা:
• Time-shared OS এর জন্য Round Robin scheduling policy সবচেয়ে ভাল।
• Time-shared OS:
- টাইম শেয়ারিং হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম যার দ্বারা একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত কয়েকটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই সাথে কাজ করতে পারে।
• Round Robin scheduling policy:
- Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ।
- আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে।
উৎস: Computerhope website.
১৫৫) নিচের কোনটি 52(16) এর বাইনারী রূপ?
01010010(2)
01110011(2)
00001100(2)
11110000(2)
01010010(2)
ব্যাখ্যা:
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
এখানে,
5 = 0101
2 = 0010
∴ (52)16 = (01010010)2
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬) প্রথম Web browser কোনটি?
Netscape Navigator
World Wide Web
Internet Explorer
Safari
World Wide Web
ব্যাখ্যা:
• WWW (World Wide Web) হলো পৃথিবীর প্রথম ব্রাউজার।
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১৫৭) Social Networking Site-এ যোগাযোগে কোন media ব্যবহৃত হয়?
Image/video
Audio
Text
উপরের সবগুলো
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা:
• Social Networking Site - এ যোগাযোগে image, audio, video, text সবগুলোই ব্যবহৃত হয়।
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো এমন এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে তথ্য, মতামত, ছবি, ভিডিও, এবং বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট শেয়ার করতে পারেন।
- এই মাধ্যমগুলো মানুষকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যুক্ত হতে এবং মতবিনিময় করতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, এবং লিঙ্কডইন সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- এগুলো শুধুমাত্র ব্যক্তিগত যোগাযোগের জন্য নয়, ব্যবসায়িক ও পেশাগত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা, নতুন ধারণা শেয়ার করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করে।
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে প্রধানত ব্যবহৃত মাধ্যমগুলো হলো:
- টেক্সট: মেসেজ, পোস্ট বা কমেন্ট আকারে লেখা যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।
- ছবি (Images): ছবি আপলোড এবং শেয়ার করে ভিজ্যুয়াল কমিউনিকেশন করা হয়।
- ভিডিও (Videos): ভিডিও শেয়ার বা লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন।
- অডিও (Audio): পডকাস্ট, ভয়েস মেসেজ বা অডিও ক্লিপ শেয়ার করা যায়।
- লিংক (Links): বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করে তথ্য বা সংবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়।
- ইমোজি এবং জিআইএফ (Emojis & GIFs): অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য ইমোজি ও জিআইএফ ব্যবহার করা হয়।
১৫৮) CPU কোন address generate করে?
Physical address
Logical Address
Both physical and logical addresses
উপরের কোনটি নয়
Logical Address
ব্যাখ্যা:
- সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা।
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১৫৯) নিচের কোন প্রােগ্রামটি একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একবারে অনুবাদ ও সম্পাদন করে?
Interpreter
Emulator
Compiler
Simulator
Compiler
ব্যাখ্যা:
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অ্যাসেম্বলি বা উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম এবং মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলা হয়।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করার জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যেমন:
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. অ্যাসেম্বলার (Assembler) এবং
৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০) নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে?
Mouse
Microphone
Touch Screen
Printer
Touch Screen
ব্যাখ্যা:
• টাচস্ক্রিন একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে।
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬১) নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
√9
√(27/48)
প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
সমাধান:

= মূলদ সংখ্যা

= মূলদ সংখ্যা
√9 = 3 = মূলদ সংখ্যা
√(27/48) = √(9/16) = 3/4 মূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর নেই। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হল।অমূলদ সংখ্যা:যে সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়।
- পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনাে স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা।
যেমন√2 = 1.414213..., √3 = 1.732 ..., √11= 3.31662............ ইত্যাদি অমূলদ সংখ্যা।
- কোনাে অমূলদ সংখ্যাকে দুইটিপূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় না।
- অমূলদ সংখ্যাকে একটি মূলদ সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে অমূলদ সংখ্যা পাওয়া যায়।
১৬২) নিচের কোন পূর্ণ সংখ্যাটি ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ১, ২, ৩ ও ৪ অবশিষ্ট থাকে?
৪৮
৫৪
৫৮
৬০
৫৮
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের কোন পূর্ণ সংখ্যাকে ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ১, ২, ৩ ও ৪ অবশিষ্ট থাকে?
সমাধান:
এখানে,
৩ - ১ = ২
৪ - ২ = ২
৫ - ৩ = ২
৬ - ৪ = ২
∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৩, ৪, ৫ ও ৬ এর ল.সা.গু অপেক্ষা ২ কম।
৩, ৪, ৫, ৬ - এর ল.সা.গু = ৬০
∴ নির্ণেয় সংখ্যা = (৬০ - ২) = ৫৮
১৬৩) পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত ৪ : ৩। তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত ৫ : ৪। পনিরের আয় ১২০ টাকা হলে, রবিনের আয় কত?
৩৬ টাকা
১২ টাকা
৭২ টাকা
৮৪ টাকা
৭২ টাকা
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত ৪ : ৩ । তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত ৫ : ৪, পনিরের আয় ১২০ টাকা হলে, রবিনের আয় কত?
সমাধান:
পনির : তপন = ৪ : ৩ = ২০ : ১৫
তপন : রবিন = ৫ : ৪ = ১৫ : ১২
পনির : তপন : রবিন = ২০ : ১৫ : ১২
পনিরের আয় = ২০ক
তপনের আয় = ১৫ক
রবিনের আয় = ১২ ক
প্রশ্নমতে,
২০ক = ১২০
ক = ১২০/২০
ক = ৬
রবিনের আয় = ১২ × ৬ = ৭২ টাকা
১৬৪) ৪৫০ টাকা বার্ষিক ৬% সুদে কত বছরে সুদে-আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?
৩ বছরে
৪ বছরে
৫ বছরে
৬ বছরে
৪ বছরে
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৪৫০ টাকা বার্ষিক ৬% সুদে কত বছরে সুদে-আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?
সমাধান:
সুদ = সুদাসল - আসল
= (৫৬০ - ৪৫২)
= ১০৮ টাকা
আমরা জানি,
সময় = (সুদ × ১০০)/(আসল × সুদের হার)
= (১০৮ × ১০০)/(৪৫০ × ৬)
= ৪ বছর
১৬৫) একটি মোটর সাইকেল ১২% ক্ষতিতে বিক্রি করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ১২০০ টাকা বেশি হতো, তাহলে ৮% লাভ হতো। মোটর সাইকেলের ক্রয়মূল্য -
৬০০০ টাকা
৫০০০ টাকা
৪০০০ টাকা
৮০০০ টাকা
৬০০০ টাকা
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি মোটর সাইকেল ১২% ক্ষতিতে বিক্রি করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ১২০০ টাকা বেশি হতো, তাহলে ৮% লাভ হতো। মোটর সাইকেলের ক্রয়মূল্য -
সমাধান:
১২% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয় মূল্য = (১০০ - ১২) = ৮৮ টাকা
৮% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৮) = ১০৮ টাকা।
∴ বিক্রয়মূল্যেদ্বয়ের পার্থক্য = (১০৮ - ৮৮) = ২০ টাকা।
বিক্রয় মূল্য ২০ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয় মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০/২০ টাকা
∴ বিক্রয় মূল্য ১২০০ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য (১০০ × ১২০০)/২০
= ৬০০০ টাকা।
১৬৬) {(0.9)3 + (0.4)3}/(0.9 + 0.4)} এর মান কত?
0.36
0.51
0.81
0.61
0.61
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: {(0.9)3 + (0.4)3}/(0.9 + 0.4)} এর মান কত?
সমাধান:
{(0.9)3 + (0.4)3}/(0.9 + 0.4)
= (0.9 + 0.4){(0.9)2 - (0.9 × 0.4) + (0.4)2}/(0.9 + 0.4)
= 0.81 - 0.36 + 0.16
= 0.61
১৬৭) 3x - 2 > 2x - 1 এর সমাধান সেট কোনটি?
[1, ∞)
(1, ∞)
[1/2, ∞)
[-1, ∞)
(1, ∞)
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 3x - 2 > 2x - 1 এর সমাধান সেট কোনটি?
সমাধান:
3x - 2 > 2x - 1
⇒ 3x - 2x > 2-1
⇒ x > 1
বুঝা যাচ্ছে সমধান হচ্ছে, x, 1 এর চেয়ে বড় যেকোনো সংখ্যা। অর্থাৎ, ২ থেকে অসীম পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা। এখন এটা আমাদেরকে সংকেত দিয়ে প্রকাশ করতে হবে।
(12, ∞) এটা আমাদের সমধানকে আংশিকভাবে সিদ্ধ করে কিন্তু এটা পূর্ণাঙ্গ সমধানের প্রকাশ নয়।
২টা অপশন আমাদের সম্ভাব্য উত্তর, [1,∞), (1,∞)
[1,∞) - এটার মানে হচ্ছে ১ থেকে অসীম পর্যন্ত। [ দেয়ার কারণে ১ সমাধানে ধরতে হবে।
(1,∞) - এটার মানে হচ্ছে ২ থেকে অসীম পর্যন্ত। ( দেয়ার কারণে ১ সমাধানে ধরা হবে না।
∴ সমাধান সেট (1, ∞)
১৬৮) 6x2 - 7x - 4 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?
বাস্তব ও সমান
বাস্তব ও অসমান
অবাস্তব
পূর্ণ বর্গ সংখ্যা
বাস্তব ও অসমান
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 6x2 - 7x - 4 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি-
সমাধান:
6x2 - 7x - 4 = 0
এখানে,
a = x2 এর সহগ = 6
b = x এর সহগ = - 7
c = ধ্রুবক = - 4
নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= (- 7)2 - 4. 6. (- 4)
= 49 + 96
= 145 > 0
নিশ্চায়ক ধনাত্মক হলে, মূল দুইটি বাস্তব ও অসমান হবে।
∴ মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান।
ধরি a, b, c মূলদ সংখ্যা। তাহলে
1) b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ হবে।
2) b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ না হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ হবে।
3) b2 - 4ac = 0 হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।
4) b2 - 4ac < 0 অর্থাৎ ঋণাত্মক হলে সমীকরণটির বাস্তব মূল নাই।
১৬৯) যদি x4 - x2 + 1 = 0 হয়, তবে, x3 + 1/x3 = কত?
3
2
1
0
0
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: যদি x4 - x2 + 1 = 0 হয়, তবে, x3 + 1/x3 = কত?
সমাধান:
x4 - x2 + 1 = 0
⇒ x4 +1 = x2
⇒ (x4 + 1)/x2 = 1
⇒ x2 + 1/x2 = 1
⇒ (x + 1/x)2 -2.x.1/x =1
∴ x+ (1/x) = √3
x3 + (1/x)3
= {x + (1/x)}3 - 3.x. (1/x) {x + (1/x)}
= (√3)3 - 3. √3
= 3√3 - 3√3
= 0
১৭০) 
3/2
4/5
9/4
2/3
9/4
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:

সমাধান:
xx
√x = (x√x)
x= (x
x)
√x = (x.x
1/2)
x = (x
3/2)
x = (x
x)
3/2= (x
x)
√x = (x
x)
3/2=√x = 3/2
= x = (3/2)
2 ∴ x = 9/4
১৭১) কোন শর্তে loga1 = 0?
a > 0, a ≠ 1
a ≠ 0, a > 1
a > 0, a = 1
a ≠ 1, a < 0
a > 0, a ≠ 1
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: কোন শর্তে loga1 = 0?
সমাধান:
a > 0, a ≠ 1 শর্তে,
loga 1 = 0
১৭২) চিত্রে ∠PQR = 55°, ∠LRN = 90° এবং PQ || MR, PQ = PR হলে, ∠NRP এর মান নিচের কোনটি?

90°
55°
45°
35°
35°
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: চিত্রে ∠PQR = 55°, ∠LRN = 90° এবং PQ || MR, PQ = PR হলে, ∠NRP এর মান নিচের কোনটি?

সমাধান:
প্রদত্ত চিত্রে,
PQ = PR
সুতরাং, PQR সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
∠PQR = ∠PRQ = 55°
∠LRN = 90° হলে ∠NRQ = 90°
সুতরাং, ∠NRP = ∠NRQ - ∠PRQ = 90° - 55° = 35°
১৭৩) P = {x : x, 12 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং Q = {x : x, 3 এর গুণিতক এবং x≤ 12} হলে, P - Q কত?
{1, 2, 4}
{1, 3, 4}
{1, 3, 6}
{1, 2, 6}
{1, 2, 4}
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: P = {x : x, 12 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং Q = {x : x, 3 এর গুনিতক এবং x ≤ 12} হলে P - Q = কত?
সমাধান:
এখানে, P = {x : x, 12 এর গুণনীয়কসমূহ}
12 এর গুণনীয়কসমূহ 1, 2, 3, 4, 6, 12
∴ P = {1, 2, 3, 4, 6, 12}
Q = {x : x, 3 এর গুনিতক এবং x ≤ 12}
3 এর গুনিতক 3, 6, 9, 12, ....
∴ Q = {3, 6, 9, 12}
∴ P - Q = {1, 2, 3, 4, 6, 12} - {3, 6, 9, 12}
= {1, 2, 4}
১৭৪) cos(nπ/2) অনুক্রমটির চতুর্থ পদ কোনটি?
- 1
1
1/2
0
1
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: cos{(nπ)/2} অনুক্রমটির চতুর্থ পদ কোনটি?
সমাধান:
cos{(nπ)/2}
= cos{(4π)/2}
= cos2π
= cos360°
= cos(4 × 90° + 0°)
= cos0°
= 1
১৭৫) ৬ জন খেলোয়ারকে সমান সংখ্যক দুইটি দলে কত ভাবে বিভক্ত করা যায়?
১০
২০
৬০
১২০
১০
ব্যাখ্যা:
প্রশ্নঃ ৬ জন খেলোয়ারকে সমান সংখ্যক দুইটি দলে কত ভাবে বিভক্ত করা যায়?
সমাধান:
প্রশ্নটি ৪০ তম বিসিএসের প্রশ্ন; কিন্তু তা ৪০ তম বিসিএসেই প্রথম আসেনি। এর আগে এটি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ২০১৭ সালের এইসএসসি পরীক্ষায় এসেছিল। অনলাইনের প্রায় সব গুলো ওয়েবসাইট এবং বাজারের বেশ কিছু বইয়ে এর ভুল সমাধান দেওয়া আছে।
চলুন এর সঠিক সমাধান জেনে নেইঃ
২m সংখ্যক জিনিস সমান দুই ভাগে বিভক্ত করলে সমাবেশ সংখ্যা = (২m)!/২!(m!)২
৬ বা (২X৩) জন খেলোয়াড়কে সমান সংখ্যক দুইটি দলে বিভক্ত করার উপায়= ৬!/ [২!(৩!)২] = ১০
বিকল্প সমাধানঃ
প্রতি দলে ৩ জন করে নিয়ে দল গঠিত হবে।
৬ জন থেকে ৩ জন করে নিয়ে মোট দল গঠনের উপায় = ৬C৩ = (৬)!/(৩!(৬-৩)!) = ২০
সমান সংখ্যক বা ৩ জন করে দুটি দলে বিভক্ত করার উপায় = ২০/২ = ১০
উৎসঃ উচ্চতর গণিত প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১৭৬) ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্কে যাওয়ার সময় দিনের সময়কালকে অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয়, কেন?
পৃথিবী পশ্চিম দিকে ঘুরছে বলে
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে বলে
এক্ষেত্রে এসব ঘূর্ণনের কোন প্রভাব নেই
অন্য কোন কারণ আছে
অন্য কোন কারণ আছে
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্কে যাওয়ার সময় দিনের সময়কালকে অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয়, কেন?
সমাধান:- উত্তর ক হবে না কারণ, পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরে।
• পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে উড়ে গেলে সাধারণত আরও দ্রুত পৌঁছানো যায় কারণ এই দিকের যাত্রায় বিমানের সুবিধা হয় জেট স্ট্রিম নামক দ্রুত বায়ুপ্রবাহের, যা সাধারণত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে চলে। এর ফলে, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে উড়ে গেলে বিমানকে সহায়ক বাতাস মেলে, যা সময়কে কম করতে সাহায্য করে। অপরদিকে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে উড়লে বাতাসের বিপরীত প্রবাহের কারণে সময় বেশি লাগতে পারে।
∴ সঠিক উত্তর ঘ) অন্য কোন কারণ আছে
উৎস:
লিঙ্ক।
১৭৭) শুদ্ধ বানান কোনটি?
অধোগতি
অধঃগতি
অধগতি
অধোঃগতি
অধোগতি
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: শুদ্ধ বানান কোনটি?
সমাধান:
অধোগতি বানানটি শুদ্ধ। এর অর্থ ⇒ নিম্নগতি; নিচের দিকে যাওয়া।
উৎস: Accessible Dictionary.
১৭৮) সঠিক বানান কোনটি?
Indwelling
Indwling
Indweling
Indeulling
Indwelling
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: Indwelling
সমাধান:
Indwelling বানানটি সঠিক। এর অর্থ ⇒ নিবাস
১৭৯) বাংলা ‘ব্যঞ্জনবর্ণ’-মালায় ‘ম’ অক্ষরটির পূর্বের পঞ্চম অক্ষরটি কী?
'ধ'
'ন'
'প'
'ল'
'ন'
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: বাংলা ‘ব্যঞ্জনবর্ণ’-মালায় ‘ম’ অক্ষরটির পূর্বের পঞ্চম অক্ষরটি কী?
সমাধান:
ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত চিহ্ন বা প্রতীককে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
যথা: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ
১৮০) যদি ABC = ZYX হয়, তবে GIVV = ?
TERE
TEER
TREE
FREE
TREE
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: যদি ABC = ZYX হয়, তবে GIVV = ?
সমাধান:

ABC = ZYX
শুরু থেকে ১ম বর্ণ- A শেষ থেকে ১ম বর্ণ- Z
শুরু থেকে ২য় বর্ণ- B শেষ থেকে ২য় বর্ণ- Y
শুরু থেকে ৩য় বর্ণ- C শেষ থেকে ৩য় বর্ণ- X
অনুরুপ প্যাটার্ন মেনেই GIVV = TREE হয়।
১৮১) ‘UNICEF’ এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ‘UNICEF’ এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
সমাধান:
১৮২) রাস্তা সমান করার রোলার সরাবার জন্য সহজ হবে, যদি রোলারকে-
ঠেলে নিয়ে যাওয়া যায়
টেনে নিয়ে যাওয়া যায়
তুলে নিয়ে যাওয়া যায়
সমান সহজ হয়
টেনে নিয়ে যাওয়া যায়
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: রাস্তা সমান করার রোলার সরাবার জন্য সহজ হবে, যদি রোলারকে-
সমাধান:
লন রোলার ঠেলার চেয়ে টানা সহজ কারন টানার সময় আপাত ওজন হ্রাস পায় কিন্তু ঠেলার সময় আপত ওজন বৃদ্ধি পায়।
১৮৩) .১ × .০১ ×.০০১ = ?
১.০০০১
.১০০০১
.০০০০১
০.০০০০০১
০.০০০০০১
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: .১ × .০১ × .০০১ = ?
সমাধান:
.১ × .০১ × .০০১ = ০.০০০০০১
১৮৪) যদি চ × G = ৪২ হয়, তবে J × ট = ?
১২০
৯২
১১৫
১১০
১১০
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: যদি চ × G = ৪২ হয়, তবে J × ট = ?
সমাধান:

চ × G = ৬ × ৭ = ৪২
এবং J × ট = ১০ × ১১ = ১১০
১৮৫)
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:
সমাধান:বৃত্তগুলোর প্রথমটিতে দুটি তীর এবং ২য়টিতে বাম পাশে এবং ৩য়টিতে ২য়টির বিপরীত তথা ডান পাশে তীর রয়েছে।
অনুরূপভাবে,
ত্রিভুজের প্রথমটিতে দুটি বৃত্ত এবং ২য়টিতে উপরে ১টি বৃত্ত আছে তাই ৩য়টিতে বিপরীত তথা নিচে একটি বৃত্ত থাকবে।
১৮৬) কোন শব্দগুচ্ছ শুদ্ধ?
আয়ত্তাধীন, অহেরাত্রি, অদ্যপি
গড্ডালিকা, চিন্ময়, কল্যাণ
গৃহন্ত, গণনা, ইদানিং
আবশ্যক, মিথস্ক্রিয়া, গীতালি
আবশ্যক, মিথস্ক্রিয়া, গীতালি
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: কোন শব্দগুচ্ছ শুদ্ধ?
সমাধান:
আবশ্যক, মিথস্ক্রিয়া, গীতালি - শব্দগুচ্ছ বাংলা একাডেমি অভিধান অনুযায়ী শুদ্ধ।
১৮৭)
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:
সমাধান:1
1 + 2 = 3
3 + 2 = 5
5 + 2 =
7
A এর ১ বর্ণ পর C
C এর ১ বর্ণ পর E
E এর ১ বর্ণ পর
G∴ সঠিক উত্তর 7/G.
১৮৮) ভারসাম্য রক্ষা করতে নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?
১২০
১৪০
১৬০
৮০
১৪০
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষা করতে নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?
সমাধান:১০০ × ৭ = ৫ × ক
⇒ ৭০০ = ৫ক
∴ ক = ১৪০
নির্দেশিত স্থানে ১৪০ কেজি ওজন রাখতে হবে।
১৮৯)
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:
সমাধান:ঘ চিত্রটি প্রশ্নবোধক ত্রিভুজের নিচের ত্রিভুজের অবস্থা নির্দেশ করে।
১৯০) একজন ব্যক্তি ভ্রমণে ৪ মাইল উত্তরে, ১২ মাইল পূর্বে , তারপর আবার ১২ মাইল উত্তরে যায় । সে শুরুর স্থান থেকে কত মাইল দূরে?
১৭
২৮
২১
২০
২০
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি ভ্রমণে ৪ মাইল উত্তরে, ১২ মাইল পূর্বে , তারপর আবার ১২ মাইল উত্তরে যায় । সে শুরুর স্থান থেকে কত মাইল দূরে?
সমাধান:
উত্তরে মোট দূরত্ব = ১৬ মাইল এবং পূর্বে দূরত্ব = ৪ মাইল
দূরত্ব = √(১৬
২+১২
২) মাইল
= √(২৫৬ + ১৪৪) মাইল
= √(৪০০) মাইল
= ২০ মাইল
১৯১) তথ্য পাওয়া মানুষের কী ধরনের অধিকার?
রাজনৈতিক অধিকার
অর্থনৈতিক অধিকার
মৌলিক অধিকার
সামাজিক অধিকার
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা:
অধিকার:
- সাধারণত অধিকার বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী কোন কিছু করার বা পাওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়।
- এদিক থেকে বিচার করলে আইন বিরোধী কাজ করাকেও অধিকার বলা যায়।
- কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে এ ধরনের কাজকে স্বেচ্ছাচার বলা হয়।
- অধ্যাপক আনেস্ট বার্কার যথার্থই বলেন, 'অধিকার তখনই প্রকৃত অধিকার হতে পারে যখন রাষ্ট্র সেগুলোকে অধিকার বলে স্বীকার করে এবং সেগুলো রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয়।'
- অর্থাৎ রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত সুযোগ বা সুবিধাকে অধিকার বলা যায়।
- যেমন: পরিবার গঠন, শিক্ষা লাভ, নির্বাচনে ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার মত অধিকারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও অনুমোদন রয়েছে।
উল্লেখ্য,
⇒ মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকার বলতে বুঝায় নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি, যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।
- এর ফলে সরকার এ সমস্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- নাগরিকগণ তাদের অধিকার ভোগ করতে কোনো প্রকার সরকারি বাধার সম্মুখীন হয় না।
⇒ মৌলিক অধিকারের উৎস রাষ্ট্রের সংবিধান।
- মৌলিক অধিকারের রক্ষক রাষ্ট্র ও সংবিধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বর্ণিত হয়েছে।
⇒ তথ্য পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯২) বাংলাদেশে 'নব-নৈতিকতা'র প্রবর্তক হলেন -
মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
জি. সি. দেব
আরজ আলী মাতুব্বর
আবদুল মতীন
আরজ আলী মাতুব্বর
ব্যাখ্যা:
আরজ আলী মাতুব্বর:
- বাংলাদেশে 'নব-নৈতিকতা'র প্রবর্তক হলেন আরজ আলী মাতুব্বর।
- আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ।
- আরজ আলী মূলত বস্তুবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন।
- মানবজীবন, প্রকৃতি-পরিবেশ, জড়জগৎ ও বিশ্ব-সংসার থেকে পাঠ নিয়ে তিনি নিজস্ব মতবাদ গড়ে তোলেন।
- তিনি দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস নিয়ে সকল অন্ধতা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
- তাঁর বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি একাধিক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
⇒ আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের সমাজে জেকে বসা ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নৈতিক আদর্শকে কুঠারাঘাত করে, তার স্থলে বস্তুবাদী দর্শন ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে সত্য আবিষ্কার করে সত্য, ন্যায় ও বিজ্ঞানের যথাযথ নীতি পদ্ধতিভিত্তিক নব নৈতিক আদর্শের সমাজের কথা চিন্তা করেছেন।
- তার দার্শনিক চিন্তা-চেতনা ধর্মের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ধর্মের নামে প্রচলিত ধর্মান্ধতা ও ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে।
- জোহাদ বরকতুল্লাহ আমাদের মুসলমানদের মধ্যে বাংলাভাষায় প্রথম যথার্থ দার্শনিক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- তিনি তার দর্শনে আত্মপ্রতিষ্ঠার নামে একটি দার্শনিক ধারার কথা বলেন।
- বাংলাদেশের আরেকজন দার্শনিক জি.সি দেব বস্তুবাদ ও অধ্যাত্মবাদের মিশিলে গঠিত সমন্বয়ী দর্শনের প্রচার করেছিলেন।
⇒ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
- সত্যের সন্ধান (১৯৭৩),
- সৃষ্টির রহস্য (১৯৭৭),
- অনুমান (১৯৮৩),
- মুক্তমন (১৯৮৮) ইত্যাদি।
⇒ তাঁর বেশ কিছু অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি সম্প্রতি আরজ আলী মাতুববর রচনাবলি নামে প্রকাশিত হয়েছে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৯৩) 'আমরা যে সমাজেই বসবাস করি না কেন, আমরা সকলেই ভালো নাগরিক হওয়ার প্রত্যাশা করি'। এটি -
নৈতিক অনুশাসন
রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুশাসন
আইনের শাসন
আইনের অধ্যাদেশ
রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুশাসন
ব্যাখ্যা:
• রাজনৈতিক মূল্যবোধ (Political Values):
- যে চিন্তাভাবনা লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের রাজনৈতিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বলে।
⇒ রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো:
- রাজনৈতিক সততা,
- শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
- রাজনৈতিক সহনশীলতা,
- রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
- দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর করা,
- সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান,
- সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ,
- বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান,
- বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদান না করা,
- নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া,
- আইনসভাকে কার্যকর হতে সাহায্য করা ইত্যাদি।
• সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য আকাঙ্ক্ষার অভিব্যক্তি হল সামাজিক মূল্যবোধ।
- বস্তুত সামাজিক মূল্যবোধ হল সামাজিক শিষ্টাচার, সততা, সত্যবাদিতা, ন্যায়-বিচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শ্রমের মর্যাদা, শৃঙ্খলাবোধ, সময়ানুবর্তিতা, দানশীলতা, উদারতা প্রভৃতি মানবিক সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
উল্লেখ্য,
- সামাজিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে।
- উপর্যুক্ত মূল্যবোধগুলো ভালো নাগরিক হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৪) সভ্য সমাজের মানদণ্ড হলো -
গণতন্ত্র
বিচার ব্যবস্থা
সংবিধান
আইনের শাসন
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা:
আইনের শাসন:
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা অর্থাৎ আইন সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তির বিরাজ করে।
- নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার কেবল আইনের শাসনের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে।
- সমাজ থেকে মায়া, মমতা, সহমর্মিতা, ন্যায়-বিচার, নীতি-আদর্শ হ্রাস পায়।
- অতএব সভ্য সমাজের মানদন্ড হলো আইনের শাসন।
উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
১৯৫) 'বিপরীত বৈষম্য'-এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয় -
নারীদের ক্ষেত্রে
সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে
প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা:
বিপরীত বৈষম্য:
- সমতার প্রশ্নে "বিপরীত-বৈষম্যের" (reverse discrimination) ধারণা গুরুত্বপূর্ণ।
- অনেক সময় বহু সমাজে এমন কিছু লোক থাকে যারা অন্যান্যদের চেয়ে কোন কোন দিক থেকে পিছিয়ে থাকে।
- অন্যান্যদের সমান করার জন্য তাদেরকে তখন ঐসব দিকগুলোতে কিছু অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে হয়।
- বাইরের দিক থেকে একে বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মনে হলেও, তা সমতা-নীতিরই একটি প্রতিফলন।
- আর একেই বলে 'বিপরীত-বৈষম্যের' নীতি।
⇒ তাই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে 'বিপরীত বৈষম্য'-এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয়।
উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬) মূল্যবোধের চালিকা শক্তি হলো -
উন্নয়ন
গণতন্ত্র
সংস্কৃতি
সুশাসন
সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা:
মূল্যবোধ:
- সমাজ জীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচরণ পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় মূল্যবোধের দ্বারা।
- আমাদের এ সকল কর্মকাণ্ড সংস্কৃতি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।
- মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজভেদে মানুষের আচার-আচরণের মাঝে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সংস্কৃতি মানুষকে তার কাঙ্ক্ষিত আচরণটি শেখায়।
- সুতরাং সংস্কৃতি হচ্ছে মূল্যবোধের চালিকাশক্তি।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯৭) অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে -
দুর্নীতি দূর হয়
বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়
কোনোটিই নয়
বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা:
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন:
- অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসনের গুরুত্ব অত্যধিক।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত হয়।
- এতে করে পুঁজি বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপনে আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় ও বেকারত্ব হ্রাস পায়।
- অর্থনীতির সাথে সরাসরি বিনিয়োগের সাথে সম্পর্ক আছে।
- তাই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো.মোজাম্মেল হক।
১৯৮) মূল্যবোধ হলো-
মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
সমাজজীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়োজনীয় উপাদান
মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলীর দিক নির্দেশনা
মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
ব্যাখ্যা:
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- অন্যভাবে বলা যায়, মূল্যবোধ হলো কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিস্বাস।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মুল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ,রাষ্ট্র,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।
ফ্রাঙ্কেল এর মতে,
- ''মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের ধারণ''।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৯) জাতিসংঘের অভিমত অনুসারে সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো -
দারিদ্র বিমোচন
মৌলিক অধিকার রক্ষা
মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
নারীদের উন্নয়ন ও সুরক্ষা
মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।
কারণ:
- মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়।
- অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে। উপাদানগুলো হলো:
→ অংশগ্রহণ;
→ মতামতের উপর নির্ভরশীলতা;
→ জবাবদিহিতা;
→ স্বচ্ছতা;
→ দায়বদ্ধতা;
→ কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা;
→ ন্যাযতা; এবং
→ আইনের শাসন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২০০) সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হলো -
সরকার পরিচালনায় সাহায্য করা
নিজের অধিকার ভোগ করা
সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করা
নিয়মিত কর প্রদান করা
নিয়মিত কর প্রদান করা
ব্যাখ্যা:
সুশাসন:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে বেশ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু সরকারকেই সচেষ্ট হতে হবে তা নয়।
- এজন্য নাগরিকেরও অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
- কেননা কর্তব্যবিমুখ জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারেনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।
• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য:
- সামাজিক দায়িত্ব পালন।
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন।
- আইন মান্য করা।
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন।
- নিয়মিত কর প্রদান।
- রাষ্ট্রের সেবা করা।
- সন্তানদের শিক্ষাদান।
- রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
- জাতীয় সম্পদ রক্ষা।
- আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা।
- সচেতন ও সজাগ হওয়া।
- সংবিধান মেনে চলা।
- সুশাসনের আগ্রহ।
- উদার ও প্রগতিশীল দলের প্রতি সমর্থন।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।